Latest Blog Posts

আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনুন, বাংলার চেহারা পাল্টে দেব। সজীব ওয়াজেদ জয়

সজীব ওয়াজেদ জয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনুন, বাংলার চেহারা পাল্টে দেব। আমার কাছে তথ্য আছে, আগামীতে আবারও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে। আমি বিএনপির মিথ্যা প্রচারণা মোকাবিলা করতে এসেছি।’
আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী-যুবলীগ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সজীব ওয়াজেদ এসব কথা বলেন। ১৬ জুলাই স্ত্রী-কন্যাসহ দেশে আসেন তিনি। দেশে আসার পর এই প্রথম রাজনৈতিক সভায় বক্তব্য রাখলেন জয়।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, এখন থেকে আগামী ছয় মাস বিএনপির দুর্নীতি, অপশাসন তুলে ধরুন। তাঁদের অপকর্মের কথা মানুষকে মনে করিয়ে দিন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে দেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে।
সজীব ওয়াজেদ বলেন, সাড়ে চার বছর ধরে আওয়ামী লীগ দেশে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে। এখন আর মানুষকে লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হয় না। আওয়ামী লীগই বিদ্যুত্ সমস্যার সমাধান করেছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে নতুন কোনো বিদ্যুেকন্দ্র বানাতে পারেনি। জনগণের উদ্দেশে সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘আপনারা বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের দুই টার্ম তুলনা করে দেখেন, কারা বেশি উন্নয়ন করেছে। আওয়ামী লীগ এক টার্মে যে উন্নয়ন করেছে, বিএনপি দুই টার্মেও সে উন্নয়ন করতে পারেনি।’
সজীব ওয়াজেদ বলেন, বিএনপির আমলে হল-মার্ক, ডেসটিনির মতো দুর্নীতি করলেও কেউ গ্রেপ্তারও হতো না। এমনকি এসব কথা বলাও যেত না। দুর্নীতিতে বাংলাদেশ এক নম্বর ছিল। ব্যবসায়ীদের চাঁদা জমা দেওয়ার জন্য হাওয়া ভবন সৃষ্টি হয়। খাম্বার কথা কেউ ভুলে যায়নি।
জয় বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে কাউকে চাঁদা দিতে হয়নি। হাতিরঝিলের মতো স্থাপনার কারণে ঢাকাকে আন্তর্জাতিক শহর মনে হয়। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আমরা সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছি। এভাবে অর্থনীতি এগোলে আমাদের ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন হবে। আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায়। আর বিএনপির আমলে হয় শুধু দুর্নীতি।’ ২০০১ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের জন্য চারদলীয় জোট সরকারকে দায়ী করেন জয়।
প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেন, ‘২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলার কথা ভুলে যায়নি। ওই সময় আমার মাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৩ জনকে হত্যা করা হয়। চার শ জন আহত হয়। তত্কালীন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র এতে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেটা দুঃখজনক।’
যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মীজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা হারুনুর রশীদ, ফজলুল হক প্রমুখ।

শফীর বক্তব্য জঘন্য: শেখ হাসিনা

শফীর বক্তব্য জঘন্য: শেখ হাসিনা

যে জন নিজেকে একজন বুজুর্গ ব্যক্তি বলে দাবী করে, তার সহি সুন্নী হাদিস সম্পর্কে জ্ঞান বুদ্ধির সীমাবদ্ধতা দেখে করুনা হয়। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) স্বয়ং নারীর মর্যাদা দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা ও পর্দার ক্ষেত্রে যদিও কিছু নিয়ম কানুন বেধে দিয়েছিলেন। কিন্তু নারীকে তাচ্ছিল করে কোন মন্তব্য দ্বীনের নবী আখেরি নবী কোন দিন কোন কটু কথা বলেন নি। হাদিসে এমনি বর্ণিত রয়েছে। শফি কোথাকার সুন্নী মুসলমান? যে তার মাকে শ্রদ্ধা করতে জানে না, যে তার বোনকে শ্রদ্ধা করতে শিখেনি, তাকে শিক্ষিত, বুজুর্গ বা আলেম কি করে বলি? সেতো একজন অশিক্ষিত কসাইয়ের চেয়ে জঘন্যতম ব্যক্তি। যাকে একজন জালেম হিসেবেই চিনহিত করা উচিত।
http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article646506.bdnewsশফীর বক্তব্য জঘন্য: শেখ হাসিনা
নিজস্ব প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Photo: http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article646506.bdnews</p>
<p>শফীর বক্তব্য জঘন্য: শেখ হাসিনা<br />
নিজস্ব প্রতিবেদক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম</p>
<p>Published: 2013-07-13 06:43:13.0 GMT Updated: 2013-07-13 10:07:03.0 GMT</p>
<p>ওয়াজে নারীদের নিয়ে আহমদ শফীর বক্তব্যকে জঘন্য বলে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।</p>
<p>হেফাজতে ইসলামের আমিরের এক ওয়াজ নিয়ে সম্প্রতি দেশব্যাপী নিন্দার ঝড়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীও শনিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।</p>
<p>শেখ হাসিনা বলেন, “আল্লামা শফীর একটা কথা/দুই একদিন ধরে টেলিভিশনে দেখছি। আল্লামা শফী যা বলেছেন, তা অত্যন্ত জঘন্য বলে আমি মনে করি। উনি মেয়েদের সম্পর্কে অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য কথা বলেছেন।”</p>
<p>হাটহাজারীতে ওই ওয়াজের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে এর তীব্র সমালোচনা ওঠেছে।</p>
<p>ওয়াজে আহমদ শফী নারীদের চতুর্থ শ্রেণির বেশি পড়াতে নিষেধ করেন, সমালোচনা করেন সহশিক্ষার। নারীদের চাকরি না করে বাড়িতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। নারীদের নিয়ে আরো যেসব কথা তিনি বলেছেন, তাও কুরূচিপূর্ণ বলে সমালোচনা উঠেছে।</p>
<p>শেখ হাসিনা বলেন, “উনার কি মা নেই? উনি কি মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? উনার কি বোন-স্ত্রী নেই? আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের সম্মান তো আমাদের রক্ষা করতে হবে।”</p>
<p>ওই ওয়াজে নারীদের পোশাক-আশাক নিয়ন্ত্রণ এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধেও কথা বলেন হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক শফী।</p>
<p>তিনি বলেন, মেয়েদের কাজ ঘরের ভেতর। তাদের কাজ স্বামীর ঘরের আসবাবপত্র দেখাশোনা করা ও ছেলে সন্তান লালন-পালন করা।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্ম প্রথম যিনি গ্রহণ করেছিলেন- তিনি একজন মহিলাই ছিলেন। ইসলাম ধর্ম প্রথম গ্রহণ করেন বিবি খাদিজা। আর কেউ সাহস করে তা করেনি। এটা ওনার (শফী) মনে রাখা উচিত ছিল।</p>
<p>“ইসলাম ধর্মে যে জেহাদ হয়। সেই জেহাদে প্রথম যে শহীদ হন- তিনি বিবি সুমাইয়া।”</p>
<p>“তাদের সম্পর্কে এই নোংরা আর জঘন্য কথা বলা, আবার এই নারী নেতৃত্বকে মেনে নিয়েই,” গণজাগরণবিরোধী হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করেন শেখ হাসিনা।</p>
<p>“চৌঠা মে বিরোধীদলীয় নেতা একটা সমাবেশ করলেন। আমাকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিলেন; বললেন যে, আমি পালানোরও পথ পাব না।”</p>
<p>“আর, ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অবরোধ করল। তারা এক জায়গায় বসতে চাইল; আমরা কিন্তু, আপত্তি করিনি। তারা শাপলা চত্বরে বসল। এরপর, বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতরে আগুন দেয়া হল। জায়নামাজ পোড়ানো হল।”</p>
<p>“এরপর, প্রতিবাদ কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) করেননি। কেউই করেননি।”</p>
<p>বায়তুল মোকাররমে হামলার সঙ্গে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।</p>
<p>“পাঁচ তারিখ বায়তুল মোকাররমের সামনে শত শত কোরআন শরিফ পোড়ানো হয়েছে। আমি জানি না, ইসলামের ইতিহাসে এত কোরআন শরিফ এভাবে পোড়ানো হয়েছে কি না।”</p>
<p>“কারা পুড়িয়েছে? হেফাজতের আর জামাত-শিবিরের ক্যাডাররা। সব টেলিভিশনে লাইভ দেখানো হচ্ছিল। তাদের হাত-পা ধরে হকাররা কাঁদছিল। বলছিল, আমাদের রুটি-রুজির পেটে লাথি দিয়েন না।”</p>
<p>“যারা হেফাজতের আর ইসলামের নাম নিয়ে কোরআন শরিফ পোড়ালো- তারা ইসলামের কী হেফাজত করবে?”</p>
<p>“তারা ধর্মের এত বড় অবমাননা করে- কীভাবে ধর্মকে রক্ষা করবে?”</p>
<p>মতিঝিলে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে অরাজকতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p>“এই সব ঘটনা ঘটিয়ে মহিলাদের সম্পর্কে এখন নোংরা কথা বলছে। উনি কী মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? মায়ের সম্মানটুকু রাখবেন না? ওনার কি স্ত্রী নেই? তাদের সম্মান রাখবেন না?”</p>
<p>“ওনার জিবে পানি আসে। উনি যে নেত্রীর পাশে বসতেন- তাকে যদি তেঁতুল মনে করে ওনার জিবে পানি আসে- তাহলে আমার কিছু বলার নাই।”</p>
<p>হেফাজত আমিরের এই ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে দেশের নারীরা সোচ্চার হবে বলে আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p>“আর নেতৃত্বে কে থাকবে, না থাকবে তা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। যদি জনগণ সিদ্ধান্ত নেয়- সেখানে তাদের কী বলার আছে?</p>
<p>আওয়ামী লীগের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা শালীনভাবে চলাফেরা করার পক্ষে। পোশাক পরিধেয় কিন্তু দেশ কাল পাত্র হিসাবে। জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে পোশাক-পরিচ্ছদ।</p>
<p>“সব দেশের পোশাক তো এক না। আমি যদি শীতের দেশের পোশাক এখন পরি, আর গরমের পোশাক শীতের দেশে পরি- তাহলে তো হবে না। যেখানে বালুর ঝড়, সেখানে মুখ ঢাকার ব্যবস্থা রাখতেই হয়।”</p>
<p>“আমি বহুবার হজ করেছি। মাথার ওপর একটা ওড়না দিয়ে রাখতেই হয়। শালীনতার সঙ্গে সকলে চলবে- এটা আমরা চাই।”</p>
<p>জামায়াতে ইসলাম অপপ্রচার চালাতে তাদের নারীকর্মীদের ব্যবহার করে বলেও শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন।</p>
<p>যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণের মঞ্চের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ তুলে পাঁচ মাস আগে রাজপথে নামে চট্টগ্রামভিত্তিক হেফাজতে ইসলাম।</p>
<p>এর আগে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে তারা মাঠে নামলেও সম্পত্তিতে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার না দেয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করার পর তাদের আর মাঠে দেখা যায়নি।</p>
<p>গত ৬ মার্চ মতিঝিলে সমাবেশ করে ১৩ দফা দাবি উপস্থাপন করে হেফাজতে ইসলাম। ১৩ দফার চার নম্বর দাবিতে বলা হয় ‘ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বালনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।’</p>
<p>এছাড়া প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করারও দাবিও তোলে সংগঠনটি।

ওয়াজে নারীদের নিয়ে আহমদ শফীর বক্তব্যকে জঘন্য বলে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
হেফাজতে ইসলামের আমিরের এক ওয়াজ নিয়ে সম্প্রতি দেশব্যাপী নিন্দার ঝড়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীও শনিবার গণভবনে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “আল্লামা শফীর একটা কথা/দুই একদিন ধরে টেলিভিশনে দেখছি। আল্লামা শফী যা বলেছেন, তা অত্যন্ত জঘন্য বলে আমি মনে করি। উনি মেয়েদের সম্পর্কে অত্যন্ত নোংরা ও জঘন্য কথা বলেছেন।”

হাটহাজারীতে ওই ওয়াজের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহল থেকে এর তীব্র সমালোচনা ওঠেছে।

ওয়াজে আহমদ শফী নারীদের চতুর্থ শ্রেণির বেশি পড়াতে নিষেধ করেন, সমালোচনা করেন সহশিক্ষার। নারীদের চাকরি না করে বাড়িতে রাখার পরামর্শ দেন তিনি। নারীদের নিয়ে আরো যেসব কথা তিনি বলেছেন, তাও কুরূচিপূর্ণ বলে সমালোচনা উঠেছে। শেখ হাসিনা বলেন, “উনার কি মা নেই? উনি কি মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? উনার কি বোন-স্ত্রী নেই? আমাদের মা-বোন-স্ত্রীদের সম্মান তো আমাদের রক্ষা করতে হবে।”

ওই ওয়াজে নারীদের পোশাক-আশাক নিয়ন্ত্রণ এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধেও কথা বলেন হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক শফী।

তিনি বলেন, মেয়েদের কাজ ঘরের ভেতর। তাদের কাজ স্বামীর ঘরের আসবাবপত্র দেখাশোনা করা ও ছেলে সন্তান লালন-পালন করা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। ইসলাম ধর্ম প্রথম যিনি গ্রহণ করেছিলেন- তিনি একজন মহিলাই ছিলেন। ইসলাম ধর্ম প্রথম গ্রহণ করেন বিবি খাদিজা। আর কেউ সাহস করে তা করেনি। এটা ওনার (শফী) মনে রাখা উচিত ছিল।“ইসলাম ধর্মে যে জেহাদ হয়। সেই জেহাদে প্রথম যে শহীদ হন- তিনি বিবি সুমাইয়া।”“তাদের সম্পর্কে এই নোংরা আর জঘন্য কথা বলা, আবার এই নারী নেতৃত্বকে মেনে নিয়েই,” গণজাগরণবিরোধী হেফাজতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করেন শেখ হাসিনা।

“চৌঠা মে বিরোধীদলীয় নেতা একটা সমাবেশ করলেন। আমাকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিলেন; বললেন যে, আমি পালানোরও পথ পাব না।”“আর, ৫ মে হেফাজতে ইসলাম ঢাকা অবরোধ করল। তারা এক জায়গায় বসতে চাইল; আমরা কিন্তু, আপত্তি করিনি। তারা শাপলা চত্বরে বসল। এরপর, বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভেতরে আগুন দেয়া হল। জায়নামাজ পোড়ানো হল।” “এরপর, প্রতিবাদ কিন্তু উনি (খালেদা জিয়া) করেননি। কেউই করেননি।”বায়তুল মোকাররমে হামলার সঙ্গে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।“পাঁচ তারিখ বায়তুল মোকাররমের সামনে শত শত কোরআন শরিফ পোড়ানো হয়েছে। আমি জানি না, ইসলামের ইতিহাসে এত কোরআন শরিফ এভাবে পোড়ানো হয়েছে কি না।”“কারা পুড়িয়েছে? হেফাজতের আর জামাত-শিবিরের ক্যাডাররা। সব টেলিভিশনে লাইভ দেখানো হচ্ছিল। তাদের হাত-পা ধরে হকাররা কাঁদছিল। বলছিল, আমাদের রুটি-রুজির পেটে লাথি দিয়েন না।”“যারা হেফাজতের আর ইসলামের নাম নিয়ে কোরআন শরিফ পোড়ালো- তারা ইসলামের কী হেফাজত করবে?”“তারা ধর্মের এত বড় অবমাননা করে- কীভাবে ধর্মকে রক্ষা করবে?”মতিঝিলে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে অরাজকতার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।“এই সব ঘটনা ঘটিয়ে মহিলাদের সম্পর্কে এখন নোংরা কথা বলছে। উনি কী মায়ের পেট থেকে জন্মাননি? মায়ের সম্মানটুকু রাখবেন না? ওনার কি স্ত্রী নেই? তাদের সম্মান রাখবেন না?”

“ওনার জিবে পানি আসে। উনি যে নেত্রীর পাশে বসতেন- তাকে যদি তেঁতুল মনে করে ওনার জিবে পানি আসে- তাহলে আমার কিছু বলার নাই।” হেফাজত আমিরের এই ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে দেশের নারীরা সোচ্চার হবে বলে আশা করছেন প্রধানমন্ত্রী।“আর নেতৃত্বে কে থাকবে, না থাকবে তা জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে। যদি জনগণ সিদ্ধান্ত নেয়- সেখানে তাদের কী বলার আছে?আওয়ামী লীগের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা শালীনভাবে চলাফেরা করার পক্ষে। পোশাক পরিধেয় কিন্তু দেশ কাল পাত্র হিসাবে। জলবায়ুর ওপর নির্ভর করে পোশাক-পরিচ্ছদ।“সব দেশের পোশাক তো এক না। আমি যদি শীতের দেশের পোশাক এখন পরি, আর গরমের পোশাক শীতের দেশে পরি- তাহলে তো হবে না। যেখানে বালুর ঝড়, সেখানে মুখ ঢাকার ব্যবস্থা রাখতেই হয়।”“আমি বহুবার হজ করেছি। মাথার ওপর একটা ওড়না দিয়ে রাখতেই হয়। শালীনতার সঙ্গে সকলে চলবে- এটা আমরা চাই।”জামায়াতে ইসলাম অপপ্রচার চালাতে তাদের নারীকর্মীদের ব্যবহার করে বলেও শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণের মঞ্চের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ তুলে পাঁচ মাস আগে রাজপথে নামে চট্টগ্রামভিত্তিক হেফাজতে ইসলাম।এর আগে জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা বাতিলের দাবিতে তারা মাঠে নামলেও সম্পত্তিতে নারী ও পুরুষের সমান অধিকার না দেয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করার পর তাদের আর মাঠে দেখা যায়নি।গত ৬ মার্চ মতিঝিলে সমাবেশ করে ১৩ দফা দাবি উপস্থাপন করে হেফাজতে ইসলাম। ১৩ দফার চার নম্বর দাবিতে বলা হয় ‘ব্যক্তি ও বাকস্বাধীনতার নামে সব বেহায়াপনা, অনাচার, ব্যভিচার, প্রকাশ্যে নারী-পুরুষের অবাধ বিচরণ, মোমবাতি প্রজ্বালনসহ সব বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।’এছাড়া প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ইসলাম ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করারও দাবিও তোলে সংগঠনটি।

Ratan Majumder
শফীর বক্তব্য বিকৃত মানসিকতার পারিচায়ক।
নারীকে নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য নারীদের জন্য অবমাননাকর উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।‘বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও’-এর পক্ষে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শফীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
এতে সই করেছেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান, শিক্ষাবিদ অজয় রায়, বিশিষ্ট শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হক, কামাল লোহানী, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, ডা. সারওয়ার আলী, জিয়াউদ্দিন তারেক, অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান, নাসিমুন আরা হক মিনু ও অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ।
শফীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, “শফীর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামের এ ধরনের মানসিকতা নারীকে পুনরায় অবরোধবাসিনী ও উন্নয়নমুখি দেশকে মধ্যযুগে প্রত্যাবর্তন করতে উদ্যত হয়েছে। তাই, আমরা জাতীয় স্বার্থে সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের অপশক্তির তুষ্ট কিংবা লালন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান করছি।”— with Abdullah Harun Jewel and 14 others.
Photo: শফীর বক্তব্য বিকৃত মানসিকতার পারিচায়ক।<br />
নারীকে নিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য নারীদের জন্য অবমাননাকর উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।‘বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও’-এর পক্ষে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শফীর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।</p>
<p>এতে সই করেছেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান, শিক্ষাবিদ অজয় রায়, বিশিষ্ট শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, ডা. আনোয়ারা সৈয়দ হক, কামাল লোহানী, নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী, ডা. সারওয়ার আলী, জিয়াউদ্দিন তারেক, অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সাংবাদিক আবেদ খান, নাসিমুন আরা হক মিনু ও অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ।</p>
<p>শফীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, “শফীর নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামের এ ধরনের মানসিকতা নারীকে পুনরায় অবরোধবাসিনী ও উন্নয়নমুখি দেশকে মধ্যযুগে প্রত্যাবর্তন করতে উদ্যত হয়েছে। তাই, আমরা জাতীয় স্বার্থে সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের অপশক্তির তুষ্ট কিংবা লালন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান করছি।”

  • Moktel Hossain Mukthi কারন এখন আতে লেগেছে। তাই প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীগণ এবারে আর চুপ করে থাকতে পারলেন না। এ সব ব্যক্তিত্বই কিন্তু বেশীর ভাগ মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত । কই হেফাজতের বিরুদ্ধে কি কেউ দু’কলম লিখেছিলেন? লিখেননি কারন তখন আতে লাগেনি এখন লেগেছে। শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে।
  • Mahmoodul Haque Sayed ভালো করে খোঁজ নিলে দেখা যাবে বাংলাম্যডামের জিএসপি কোটা আর্টিকেলকে ধামাচাপা দেবার জন্যে সফীর এ বক্তব্য বিএনপি ন্যতারা লিখে দিয়েছে।

এখনও নিশ্চয় মনে আছে সাব্বিরের কথা?

এখনও নিশ্চয় মনে আছে সাব্বিরের কথা।
হ্যাঁ সেই সাব্বির,বসুন্ধরা টেলিকমিউনিকেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইন্জিনিয়ার সাব্বির, যাকে হত্যা করা হয়েছিল রাতের আঁধারে।
আর দায় থেকে মুক্ত হতে
তারেক জিয়ার সাথে চুক্তি হয় একশ কোটি টাকা,
যার ২০কোটি টাকা তত্‍কালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাবরের মাধ্যমে তারেককে দেয়া হয় প্রথম কিস্তিতে।
খুনি সানবিরকে বিদেশে পাঠিয়ে দেন তারেক।
খুনের রক্ত বিক্রির টাকা খেতে যার বাধেনি,সেই রক্তপিপাসু দুর্নিতীর বরপুত্র আজ বিদেশে বসে লম্বা লম্বা কথা বলছেন।
আবার ধমক দিলেই গর্তে পালাচ্ছেন।
শত হলেও চোর বলে কথা
চোরের গলা লম্বা হলেই কত হতে পারে।

সমগ্র জাতি এদের চিনে রাখুক : নিঝুম মজুমদার

সমগ্র জাতি এদের চিনে রাখুক : নিঝুম মজুমদার
মাহমুদুর রহমানের “আমার দেশ” পত্রিকা আজকে ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যান ও বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম এবং বিশ্বের অন্যতম খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন বিশেষজ্ঞ জনাব ডক্টর আহমেদ জিয়াউদ্দিনের একটি ব্যাক্তিগত স্কাইপির আলাপ ট্রান্সক্রিপ্ট আকারে তাদের পত্রিকায় ছেপেছে এবং এদেরই সাঙ্গ-পাঙ্গ রা সেসব ইউটিউবে ছড়িয়ে দিয়েছে। একই সাথে তারা আরেকজন আইন বিশেষজ্ঞ জনাব রায়হান রশীদেরও নাম উল্লেখ করেছে তাদের রিপোর্টে।

জামাত ঠিক কতটুকু নোংরা ও ইতর হতে পারে এটি কেবল তারই একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বেশ কিছুদিন আমি কাজ করেছি “আই স্পাই” নামে একটি প্রতিষ্ঠানের একজন সেলস এসিস্টেন্ট হিসেবে। এরা তাদের স্টোরে ডিটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট সহ বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং, বাগিং, ইত্যাদি ডিভাইস বিক্রি করে। যেখান থেকে আমার একটা ধারনা আছে যে এই স্কাইপি কনভারসেশন হ্যাক করা কিংবা এই জাতীয় ঘটনা ঘটাবার জন্য কি কি ইকুইপমেন্ট ব্যাবহার করা যেতে পারে এবং এসব করবার জন্য কি পরিমাণ স্কিলড লোকজন প্রয়োজন। ইউটিউব কনভারসেশন শুনে আমি যেটা ক্লিয়ারলি বুঝলাম যে মাননীয় বিচারপতির বাসায় জামাত ও তাদের ভাড়া করা গোয়েন্দারা ডিভাইস বসিয়েছে। এবং আমার ধারনা মতে, শুধু এক জায়গায় না, উনার বাসার প্রতি রুমেই তারা এই ডিভাইস বসিয়েছে এবং এই ডিভাইস বসিয়েই তারা আসলে উনার বলা সকল কথা রেকর্ড করে তা আবার প্রকাশ করে নোংরামির চূড়ান্ত করেছে।
এদিকে একটা কথাও বলে রাখা ভালো যে, শুধু যে উনার স্কাইপি কনভারসেশন হ্যাক করেছে তা না, সূত্র মতে উনার ইমেইল আইডিও হ্যাক করা হয়েছে। একজন সিটিং বিচারপতি এবং এত সফিস্টিকেটেড একটা ট্রাইবুনালের বিচারপতির বাসায় এই অত্যাধুনিক বাগস, ডিভাইস, ইকুইমেন্ট বসালো জামাতীরা এবং তারা আজকে গর্ব সহকারে তা বাজারে ছেড়েছে। আমরা কি একটা মগের মুল্লুকে বসবাস করি? আমরা কি একটি ফেইল্ড স্টেইটস এর বাসিন্দা? এই হ্যাকিং এর মাধ্যমে কি হয়েছে?
১) বিচারপতির ব্যাক্তিগত প্রাইভেসীকে ক্ষুন্ন করা হোলো।
২) বিচারপতির ইমেইল, কম্পিউটারে থাকা সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করা হোলো।
৩) সাক্ষীদের নানাবিধ ডিটেইলস নিশ্চয়ই বিচারপতির কাছে ছিলো, সেগুলোও চুরি হয়ে গিয়ে সেসব সাক্ষীদের জীবনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে গেলো।
৪) পুরো ট্রাইবুনালের সকল তথ্যকে পাচারের মাধ্যমে পুরো বিচার ব্যাবস্থাকেই এখন এক ধরনের হুমকির মুখে ছেড়ে দিলো।
৫) এটা পরিষ্কার হোলো যে, এরা অনেক আগে থেকেই এইসব তথ্য চুরি করার মাধ্যমে সাক্ষীর নাম জেনে নিত এবং তখন তাদের উঠিয়ে নিয়ে লুকিয়ে রাখা হোতো। সাক্ষী সুখরঞ্জন বালি ও সাক্ষী গণেশ এই ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট উদাহরণ। (সাক্ষী বালিকে ফ্রেব্রুয়ারী থেকেই পাওয়া যাচ্ছিলো না, অথচ ৯ মাস পরে প্রসিকিউশনের এই সাক্ষীকে জামাতের উকিলের গাড়িতে দেখা যায়।)
৬) এই হ্যাকিং এর মাধ্যমে ডক্টর আহমেদ জিয়াউদ্দিন ও রায়হান রশীদের ব্যাক্তিগত জীবনে তারা হস্তক্ষেপ করেছে। উনাদের ব্যাক্তিগত জীবন এবং জীবনের নিরাপত্তাকে তারা হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
৭) একজন মানুষের যে প্রাইভেসীর অধিকার রয়েছে তা চরম আকারে খর্ব করা হোলো।
৮) এই কনভারসেশন তো আর একদিন হ্যাক করা হয়নি এবং একটি রুমে বসানো হয়নি। অনেক রুমে ডিফাইস বসানো হয়েছে এবং প্রতিটি ব্যাক্তর বাসাতেই বসানো হয়েছে বলে আমি ধারনা করি। এটা আমার মত সকলেই বুঝবেন। এই পুরো ব্যাপারটি দিনের পর দিন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই প্রতিটি ব্যাক্তির পরিবারের সদস্যরাও তাহলে এই নোংরামির স্বীকার হয়েছে এবং উক্ত ব্যাক্তিদের পরিবারের সকল সদস্যরা কোথায় কার সাথে কি কথা বলেছে সেগুলোও তাদের কাছে আছে। সুতরাং তাদের সকলের প্রাইভেসী নষ্ট হয়েছে এবং অধিকার ক্ষুন্ন হয়েছে।
৯) এই পুরো প্রক্রিয়াতে তারা এটাই প্রমাণ করলো যে, শুরু থেকেই তারা এই বিচারকে বন্ধ করতে বদ্ধ পরিকর ছিলো। এরা মুখে মুখে ফেয়ার ট্রায়ালের যেই কথা বলে, সেটা কতটা মিথ্যা আজকে তা হাতে নাতে প্রমাণিত হলো।
১০) এর আগে সাঈদীর বিপক্ষে একন সাক্ষীর ছেলেকে রাস্তায় মার-ধর করার যে রিপোর্ট আমরা দেখেছি, ধরে নেয়া যায় যে এই হ্যাকিং এর মাধ্যমেই তারা সেই সাক্ষীর বাসার ঠিকানা ও পরিবারের ঠিকানা পেয়েছে।

১১) ডিফেন্স টিম সাক্ষীর নাম ঠিকানা পাবার জন্য এর আগে একটা স্ক্যান্ডাল করেছিলো এবং আদালতের গোপন নথি নীল ক্ষেত ফোটোকপির দোকানে ফটোস্ট্যাট করবার সময় ধরা খেয়েছিলো। সেই প্রক্রিয়ারই একটি অংশ তাদের এই হ্যাকিং এর ঘটনা। সাক্ষীদের নাম-পরিচয়, ঠিকানা এগুলো তাদের কেন দরকার? সাক্ষীকে খুন করবার জন্য? গুম করবার জন্য? ভয় দেখাবার জন্য?

আমার দেশে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কোনোভাবেই প্রমাণিত হয়না যে বিচারপতি নাসিম কোনো পক্ষপাত মূলক আচরণ করেছেন বরং এই কনভারসেশনে দেখা যাচ্ছে উনি বার বার একটা স্ট্যান্ডার্ডের কথা বলছেন, সঠিক ও ন্যায় বিচারের কথা বলছেন। এর আগেও তিনি তার প্রদত্ত স্টেটম্যান্টে বলেছেন যে, এই বিচার ব্যাবস্থা ও বিচারের ধারনা সম্পুর্ণ নতুন ধরনের হবার কারনে তিনি অনেকের সাথেই এই বিষয়ে পরামর্শ করেছেন, জানতে চেয়েছেন আইনের বিভিন্ন দিকের কথা। ইনফ্যাক্ট এই বিচারের ক্ষেত্রে সাহায্য করবার জন্য যে কোনো মতামত, তথ্য প্রধান সকল কিছুই যে বিচারকের পক্ষ থেকে স্বাগত করা হবে, সেটিও পাবলিক ডোমেইনে অনেকবার এসেছে।
এই বিচার, এই ট্রাইবুনাল আমি আজকে দিনের পর দিন দেখছি। এই বিচারের বিভিন্ন বিষয় আমি অত্যন্ত সুক্ষ্ণ ভাবে বুঝবার চেষ্টা করছি বিভিন্ন ভাবেই। আপনারা সকলেই জেনে থাকবেন এই বিচারকে বন্ধ করবার জন্য আজ তিনটা বছর এই জামাত, ডিফেন্স কাউন্সিল এরা কি পরিমাণ চেষ্টা করে গিয়েছে। সেই চেষ্টার অংশই হচ্ছে আজকের এই হ্যাকিং এর নোংরামি। আমি শীঘ্রই একটা বিশদ লেখা লিখব এই ট্রাইবুনালের পেছনের সকল ষড়যন্ত্র নিয়ে। একটা একটা করে মুখোশ খুলব। অনেক কথাই বলিনি এতদিন। অনেক কথাই গোপন রেখেছি। কিন্তু আজকে আর চুপ করে থাকার সময় নেই। আজকে দেখাবার সময় এসেছে যে, কি করে জামাতীরা প্রতিটি দিনি, প্রতিটি সপ্তাহে এই বিচারকে বাঁধা দেবার জন্য অর্থ ব্যয় করেছে, কাজ করেছে। আওয়ামীলীগের কত কাছের লোকও এই পুরো ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত, দেশের কত নাম করা আইনজীবি, তাদের সাঙ্গ পাঙ্গ কিংবা তাদের মেয়ের জামাইদেরও এরা লেলিয়ে দিয়েছে এই বিচারের বিরুদ্ধে। মিলিয়ন মিলিয়ণ ডলারের এই ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন আমাদেরই করতে হবে।

সমগ্র জাতি এদের চিনে রাখুক। জেনে রাখুক কতটা নোংরা হতে পারে এরা।

এমন শাস্তি দেব যাতে আর কেউ হামলা করার সাহস না পায় রামু উখিয়া পটিয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরে হামলাকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

এমন শাস্তি দেব যাতে আর কেউ হামলা করার সাহস না পায়
রামু উখিয়া পটিয়ায় বৌদ্ধ মন্দিরে হামলাকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী

উত্তম চক্রবর্তী, কক্সবাজার (রামু) থেকে ফিরে ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংসের যে কোন অপচেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংসের কোন অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না। রামু, উখিয়াসহ বৌদ্ধ বিহার ও মন্দির-উপাসনালয়ে হামলাকারীদের দ্রুত বিচার আইনে এনে এমন শাস্তি দেয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের হামলার সাহস না পায়। আমরা যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, সারাবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে, সুনাম বাড়ছে- ঠিক তখনই একটি মহল এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। নানা হীন কর্মকা- ঘটিয়ে দেশকে পিছিয়ে দিতে চাইছে। এসব অপতৎপরতা কোনভাবেই বরদাশত করা হবে না।
হামলার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে গোপনে বা প্রত্যেক্ষভাবে তদন্ত কমিটিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য রামু ও উখিয়াবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একটি শক্তিশালী ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা কমিটি’ গঠন করুন। বিরোধীদলীয় নেতার অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) বলেন আওয়ামী লীগ নাকি এই হামলা করেছে। কিন্তু এখানে এসে সব ঘটনা শোনার পর এটি স্পষ্ট কারা এর সঙ্গে জড়িত। আর বিরোধীদলীয় নেত্রীও সব জানেন। আমরা চাই না সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে এ ধরণের ঘটনা আর ঘটুক। এজন্য সারাদেশেই জনগণকে সম্পৃক্ত করে এসব অপতৎপরতা মোকাবেলা করতে হবে।
সোমবার কক্সবাজারের রামু উপজেলায় সাম্প্রদায়িক উগ্র গোষ্ঠীর নগ্ন হামলায় ভস্মীভূত-ল-ভ- হয়ে যাওয়া একাধিক বৌদ্ধ বিহার, উপাসনালয় পরিদর্শন শেষে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের আশ্বাসের পাশাপাশি এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রায় পৌনে চার কোটি নগদ অর্থের চেকসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী এই হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এই এলাকার তাঁরই এমপি লুৎফর রহমান কাজলের নেপথ্যের ঘটনা। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, হামলার ঘটনার আগে যখন স্থানীয় প্রশাসনসহ এলাকাবাসী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছিল, জনগণকে শান্ত করছিল, ঠিক তখন স্থানীয় বিএনপির এমপি এসে কী উস্কানি দিয়ে গেলেন? ওই এমপি আধঘণ্টা থেকে এলাকা ত্যাগের পরপরই হাজার হাজার লোক একযোগে হামলা চালাল, জ্বালাও-পোড়াও শুরু হলো। বিএনপির সেই এমপি কী বলে গেলেন, কী উস্কানি দিলেন তার জবাব একদিক তাঁকে দিতেই হবে। আর আওয়ামী লীগ কখনই মানুষের অকল্যাণ চায় না, বিশ্বাসও করে না।

ভয়াল ধ্বংসযজ্ঞ দেখে হতবাক প্রধানমন্ত্রী
বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানযোগে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার যান। সেখান থেকে সড়কপথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে পৌঁছেন সাম্প্রদায়িক উগ্র গোষ্ঠীর হামলায় প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া রামু উপজেলায়। প্রধানমন্ত্রী প্রথমেই রামু কেন্দ্রীয় সীমা বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন। ভয়াল এই তা-ব ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে হতবাক হয়ে যান তিনি। বিশাল এই বৌদ্ধ বিহারের যেন কোন চিহ্নই নেই। সবকিছু পুড়িয়ে ছাই করে ফেলা হয়েছে। এমনকি শত বছরের পুরনো স্বর্ণখচিত গৌতম বুদ্ধের মূর্তি শুধু ক্ষতবিক্ষতই করা হয়নি, তাঁর চোখের দামী পাথর পর্যন্ত তুলে লুটপাট করেছে দুর্বৃত্তরা। এই বৌদ্ধ বিহারের অধিকাংশ দামি জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা।
রামু উপজেলায় এই বৌদ্ধ বিহারে যাওয়ার দীর্ঘ পথের দু’ধারে যেদিকে চোখ যায় শুধুই ধ্বংসযজ্ঞ। বৌদ্ধ ও হিন্দুদের কোন বাসাবাড়িই অক্ষত নেই। সবকিছুই পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া হয়েছে। বসতবাড়িসহ সবকিছু হারিয়ে শত শত সংখ্যালঘু পরিবার আশ্রয় নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির নির্মিত অস্থায়ী তাঁবুতে। সবার চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সবাই যেন আতঙ্ক কাটিয়ে নতুনভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখেছেন। কান্নায় ভেঙ্গে পড়া বৌদ্ধ ভিক্ষু ও মা-বোনদের সান্ত¡না দিতে শেখ হাসিনাও তাঁর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। শোক কাটিয়ে সবার কণ্ঠে ছিল এক দাবি জড়িত নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।
রামু সীমা বৌদ্ধ বিহার ঘুরে ঘুরে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের তা-ব প্রত্যক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান তিন ধর্মগুরু শুদ্ধানন্দ মহাথের, সত্যপ্রিয় মহাথের ও ধর্মসেন মহাথেরর সঙ্গে একান্ত কিছু সময় বৈঠক করেন। তিনি ওই ধর্মগুরুর কাছ থেকে সবকিছু অবগত হন। এরপর প্রধানমন্ত্রী ঘুরে ঘুরে ধ্বংসপ্রাপ্ত চেরাংঘাটা রাখাইন বৌদ্ধ বিহার, উ-মংরি বৌদ্ধ বিহার (লাল চিং), উ-মংরি বৌদ্ধ বিহার (সাদা চিং), রামু মৈত্রী বিহার ও অপর্ণা বৌদ্ধ বিহার হেঁটে হেঁটে ঘুরে দেখেন। এসব বৌদ্ধ বিহারের কোনকিছুই অক্ষত নেই। বিহারগুলো এমনভাবে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে যে এখানে বৌদ্ধ মন্দির ছিল বলে মনেই হয় না। সবকিছু পুরিয়ে ছাই করে ফেলা হয়েছে। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ মূর্তি, পুরাকৃতি, সুদৃশ্য মন্দিরের ব্যবহার্য কোন কিছুরই অস্তিত্ব নেই। সবকিছু পুড়ে অঙ্গার হয়ে গেছে। আগুনের লেলিহান শিখা শুধু বৌদ্ধ মন্দিরগুলোকেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেনি, মন্দিরের ভেতরে থাকা সব গাছপালাও পুড়ে গেছে। আর লুটপাটের চিত্র ছিল সর্বত্রই।
প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারের রামু উপজেলায় এই সফরে ছিল না কোন আনুষ্ঠানিকতা। ছিল না কোন দলীয় জনসভার আয়োজন। ছিল না কোন ছবি, পোস্টার কিংবা তোরণ। ধ্বংসযজ্ঞ বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনের পর রামু খিজরি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একটি ছোট মঞ্চে শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ যে অসাম্প্রদায়িক তাঁর বহির্প্রকাশ ঘটে এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে। হাজার হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তীব্র ঘৃণা ও ধিক্কার জানিয়েছেন এই তা-বের সঙ্গে জড়িত সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে। বিশাল মাঠের কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। পুরো মাঠ ছাপিয়ে আশপাশের সড়কগুলো লোকেলোকারণ্য হয়ে পড়লে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই অনুষ্ঠানটি রীতিমতো বিশাল জনসভায় রূপ নেয়।
প্রধানমন্ত্রী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শেষ করেই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সাহায্যের চেক বিতরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলসহ অন্যান্য খাত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত বিহার সংস্কার, বসতবাড়ি নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ ৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৭ হাজার টাকার চেক, গৃহনির্মাণে ৩০৭ বান টিন, ৩৬ মেট্রিক টন চাল, ২৪৬ পিস কম্বলসহ কাপড়, বইপত্র বিতরণ করেন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মাঝে চীবর দান করেন।

সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী যা বলেন
প্রধানমন্ত্রী আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, অত্যন্ত দুঃখ-ভারাক্রান্ত মন নিয়ে এখানে এসেছি। আমি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করি। ইসলাম শান্তির কথা বলে। নবী করিম (সা) বলেছেন, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। ইসলাম অন্যের ধর্মের ওপর হস্তক্ষেপ, আঘাত করা, উপাসনালয় জ্বালাও-পোড়াও এসব সহ্য করে না। তিনি বলেন, যারা এ জঘন্য হামলা চালিয়েছে তারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে না। শুধু ইসলাম নয়, তারা কোন ধর্মেই বিশ্বাস করে না, মানবতায় বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, আমি ঘুরে ঘুরে ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেছি। টেকনোলজি ভাল, কিন্তু টেকনোলজি ব্যবহার করে যে উন্মাদনা সৃষ্টি করা হয়েছে সেটা কারোরই কাম্য নয়। বাংলাদেশে সব ধর্মের সমান অধিকার রয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী সবার নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। যারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। অবশ্যই তাদের গ্রেফতার করা হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।
শেখ হাসিনা বলেন, বৌদ্ধদের হাজার বছরের ঐতিহ্য ধ্বংস করা হয়েছে। এটা শুধু বৌদ্ধ ধর্মেরই নয়, এসব দেশেরও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। যারা এ দেশের অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি করেন, অসাম্প্রদায়িক সমাজে বিশ্বাস করেন, দেশের এমন সব রাজনৈতিক দলের নেতারা রামুতে আজ উপস্থিত হয়েছেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যাতে বজায় থাকে সেজন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখানে অনেকেই আমাকে বলেছে যে, যারা এ ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন তাদের নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। হুমকি দিয়ে বলা হচ্ছে এখানে আর্মি-বিজিবি কতদিন থাকবে? এই ধরনের হুমকি কারা দিচ্ছে তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের হুমকি কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ভয়াবহ সংখ্যালঘু নির্যাতনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে সেই জায়গায় নিতে নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চলছে। আমরা দেশকে যখন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, তখন বিএনপি-জামায়াত জোট হীন কর্মকান্ড ঘটিয়ে দেশকে তারা আবার পিছিয়ে দিতে চায়। তারা মানুষের উন্নতি, কল্যাণ সহ্য করতে পারছে না। ক্ষমতায় থেকে জনগণের অর্থসম্পদ লুটেপুটে খেতে পারছে না বলেই এসব ষড়যন্ত্র করছে।
‘আওয়ামী লীগ চোর ও দুর্নীতিবাজ’ বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়ার এমন অভিযোগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার মুখে এমন কথা শুনলে হাসি পায়। তাঁর কথা শুনলে মনে হয়- ‘চোরের মায়ের বড় গলা’। যিনি ক্ষমতায় থাকতে বার বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন, নিজে দুর্নীতি করেছেন, যাঁর ছেলেরা দুর্নীতির টাকা নিয়ে দেশে-বিদেশে ধরা পড়েছে, তাঁরা আজ বড় বড় কথা বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেন! আমরা দেশকে যখন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি তখনই তাদের এত মাথাব্যথা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সংবিধান সংশোধন করে সব ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছি। কারোর ধর্মের ওপর কোন আঘাত না আসে সেদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারোর প্ররোচনায় অন্য ধর্মের মানুষের ওপর আঘাত না করার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, কেউ উস্কানিমূলক কোন কাজ করলে তাৎক্ষণিক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
দেশবাসীর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ তাদের বলি এখানে ধর্মীয় উন্মাদনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে এই ইস্যুতে মুসলিম ভাইয়েরা যারা অন্য দেশে সংখ্যালঘু হিসেবে রয়েছেন তারাও অত্যাচারিত হতে পারেন। এ কথা সবাইকে মাথায় রাখতে হবে। সব ধর্মের মানুষদের প্রতি আমার আহ্বান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজাই রাখুন, তাহলে দেশের উন্নয়ন আসবে।
ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব নয়। তবুও আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করব। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। জড়িতদের শাস্তি পেতেই হবে।
শোকাহত হাজার হাজার মানুষের সামনে ওই দিনের বর্বরোচিত হামলার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বার বার আবেগে জড়িয়ে পড়েন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু ও সীমা বৌদ্ধ বিহারের প্রধান সত্যপ্রিয় মহাথেরো। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজ আসন ছেড়ে মাইকের সামনে এসে অশীতিপর এই ধর্মগুরুকে সান্ত¡না দেন।
সত্যপ্রিয় মহাথেরো বিশাল এই ক্ষয়ক্ষতি কাটাতে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন আমাদের সাহস যোগাবে। আমাদের সর্বস্ব ধ্বংস করা হয়েছে। এই তা-বে আমরা হতবাক। আমাদের কিছুই বলার নেই। ১৯৭১ সালে এই বৌদ্ধ বিহারে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীস্টান সবাইকে আশ্রয় দিয়েছি। ৮৩ বছর ধরে আমি এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করে আসছি। কিন্তু জীবনসায়াহ্নে এসে আমাকে এ ধরনের বর্বরোচিত হামলার মুখে পড়তে হলো, যা সহ্য করার মতো নয়। এসব বৌদ্ধ বিহারে হাজার বছরের ঐতিহ্য, পুরাকীর্তি ছিল, যার সবকিছুই ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। বৌদ্ধ বিহারের ঐতিহ্য সংরক্ষণে তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানালে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেন।
কক্সবাজার জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি আলহাজ মাওলানা সালাউদ্দিন মোহাম্মদ তারেক বলেন, শান্তির ধর্ম ইসলাম। ইসলাম ধর্ম সব সময় শান্তির কথা বলে। ধর্মের কোথাও কোন ভেদাভেদ করা হয়নি, অন্যের ধর্মের ওপর আঘাত ইসলামের শিক্ষা নয়। ইসলামের আইন বিকৃত করার ফলেই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তিনি ইসলামের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় থেকে রামুর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করতে আসেন আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, গণঐক্যের আহ্বায়ক পংকজ ভট্টাচার্য, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান মল্লিক, ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এনামুল হক, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, গণ-আজাদী লীগের সভাপতি হাজী আবদুস সামাদ, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, সাংবাদিক সৈয়দ বদরুল আহসান, নাঈমুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ ও বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল আলম শাকিল।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রামুতে আগে থেকেই অবস্থান করে সবকিছু তদারকি করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, বীর বাহাদুর এমপি, এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম আমিন, মোল্লা মোঃ আবু কাউছার, পংকজ দেবনাথ, এথিন রাখাইন এমপি, এ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, শাহাজাদা মহিউদ্দিন, অশোক বড়ুয়া, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগসহ অন্য নেতারা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক
কক্সবাজার সার্কিট হাউসে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়নে জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্ব দরকার। ভবিষ্যতে দেশে আর এই ধরনের কোন ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।
রামুর বৌদ্ধ বিহারে হামলার পর বিরোধীদলীয় নেতার দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা বললেন, ‘আওয়ামী লীগ ঘটিয়েছে।’ ঘটনা ঘটিয়ে মিথ্যা অপবাদ দেয়ায় তারা পারদর্শী। তিনি বলেন, বৌদ্ধ বিহারে হামলার ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত- সে যে ধর্মেরই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করার জন্য স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দকেও সকল ধর্মের লোকদের নিয়ে কমিটি করার তাগিদ দেন তিনি। রামুর ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাহস নিয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানোর জন্য শেখ হাসিনা তাদের অভিনন্দন জানান।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিভিন্ন তদন্তে ও ভিডিওফুটেজেই পরিষ্কার হয়ে গেছে কারা এই জঘন্য হামলার সঙ্গে জড়িত। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। যাতে আর কেউ এমন নারকীয় তা-ব চালানোর সাহস না পায়।
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়ের শুরুতেই ২৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনা প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রীর সামনে তুলে ধরেন রামু উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রামু উপজেলার চেয়ারম্যান সোহেল সারোয়ার কাজল। কাজল বলেন, আমরা যখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করে নিয়ে এসেছি, তখন বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল এলেন। তিনি এসে আমাদের মঞ্চে উঠলেন এবং উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বললেন, ‘আমি রাজনীতি করতে আসিনি। আমি আপনাদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করতে এসেছি।’ এরপর, তিনি চলে গেলেন। তারপরই দেখতে পেলাম পূর্ব দিকের আকাশ লাল।
কক্সবাজার জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহম্মদ হোসেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ, কক্সবাজার পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী, উখিয়া আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি, কক্সবাজার জেলা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি নাইমুল হক টুটুল, উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক চৌধুরী এবং ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা হাজী বশিরুল আলম এই বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক
এর আগে একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক এই হামলার ঘটনা নিয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে আগামীতে বৌদ্ধ বিহারের হামলার মতো ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামীতে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।
২৯ সেপ্টেম্বর রামুতে বৌদ্ধ বিহারের হামলার ঘটনাকে সুপরিকল্পিত হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। সামনে ঈদ-উল-আযহা এবং দুর্গা পুজোকে সামনে রেখে সকল ধর্মের লোকদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কমিটি করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামনে অনেক খেলা হতে পারে। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত।
এর আগে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ সিরাজুল হক খান, কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবী চন্দ্র ২৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনা এবং প্রসাশনের পক্ষ থেকে ওই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল তা তুলে ধরেন। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলী প্রধানমন্ত্রীকে জানান, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হবে।

World Bank back to Padma

After diplomatic tug-of-war for months, finally the World Bank has decided to finance proposed Padma Bridge project in Bangladesh. Our Washington correspondent said, the decision of the World Bank has already been conveyed to other donors such as Asian Development Bank, JAICA and others. World Bank will make a formal announcement in this regard within couple of hours. A source inside World Bank told the Weekly Blitz correspondent that, the decision to finance Padma Bridge project was tabled for discussion from first hour on Thursday and the management of the bank finally agreed to “move ahead” with their investment in the project. It may be mentioned here that, on June 29th, World Bank cancelled the loan offer of 1.2 billion dollars due to serious allegations of corruption. Meanwhile, Royal Canadian Mounted Police, Federal Bureau of Investigation and other investigation agencies in Canada and USA are already investigating the issues related to corruption centering the pre-tender activities of the construction of the project.

It is indicated by World Bank authorities that the construction of the project will begin in January 2013.

Meanwhile, though the latest news of World Bank’s agreeing to finance the Padma Bridge project would generate juvenile situation within the current government in Bangladesh, reports related to high-profile corruption centering the Padma Bridge project is expected to be published by the Royal Canadian Mounted Police as well as other investigation agencies by the end of October through international media. A team of Royal Canadian Mounted Police already visited Bangladesh and handed over their findings and evidences centering corruption in Padma Bridge project to the Anti Corruption Commission.

Meanwhile, two former executives with SNC-Lavalin will be back in court next year to face a corruption charge related to the Padma bridge project, reports The Canadian Press.

Ramesh Shah [61], of Oakville and Mohammad Ismail, 48, of Mississauga are accused of trying to bribe officials in Bangladesh. Ramesh had been a vice-president and Ismail was director of international projects at SNC-Lavalin in Toronto.

The prosecution alleges they offered payment to secure contracts for the supervision and construction of the Padma Bridge and an elevated expressway in Dhaka. No money actually changed hands but the accused are alleged to have violated the Canadian Corruption of Foreign Officials Act.

The preliminary hearing was set for April 8-19, 2013.

SNC-Lavalin had submitted its bid to act as the owner’s engineer for the Bangladesh government to supervise the contractor responsible for Padma Bridge construction.

Following allegations of irregularities in the construction of the Padma Bridge project, the World Bank last September suspended its US$ 1.2 billion fund for the bridge and launched an investigation on the projects bidding process.

This year, the World Bank temporarily barred a unit of SNC-Lavalin from bidding in new World Bank projects following an investigation into the Padma Bridge project.

Following a WB request, the RCMP launched an investigation against the Canadian company last October. It raided its office, seized documents from there and arrested former chief executive Pierre Duhaime, Bangladeshi-born Canadian citizen Ismail Hossain and Indian-born Canadian citizen Ramesh.

They claimed that they had gleaned information from the detainees and found proof of various irregularities regarding the consultant’s appointment for the bridge project.

They also claimed that the Canadian company SNC-Lavalin had offered several influential Bangladeshis, including former communications minister Syed Abul Hossain, fat bribes to obtain the consultant’s job in the bridge project.

The five others, whose names came up in the RCMP investigation, are: Abul Hasan Chowdhury, ex-state minister for foreign affairs, Mosharraf Hossain Bhuiyan, ex-secretary of the Bridges Division of the communications ministry, Rafiqul Islam ex-director of Padma Multipurpose Bridge project, Mujibur Rahman Chowdhury alias Nixon Chowdhury, civil contractor and younger brother of parliament whip Noor-E-Alam Chowdhury, and Ziaul Huq, managing director of Engineering and Planning Consultant Ltd [CEP], who represented SNC-Lavalin in the Padma bridge tender, said ACC sources.

Like RCMP, the ACC also launched an investigation in February this year. They also sought information from the WB and the RCMP.

Padma bridge project, the World Bank is finally back on board ending days of speculations and frantic negotiations after the global lender pulled out of the project about two and half a months back.

Bangladesh Ambassador to the United States Akramul Qader confirmed bdnews24.com on Thursday about the reversal of its previous decision to pull out citing evidence of corruption.

“The World Bank has decided to engage itself in Padma bridge project and informed other lending agencies about the decision,” Qader said over phone.

Earlier in the afternoon, Finance Minister AMA Muhith had said the World Bank will also have to ‘leave’ certain things, along with the government, to reach an agreement.

The Ambassador was expecting a formal announcement from the global lender on Thursday night.

The World Bank decision followed the visit of Prime Minister’s International Affairs Advisor Gawher Rizvi to Washington. He was supposed to meet the World Bank officials once again for further discussions.

The Washington-based lender suspended its pledged $1.2 billion credit last year raising graft allegations against some senior government officials, and set some conditions for its return to the project. It finally cancelled the deal on June 29 saying no measures were taken to meet those conditions.

The government responded by announcing that the bridge would be built with own resources, if need be, but continued pursuing the World Bank for reconciliation.

As part of the process, former Communication Minister Syed Abul Hossain eventually resigned and Bridges Division Secretary Mosharraf Hossain Bhuiyan was sent on leave.

Sources in the government said on Sep 18 that the Prime Minister’s Economic Affairs Advisor Dr Moshiur Rahman, who was the Integrity Advisor of the project, had been sent on leave, but Moshiur denied this.

The news of Moshiur going on leave gave rise to the latest wave of speculation that the final obstacle to World Bank’s return to the project was removed.

Rizvi left for Washington this month for meeting World Bank officials at its headquarters. The team of representatives from the Bangladesh government had met a group of World Bank representatives on Wednesday.

“I talked with Gawher Rizvi this morning too. He is scheduled to meet the World Bank officials today (Thursday),” said Ambassador Qader.

Muhith had also hoped in the afternoon that the lending agency could make an announcement on the issue ‘any moment’. “The government will also make its announcement once they make theirs.”

When asked about the latest situation regarding Moshiur, the Finance Minister said, “Moshiur Rahman will not have links with any economic matters, including the Padma bridge.”

The government had struck the deal with four international lenders – World Bank, Asian Development Bank, Japan International Cooperation Agency and the Islamic Development Bank – for building the bridge which was one of its major electoral pledges.

A design for the 6-km long two-storied bridge establishing rail and road communications with the southern region was finalised. The government also began taking over land for the $ 2.9 billion bridge.

The crisis began to unfold after Canadian engineering firm SNC Lavalin was charged by Canadian police with corruption in the bidding process for getting a supervisor for the project. The World Bank suspended the pledged $ 1.2 billion loan.

The government had been refuting the allegation ever since it surfaced and refused to initiate any move to fulfil the World Bank conditions, leaving the project fate uncertain.

The bank cancelled its contract in June this year alleging that the government had failed to meet its requirements, drawing strong reaction from Prime Minister Sheikh Hasina herself.

The decision to build the bridge with own resources was taken in the Cabinet too, while talks went on with the government of Malaysia for funding.

But, Muhith had always been optimistic about getting the bank back in the project.

“In the beginning, the World Bank alleged corruption had taken place in the Padma bridge project. After our continuous denial and presenting facts before them, they are now talking in terms of a ‘possible graft’,” Muhith said in the afternoon.

The Finance Minister said the government had to initiate some ‘tough measures’ over the issue.

He also observed that the bank’s change of heart has upheld the nation’s goodwill, which was stained over the graft allegations.

The World Bank pullout saw other lenders like the Asian Development Bank, Japan International Cooperation Agency and the Islamic Development Bank suspend their part of the loan. However, the ADB and the JICA extended their disbursement deadline twice at the government’s request.

What is Digital Bangladesh by Sajeeb Wajed

http://www.youtube.com/watch?v=WS7Oy9n4Buo

watch the video

What is Digital Bangladesh by Sajeeb Wajed

Digital Bangladesh, the Vision 2021 will need from both Public and Private sector an infusion of resources, leadership and ICT centered development if it is to be made meaningful. Over the last few decades, the world has been shifting from industrial to knowledge-based societies; the ability of a nation to use and create knowledge capital determines its capacity to empower and enable its citizens by increasing human capabilities. Easy access to knowledge, creation and preservation of knowledge systems, dissemination of knowledge and better knowledge services should be core concerns of the Digital Bangladesh Vision 2021. Bangladesh should be part of a well-crafted national strategy and “Digital Bangladesh”, needs to be the cornerstone strategy for Bangladesh. Sajeeb Wajed

Speech of Sajeeb Wajed Joy regarding the Digital Bangladesh on

Re-writing from the video by Moktel Hossain Mukthi

http://thefutureleader.webnode.com

http://mukthi.webnode.com

Good Morning ladies and gentlemen,

Honorable Prime Minister,

Honorable Secretary-General of ITU Dr Hamadoun Touré,

Distinguish guest, ladies and gentlemen thank you very much for coming here today.

I would like to make a small presentation on digital Bangladesh. This is a question has been asked many time what exactly digital Bangladesh? Of course, todays focus is on telecommunication and how there relates? Today I will give you a brief on what the distinct segment’s areas of digital Bangladesh are. And this being a seminar on telecommunication which will forms the back bone of Digital Bangladesh. All are other initiatives lair communication infrastructure to operate and so without improve any telecommunication sector Digital Bangladesh would simply not be possible.

I will give you little bit background of Bangladesh. Our country achieved independence in 1971 under the leadership of Bangbandhu Sheikh Mujibur Rahman. Our victory was hard command 3 million of hurt citizen’s. 30 Lacs people gave their lives to gain our independence.

(“EBARER SONGRAM AMADER MUKTHIR SONGRAM, EBARER SONGRAM SWADHINATAR SONGRAM “BANGABANDHU SHEIKH MUJIBUR RAHMAN)

Bangabandhu had a dream, he’d a vision to create a “SONAR BANAGLA” the Golden Bengal; where would be prosperity, there would no poverty, and there would be no want for any of citizens.

Unfortunately because of the cue of 1975 and subsequent military dictatorships that dreamt remain until sloth until now.

KRISHI UNNOYON O SIKSHA KSHETREY JATHAJATHO BEBOSTHA GRAHON KORA HOBEY. 2021 SALER MODHEY DIGITAL BANGLADESH GOREY TOLA HOBEY: PRIME MINISTER SHEIKH HASINA”

The election of December2008 our present Awami League government has such to create to fulfill the dream sonar bangla and to take it a set form to creative Digital Bangladesh by the year of 2021.

What is digital Bangladesh? It is based on the principal of sonar Bangla of a prosperous Bangladesh whether is the populations free from discrimination, free from corruption and free from poverty. Whether are the no hunger and it is a peoples state govern by the people, govern by the will of the peoples and the Digital compound in this that we will use technological advances now to achieve our prosperity.

So, one of initiative setup has been taken so far for a Digital Bangladesh. Now, most people conceited Digital Bangladesh to be a new initiated by we have taken priority the selection the true face, the concept of Digital Bangladesh existed when the Awami league government first came to power from 1996 to 2001 that is when the IT task force had a by the honorable Prime Minister was first created since coming back to power in its formed government in 2009 the task force has been reconstituted:

  1. The task force comparison of the whole key Ministers, the Finance Minister he controls the first things for everything. So, everyone has to go to him;
  2. The Ministry of Planning as their taking part of any large scale development here;
  3. The Ministry of Post & Telecom; once again, they formed the back bone of Digital Bangladesh;
  4. The Ministry Science & ICT; first secretaries and others including members of the IT business Community, Telecommunications, Companies etc.;

There 5 distinct areas of Digital Bangladesh when people think the digital Bangladesh, one that the think of most what we called e-governments? This is e government’s services.

So for an example;

  1. The machine readable Passports project; Digital Passports;
  2. All projects to digitize the land records;
  3. Electronic involvement in schools and universities;
  4. All text books are available online;

These are just an example of e-government services that the government controls by. This is I will explain you a little bit. The 2nd area of the IT education, so, we have to use the IT e-government services. Our people have to be educated at least have a blue dametry ability to use computer, not only computer,  (elementary) domestic IT industries.

 TO BE CONTINUED

Prime Minister Sheikh Hasina has urged new generations

Prime minister Sheikh Hasina has urged new generations to excel in the use of information and communication technology to help build Bangladesh free of poverty and unemployment.
“Our aim is to get our new generations used to tapping technology,” Sheikh Hasina said, inaugurating a convention of ICT-related experts of Asia, ‘E-Asia 2011′ at Bangabandhu International Convention Centre in Dhaka on Thursday.
She added that if the young generation receives proper education on information technology, it will play a role in creating jobs at home and abroad.
Hasina said ‘Digital Bangladesh’ is part of the electoral manifesto of her Awami League party, which aims to fully digitalise the nation by 2021 through application of information and communication technology. “We are working tirelessly to ensure technologies for all.”
She said that as a step towards digitalising Bangladesh, her government has made mobile phones available and established 1,600 multimedia classrooms and almost 3,000 IT labs across the country.

“We have digitalised the primary and secondary textbooks and are planning to establish multimedia classrooms in another 20,000 educational institutions.” The prime minister referred to the establishment of mobile IT labs in the remote areas and introduction of solar energy in areas without electricity. “The government has taken initiatives towards introducing 3G mobile services.”

Citing digital services like e-information centres in upazilas and mobile banking, she said, “”I believe that we will not have to wait until 2021. We can make our Bangladesh digital before that.”
State minister for ICT Yeafesh Osman said, “If only we work together under the leadership of the daughter of the Father of the Nation, it will be possible for us to build a digital Bangladesh.
Advisor to the state minister for ICT, Sajeeb Ahmed Wazed said, “Like India, we can transform Bangladesh into an information technology hub. We believe we can do much in a short time.”
“Every ministry of the government will be brought under E-governance,” added Sajeeb, the son of Hasina.
“There will be no shortage of electricity in Bangladesh within 2013,” he added.
Indian research organisation Centre for Development and Media Studies (CSDMS) is the key organizer of the event. Bangladesh Computer Council and the Ministry for Science and Information and Communication Technology are sponsoring the event.
It has been possible to host the fair in Bangladesh thanks to the leadership of Sheikh Hasina, the CSDMS representative M P Narayan said.
The slogan for this year’s convention is ‘Realizing digital nation’.
The state minister for ICT had announced on Nov 30 that 30 seminars and workshops would be held during the event. Malaysia, Sri Lanka, Japan, Thailand and Holland’s pavilions would also be set up, besides Bangladeshi pavilions, at the venue as part of the exhibition.
The best IT contributions from Asia will be awarded on the second day of the event, it was announced.
Besides the convention, an IT fair will run from 10am to 8pm every day through to Saturday. The entry fee is Tk 10 but students can get in for free, the organizers’ said.
The first E- Asia convention was held in Bangkok in 2006, twice in Malaysia and once in Sri Lanka. The event was scheduled to be held last year in the Philippines but was postponed due to political uncertainty.

আমার বিচার চাই : ইশতিয়াক ইসলাম খান

আমার বিচার চাই
ইশতিয়াক ইসলাম খানঘটনা-১

আমার একটা কোচিং ছিলো, যার মালিকানা সদ্য আমার নিকট হতে গত হয়েছে কিছুটা ব্যাক্তিগত কারণে। গত পরশুদিন আমি একটা ক্লাস নিয়ে কোচিঙের অফিসে বসে আছি, আরেকজন শিক্ষক(নাম উল্লেখ করলাম না, বেচারার ইয়া লম্বা দাড়

ি, যা তার চেহারায় সুফি ভাব না এনে বাংলা ভাই সুলভ ভাব নিয়ে এসেছে, সবচে বড় কথা মালটা প্রবাহতে ক্লাস নেয়) ক্লাস শেষ করে এসে বসলেন।আমার পার্টনারকে উদ্দেশ্য করে বললেন-“ভাই, আমার তো একটা চাকরি হইসে, ক্লাস মনে হয় আর নিবো না”।

পার্টনার জিজ্ঞেস করলেন-“কোন জায়গায়?”

খাতা কাটতে আমার মুখ দিয়ে আনমনেই বের হয়ে গেলো-“ইসলামি ব্যাংক”।

আমার সহ-শিক্ষক বেশ পুলকিত চোখে তাকিয়ে বললেন, “আপনি কিভাবে জানেন?”

আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে পুরানো একখান ডায়ালগ ঈষৎ সম্পাদনা করে মেরে দিলুম-

“আমরা মেডিক্যালে দুই ধরনের ফাউল চিহ্নিত করি-

১। যারা বিশাল দাড়ি রাখে, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, আর শিবিরের ডাকে দা হাতে মানুষ মারতে নেমে যায়,

২। যারা ক্লিন শেভ থাকে, ব্যাগে হূমায়ুন আজাদ নিয়ে ঘুরে, মাইয়া দ্যাখলে কবিতা ঝাড়ে, প্রবাহ আর রেটিনাতে ক্লাস নেয় আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে বললে-“একটু পড়ালেখা করো, মুজিব তো এসব বহু আগেই মাফ কইরা দিসে”।

তবে দুই গোত্রেরই ভবিষ্যৎ একটাই- ইসলামী ব্যাঙ্ক/ন্যাশনাল হসপিটালের বেতনভুক্ত শূয়োর”।

বেচারা কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে গটগট করে চলে গেলো, আমিও নিজের ভেতরটা ঝেড়ে ফেলে বেশ আমোদের সাথে পরের ক্লাসে ঢুকে গেলাম।

ঘটনা-২

আমার দূরসম্পর্কের ভগ্নিপতি, নামখানা এখানেও উল্লেখ করলাম না। ভদ্রলোকের সাথে আমার সেই ভগ্নির বিয়ে হয় যখন আমি তখন ৭ম শ্রেণিতে পড়ি। বেশ ভদ্রলোক, আমার ফ্যামিলিতে বেশ জনপ্রিয়।

সকলেই সে বলিতে অজ্ঞ্যান। ওর মত ছেলেই হয় না।

সকলের সেবায় সে প্রাণান্ত। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা চিটাগাঙ্গের শিবির নিয়ন্ত্রিত এক চতুর্থ সারির কলেজ হতে ইসলামের ইতিহাসে ডিগ্রি পাশ। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে বড় যোগ্যতা তার রাজনৈতিক যোগ্যতা, সে ঐ কলেজের ছাত্র শিবিরের জিএস ছিলো ২ বছর।

আর এই যোগ্যতার প্রতিদান??

তার কাছে আজ কত টাকা সে নিজেও জানে না,

দিগন্ত টিভি, উত্তরায়ণ হাউজিং প্রকল্প, ন্যাশনাল হসপিটাল, ফ্যামাস প্যাকেজিং, রুহামা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, রেসালাহ পরিবহন, পাঞ্জেরি পরিবহন সহ আরো ১১ টি কোম্পানিতে তার শেয়ার রয়েছে, যেসব কোম্পানির প্রত্যেকটি জামায়াত শিবির নিয়ন্ত্রিত এবং কেবলমাত্র জামাত শিবির সংশ্লিষ্ট লোকজনই এতে চাকরি করেন। কেবলমাত্র ডিগ্রি পাশ করা একজন আজ ঢাকা শহরে কমপক্ষে ৫টি ১০কাঠার জমি, ২টি ফ্ল্যাট এবং একটি অভিজাত গাড়ির মালিক। তার সন্তানের স্কুলের বেতন ১৬ হাজার টাকা। উত্তরার আলিশান ফ্ল্যাট এফোরড করে, দামি গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ায় তার এক অফিস থেকে আরেক অফিসে।

যোগ্যতা একটাই- শিবির নেতা।

তার সাথে একবার রুহামা গ্রুপের এক পিকনিকে গিয়েছিলাম, বিশাল বাগান বাড়িতে সেই পিকনিক। প্রত্যেকে শিবির কর্মী, তাদের বউ বাচ্চা সহ এসেছিলেন। আমি যেন ঠিক মধ্যযুগে ফিরে গিয়েছিলাম। বিশাল বাগানবাড়ির একটি রুমে সকল মহিলা আর মেয়ে শিশুদের ঢুকানো হয়, তারা সেখান থেকে বের হতে পারবেন না, সেখানেই গল্প করবেন। আর পুরুষরা পুরো বাগান বাড়ি ঘুরে বেশ আরাম আয়েশে খেলা ধূলা করে সারাটা দিন কাটালেন।

আমার এই ভগ্নিপতিই বাসায় গিয়ে তার বোনকে বললেন-

“তুমি জিন্স পড়তে পারো না? ভালোই তো লাগবে”!!

ভাইজান শরীয়ত মোতাবেক বেলেল্লেপনা করেন, জায়েয আছে !

চট্টগ্রাম ভার্সিটির সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আমি বাসায় বসে পিয়াল ভাইয়ের একটা ছবি ব্লগ দেখছিলাম, পিছন থেকে ভগ্নিপতির উদয় ঘটল। তিনি চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন, “শেখের পো’রা দেশ থেকে সব ঈমানদার মানুষ গুলোকে ধরে ধরে মেরে ফেলতেসে”।

মাথাটা ঠিক রাখতে না পেরে, তাকে মুজাহিদের আসল কাহিনী এবং ভগ্নিপতির নিজের উত্থানের গল্পটাও চিবিয়ে চিবিয়ে শুনিয়ে দিলাম।

তার উত্তর শুনবেন?

-“শেখের পো’গুলারে এভাবেই পেরেক মারা উচিত, সব নেশা খোর। আমি হইলে তো ড্রিল করতাম”!

অবস্থা যখন গায়ে হাত দেয়ার পর্যায়ে উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে, বাপের হস্তক্ষেপে বাধ্য হয়ে ঘর থেকেই বের হয়ে গেলাম।

ঘটনা-১ আর ২ এর দুই নায়কের সাথে আমার বর্তমান সম্পর্ক-

১। সেই কোচিং ছাড়ার পেছনে আমার ২য় প্রধান কারণ ছিলো, কোচিঙে এরপর অন্তত আরো ৩জন শিবির কর্মীর শিক্ষক হিসেবে যোগদান,

২। সেই ভগ্নিপতির সাথে আমার এরপর থেকে আমি আর কথা বলি নাই, কারণ যাকে তাকে সালাম দিয়ে সালামকে অপমান করার যৌক্তিকতা দেখি না।

কথার সূত্রপাত করার উদ্দেশ্য অন্য জায়গায়। আমার একটা প্রশ্ন সবার কাছে-

কেনো এত এত মানুষ এখনো এত কিছুর পরও শিবিরে যোগ দেয়?

কি এমন মোহ তাদের টেনে নিয়ে যায় সেখানে?

কয়েকটি জবাব আমার কাছে আছে, মিলিয়ে দেখতে পারেন-

১। শিবিরের সমর্থক অধিকাংশই গ্রাম/মফস্বল থেকে উঠে আসা, যারা রাজনীতি বুঝে না, বুঝে শুধু আল্লাহ, বুঝে শুধু কোরান। তাদেরকে ধর্মের মিথ্যে দোহাই দিয়ে ঢুকানো হয় ছাত্র শিবিরের পতাকা তলে, এবং পরবর্তীতে এমন মগজ ধোলাই হয়, যে তারা ইসলাম আর শিবিরকে এক মনে করতে শুরু করে।

২। তারা কেনো করবে না শিবির? যেখানে ছাত্রত্ব থাকাকালীন পাওয়া যাচ্ছে ফ্রি খাওয়া থাকার গ্যারান্টি, বই পুস্তকের গ্যারান্টি, প্রবাহ-রেটিনায় ক্লাস নেয়ার গ্যারান্টি, টিউশনির গ্যারান্টি,

পাশ করলে ইসলামী ব্যাঙ্ক, গ্রিন লাইন, রুহামা, ন্যাশনাল হসপিটালে চাকরির গ্যারান্টি।

যেখানে হাজার হাজার মেধাবী ছাত্র পাশ করে বেকার হয়ে রাস্তায় ঘুরছে, ছাত্র থাকা কালীন পেটে ক্ষুধা নিয়ে পড়ছে- সেখানে এই অভাবনীয় সুযোগ কেই বা হারাবে?

পেটে যখন ভাত থাকে না, তখন মুক্তিযুদ্ধে চেতনা পেছন দিয়ে পালায়। আজকাল কার পোলাপান একাত্তরের পোলাপান না, যে পেটে ক্ষুধা নিয়ে দেশ বিজয়ের স্বপ্ন দেখবে।

বলতে পারেন, আপনি ছাত্রলীগ করে/বিএনপি করে চাঁদাবাজি ছাড়া একটা টাকা কামাতে পারবেন?

পাবেন নিশ্চিত ভবিষ্যতের গ্যারান্টি?

আমার কষ্টে বুক ফেটে যায়, যখন দেখি দেশের সবচে মেধাবী ছাত্র হিসেবে স্বীকৃত মেডিকেলের ছাত্ররা ডেমো খেয়ে ব্রেইন ওয়াশড হয়ে শিবির করে। যখন দেশের এই প্রজন্মের ছেলে হয়ে তারা বলে, গোলাম আযম স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার, জামায়াতে ইসলামী দেশ স্বাধীন করেছে।

মেধার এই ধর্ষণটুকু কি না করলেই না?

এই জন্য সরকার তাদের প্রত্যেকের পেছনে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দিয়ে তাদের ডাক্তার বানাচ্ছে?

শুধু এখানেই কি শেষ হয় শিবিরের ভন্ডামি?

আজকে এদেশে ধর্ম আর জামাত শিবির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেউ একজন দাঁড়ি রাখলে তাকে আমরা নির্দ্বিধায় শিবির বলে দিই, যেখানে দাঁড়ি নবীজির সুন্নত।

কেউ একজন নামাজের কথা বললে আমরা তাকে গালি দিয়ে বলি, “শালা মনে হয় শিবির”।

কোন ইসলামী পেইজে লাইক দিতে চিন্তা করি- “জামাতীদের পেইজ না তো আবার?”

আমি একটা কথা বিশ্বাস করি- এখন হঠাৎ করে নাস্তিকতার যে ধুম উঠেছে, তার পিছনে কিন্তু এই শিবির অনেকাংশে দায়ী। মানুষ অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বাস করে, শিবিরই ইসলাম, তারাই ইসলামের ইজারাদার। ব্যপারটা আজ এমন যেন–

If you need to hate SHIBIR, you have to hate ISLAM.

আমি নিজেই যে কোনদিন শিবির বিরোধী থেকে ইসলাম বিরোধী হবো না,

বুকে হাত দিয়ে কি বলতে পারবো???

আজো এই দেশে নিঃশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে এসব প্রানী,যারা এদেশের স্বাধীনতাই চায়নি।

যারা এদেশে এখনো হিন্দু-মুসলিমের একত্রীকরণ চায় না।

এই অপরাধ কি আমাদের নেতাদেরই নয়??

তারাই কি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে বারবার এদের সুযোগ করে দেন নাই?

কাকে বাদ দিবো? লীগ/বিএনপি কাকে??

তাই-

আমি গোলাম আযমের ফাঁসি চাই, এদেশের বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়ার অপরাধে,

আমি খালেদা জিয়ার ফাঁসি চাই, বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়ে নিজের আঁচল তলে জামাত শিবিরকে লুকিয়ে রাখার অপরাধে,

আমি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার চাই, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হয়েও গোলাম আযমকে দেশের নাগরিকত্ব প্রদানের অপরাধে,দেশের চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রী বানানোর অপরাধে,

আমি শেখ হাসিনার জবাবদিহিতা চাই, ‘৯৬ সালে সুযোগ পেয়েও যুদ্ধাপরাধীর বিচার না করার অপরাধে,

আমি প্রতিটি জামাত শিবির কর্মীর প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড চাই, গোলাম আযমকে স্বাধীনতার রূপকার আখ্যায়িত করে পোস্টার ছাপানোর অপরাধে,

আমি আমার বিচার চাই- এদেশে নিজের সামনে শিবির নামক রাষ্ট্রবিরোধীদের হাঁটতে, নিঃশ্বাস নিতে দেখেও কিছু করতে না পারার অপারগতার অপরাধে.. ..

http://www.facebook.com/notes/ishtiak-islam-khan/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87/10151209374165620

— with Nirmalendu Goon and 48 others.

Photo: আমার বিচার চাই<br />
ইশতিয়াক ইসলাম খান</p>
<p>ঘটনা-১</p>
<p>আমার একটা কোচিং ছিলো, যার মালিকানা সদ্য আমার নিকট হতে গত হয়েছে কিছুটা ব্যাক্তিগত কারণে। গত পরশুদিন আমি একটা ক্লাস নিয়ে কোচিঙের অফিসে বসে আছি, আরেকজন শিক্ষক(নাম উল্লেখ করলাম না, বেচারার ইয়া লম্বা দাড়ি, যা তার চেহারায় সুফি ভাব না এনে বাংলা ভাই সুলভ ভাব নিয়ে এসেছে, সবচে বড় কথা মালটা প্রবাহতে ক্লাস নেয়) ক্লাস শেষ করে এসে বসলেন।</p>
<p>আমার পার্টনারকে উদ্দেশ্য করে বললেন-“ভাই, আমার তো একটা চাকরি হইসে, ক্লাস মনে হয় আর নিবো না”।</p>
<p>পার্টনার জিজ্ঞেস করলেন-“কোন জায়গায়?”</p>
<p>খাতা কাটতে আমার মুখ দিয়ে আনমনেই বের হয়ে গেলো-“ইসলামি ব্যাংক”।</p>
<p>আমার সহ-শিক্ষক বেশ পুলকিত চোখে তাকিয়ে বললেন, “আপনি কিভাবে জানেন?”</p>
<p>আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে পুরানো একখান ডায়ালগ ঈষৎ সম্পাদনা করে মেরে দিলুম-</p>
<p>“আমরা মেডিক্যালে দুই ধরনের ফাউল চিহ্নিত করি-</p>
<p>১। যারা বিশাল দাড়ি রাখে, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, আর শিবিরের ডাকে দা হাতে মানুষ মারতে নেমে যায়,</p>
<p>২। যারা ক্লিন শেভ থাকে, ব্যাগে হূমায়ুন আজাদ নিয়ে ঘুরে, মাইয়া দ্যাখলে কবিতা ঝাড়ে, প্রবাহ আর রেটিনাতে ক্লাস নেয় আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে বললে-“একটু পড়ালেখা করো, মুজিব তো এসব বহু আগেই মাফ কইরা দিসে”।</p>
<p>তবে দুই গোত্রেরই ভবিষ্যৎ একটাই- ইসলামী ব্যাঙ্ক/ন্যাশনাল হসপিটালের বেতনভুক্ত শূয়োর”।</p>
<p>বেচারা কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে গটগট করে চলে গেলো, আমিও নিজের ভেতরটা ঝেড়ে ফেলে বেশ আমোদের সাথে পরের ক্লাসে ঢুকে গেলাম।</p>
<p>ঘটনা-২</p>
<p>আমার দূরসম্পর্কের ভগ্নিপতি, নামখানা এখানেও উল্লেখ করলাম না। ভদ্রলোকের সাথে আমার সেই ভগ্নির বিয়ে হয় যখন আমি তখন ৭ম শ্রেণিতে পড়ি। বেশ ভদ্রলোক, আমার ফ্যামিলিতে বেশ জনপ্রিয়।</p>
<p>সকলেই সে বলিতে অজ্ঞ্যান। ওর মত ছেলেই হয় না।</p>
<p>সকলের সেবায় সে প্রাণান্ত। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা চিটাগাঙ্গের শিবির নিয়ন্ত্রিত এক চতুর্থ সারির কলেজ হতে ইসলামের ইতিহাসে ডিগ্রি পাশ। তার শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে বড় যোগ্যতা তার রাজনৈতিক যোগ্যতা, সে ঐ কলেজের ছাত্র শিবিরের জিএস ছিলো ২ বছর।</p>
<p>আর এই যোগ্যতার প্রতিদান??</p>
<p>তার কাছে আজ কত টাকা সে নিজেও জানে না,</p>
<p>দিগন্ত টিভি, উত্তরায়ণ হাউজিং প্রকল্প, ন্যাশনাল হসপিটাল, ফ্যামাস প্যাকেজিং, রুহামা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, রেসালাহ পরিবহন, পাঞ্জেরি পরিবহন সহ আরো ১১ টি কোম্পানিতে তার শেয়ার রয়েছে, যেসব কোম্পানির প্রত্যেকটি জামায়াত শিবির নিয়ন্ত্রিত এবং কেবলমাত্র জামাত শিবির সংশ্লিষ্ট লোকজনই এতে চাকরি করেন। কেবলমাত্র ডিগ্রি পাশ করা একজন আজ ঢাকা শহরে কমপক্ষে ৫টি ১০কাঠার জমি, ২টি ফ্ল্যাট এবং একটি অভিজাত গাড়ির মালিক। তার সন্তানের স্কুলের বেতন ১৬ হাজার টাকা। উত্তরার আলিশান ফ্ল্যাট এফোরড করে, দামি গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ায় তার এক অফিস থেকে আরেক অফিসে।</p>
<p>যোগ্যতা একটাই- শিবির নেতা।</p>
<p>তার সাথে একবার রুহামা গ্রুপের এক পিকনিকে গিয়েছিলাম, বিশাল বাগান বাড়িতে সেই পিকনিক। প্রত্যেকে শিবির কর্মী, তাদের বউ বাচ্চা সহ এসেছিলেন। আমি যেন ঠিক মধ্যযুগে ফিরে গিয়েছিলাম। বিশাল বাগানবাড়ির একটি রুমে সকল মহিলা আর মেয়ে শিশুদের ঢুকানো হয়, তারা সেখান থেকে বের হতে পারবেন না, সেখানেই গল্প করবেন। আর পুরুষরা পুরো বাগান বাড়ি ঘুরে বেশ আরাম আয়েশে খেলা ধূলা করে সারাটা দিন কাটালেন।</p>
<p>আমার এই ভগ্নিপতিই বাসায় গিয়ে তার বোনকে বললেন-</p>
<p>“তুমি জিন্স পড়তে পারো না? ভালোই তো লাগবে”!!</p>
<p>ভাইজান শরীয়ত মোতাবেক বেলেল্লেপনা করেন, জায়েয আছে !</p>
<p>চট্টগ্রাম ভার্সিটির সাম্প্রতিক সংঘর্ষের পর আমি বাসায় বসে পিয়াল ভাইয়ের একটা ছবি ব্লগ দেখছিলাম, পিছন থেকে ভগ্নিপতির উদয় ঘটল। তিনি চিবিয়ে চিবিয়ে বললেন, “শেখের পো’রা দেশ থেকে সব ঈমানদার মানুষ গুলোকে ধরে ধরে মেরে ফেলতেসে”।</p>
<p>মাথাটা ঠিক রাখতে না পেরে, তাকে মুজাহিদের আসল কাহিনী এবং ভগ্নিপতির নিজের উত্থানের গল্পটাও চিবিয়ে চিবিয়ে শুনিয়ে দিলাম।</p>
<p>তার উত্তর শুনবেন?</p>
<p>-“শেখের পো’গুলারে এভাবেই পেরেক মারা উচিত, সব নেশা খোর। আমি হইলে তো ড্রিল করতাম”!</p>
<p>অবস্থা যখন গায়ে হাত দেয়ার পর্যায়ে উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে, বাপের হস্তক্ষেপে বাধ্য হয়ে ঘর থেকেই বের হয়ে গেলাম।</p>
<p>ঘটনা-১ আর ২ এর দুই নায়কের সাথে আমার বর্তমান সম্পর্ক-</p>
<p>১। সেই কোচিং ছাড়ার পেছনে আমার ২য় প্রধান কারণ ছিলো, কোচিঙে এরপর অন্তত আরো ৩জন শিবির কর্মীর শিক্ষক হিসেবে যোগদান,</p>
<p>২। সেই ভগ্নিপতির সাথে আমার এরপর থেকে আমি আর কথা বলি নাই, কারণ যাকে তাকে সালাম দিয়ে সালামকে অপমান করার যৌক্তিকতা দেখি না।</p>
<p>কথার সূত্রপাত করার উদ্দেশ্য অন্য জায়গায়। আমার একটা প্রশ্ন সবার কাছে-</p>
<p>কেনো এত এত মানুষ এখনো এত কিছুর পরও শিবিরে যোগ দেয়?</p>
<p>কি এমন মোহ তাদের টেনে নিয়ে যায় সেখানে?</p>
<p>কয়েকটি জবাব আমার কাছে আছে, মিলিয়ে দেখতে পারেন-</p>
<p>১। শিবিরের সমর্থক অধিকাংশই গ্রাম/মফস্বল থেকে উঠে আসা, যারা রাজনীতি বুঝে না, বুঝে শুধু আল্লাহ, বুঝে শুধু কোরান। তাদেরকে ধর্মের মিথ্যে দোহাই দিয়ে ঢুকানো হয় ছাত্র শিবিরের পতাকা তলে, এবং পরবর্তীতে এমন মগজ ধোলাই হয়, যে তারা ইসলাম আর শিবিরকে এক মনে করতে শুরু করে।</p>
<p>২। তারা কেনো করবে না শিবির? যেখানে ছাত্রত্ব থাকাকালীন পাওয়া যাচ্ছে ফ্রি খাওয়া থাকার গ্যারান্টি, বই পুস্তকের গ্যারান্টি, প্রবাহ-রেটিনায় ক্লাস নেয়ার গ্যারান্টি, টিউশনির গ্যারান্টি,</p>
<p>পাশ করলে ইসলামী ব্যাঙ্ক, গ্রিন লাইন, রুহামা, ন্যাশনাল হসপিটালে চাকরির গ্যারান্টি।</p>
<p>যেখানে হাজার হাজার মেধাবী ছাত্র পাশ করে বেকার হয়ে রাস্তায় ঘুরছে, ছাত্র থাকা কালীন পেটে ক্ষুধা নিয়ে পড়ছে- সেখানে এই অভাবনীয় সুযোগ কেই বা হারাবে?</p>
<p>পেটে যখন ভাত থাকে না, তখন মুক্তিযুদ্ধে চেতনা পেছন দিয়ে পালায়। আজকাল কার পোলাপান একাত্তরের পোলাপান না, যে পেটে ক্ষুধা নিয়ে দেশ বিজয়ের স্বপ্ন দেখবে।</p>
<p>বলতে পারেন, আপনি ছাত্রলীগ করে/বিএনপি করে চাঁদাবাজি ছাড়া একটা টাকা কামাতে পারবেন?</p>
<p>পাবেন নিশ্চিত ভবিষ্যতের গ্যারান্টি?</p>
<p>আমার কষ্টে বুক ফেটে যায়, যখন দেখি দেশের সবচে মেধাবী ছাত্র হিসেবে স্বীকৃত মেডিকেলের ছাত্ররা ডেমো খেয়ে ব্রেইন ওয়াশড হয়ে শিবির করে। যখন দেশের এই প্রজন্মের ছেলে হয়ে তারা বলে, গোলাম আযম স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার, জামায়াতে ইসলামী দেশ স্বাধীন করেছে।</p>
<p>মেধার এই ধর্ষণটুকু কি না করলেই না?</p>
<p>এই জন্য সরকার তাদের প্রত্যেকের পেছনে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দিয়ে তাদের ডাক্তার বানাচ্ছে?</p>
<p>শুধু এখানেই কি শেষ হয় শিবিরের ভন্ডামি?</p>
<p>আজকে এদেশে ধর্ম আর জামাত শিবির সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেউ একজন দাঁড়ি রাখলে তাকে আমরা নির্দ্বিধায় শিবির বলে দিই, যেখানে দাঁড়ি নবীজির সুন্নত।</p>
<p>কেউ একজন নামাজের কথা বললে আমরা তাকে গালি দিয়ে বলি, “শালা মনে হয় শিবির”।</p>
<p>কোন ইসলামী পেইজে লাইক দিতে চিন্তা করি- “জামাতীদের পেইজ না তো আবার?”</p>
<p>আমি একটা কথা বিশ্বাস করি- এখন হঠাৎ করে নাস্তিকতার যে ধুম উঠেছে, তার পিছনে কিন্তু এই শিবির অনেকাংশে দায়ী। মানুষ অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বাস করে, শিবিরই ইসলাম, তারাই ইসলামের ইজারাদার।  ব্যপারটা আজ এমন যেন--</p>
<p>If you need to hate SHIBIR, you have to hate ISLAM.</p>
<p>আমি নিজেই যে কোনদিন শিবির বিরোধী থেকে ইসলাম বিরোধী হবো না,</p>
<p>বুকে হাত দিয়ে কি বলতে পারবো???</p>
<p>আজো এই দেশে নিঃশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে এসব প্রানী,যারা এদেশের স্বাধীনতাই চায়নি।</p>
<p>যারা এদেশে এখনো হিন্দু-মুসলিমের একত্রীকরণ চায় না।</p>
<p>এই অপরাধ কি আমাদের নেতাদেরই নয়??</p>
<p>তারাই কি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে বারবার এদের সুযোগ করে দেন নাই?</p>
<p>কাকে বাদ দিবো? লীগ/বিএনপি কাকে??</p>
<p>তাই-</p>
<p>আমি গোলাম আযমের ফাঁসি চাই, এদেশের বাতাসে নিঃশ্বাস নেয়ার অপরাধে,</p>
<p>আমি খালেদা জিয়ার ফাঁসি চাই, বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হয়ে নিজের আঁচল তলে জামাত শিবিরকে লুকিয়ে রাখার অপরাধে,</p>
<p>আমি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার চাই, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হয়েও গোলাম আযমকে দেশের নাগরিকত্ব প্রদানের অপরাধে,দেশের চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধীদের মন্ত্রী বানানোর অপরাধে,</p>
<p>আমি শেখ হাসিনার জবাবদিহিতা চাই,  ‘৯৬ সালে সুযোগ পেয়েও যুদ্ধাপরাধীর বিচার না করার অপরাধে,</p>
<p>আমি প্রতিটি জামাত শিবির কর্মীর প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ড চাই, গোলাম আযমকে স্বাধীনতার রূপকার আখ্যায়িত করে পোস্টার ছাপানোর অপরাধে,</p>
<p>আমি আমার বিচার চাই- এদেশে নিজের সামনে শিবির নামক রাষ্ট্রবিরোধীদের হাঁটতে, নিঃশ্বাস নিতে দেখেও কিছু করতে না পারার অপারগতার অপরাধে.. ..</p>
<p>http://www.facebook.com/notes/ishtiak-islam-khan/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87/10151209374165620

6 · · Share
    • Hirak K. Bala M.i. Khan:Very Complex Situation! But No More Frustration! Everything Will Be In Normal Position. Pls Control Your Emotion. Always Believe Your Nation, Which Has Always Positive Impression That Comes From Positive Imagination. Jamat Islami Has No Political Vision. They Are Absolutely Against of Humanism. They Believe in Fascism. Jamat Will Definitely Face Pure Punishment by The Young Generation.
    • Angel Shok R sunar cheleder dey thuder motho chaguder khuttha dey khawabo..

Niazi planned rape of Bangalee women for ethnic cleansing

Niazi planned rape of Bangalee women for ethnic cleansing
http://www.facebook.com/awamileagueworldwide

In 1971, General AAK Niazi threatened that he would let loose his soldiers on the women of East Pakistan till the lineage or ethnicity of the Bangalees was changed, according to a new book.
Maj Gen (retd) Khadim Hussain Raja, who was general officer commanding of 14 Division in the then East Pakistan, gave the account in his book titled A Stranger in My Own Country: East Pakistan, 1969-1971, published by Oxford University Press this year.
The book is posthumously published probably because it was a hot potato in the times it was actually written, reports Pakistan based The Express Tribune on July 8.
Page 98 of the book reads, “[Enter] Commander East Pakistan General Niazi, wearing a pistol holster on his web belt. Niazi became abusive and started raving. Breaking into Urdu, he said: Main iss haramzadi qaum ki nasal badal doon ga. Yeh mujhe kiya samajhtey hain. He threatened that he would let his soldiers loose on their womenfolk. There was pin drop silence at these remarks. The next morning, we were given the sad news. A Bengali officer Major Mushtaq went into a bathroom at the Command Headquarters and shot himself in the head.”
General Tikka Khan disagreed with Raja that Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman be secretly dispatched to West Pakistan. He wanted to “publicly try Sheikh Mujib in Dhaka and hang him”, it also said.
The Express Tribune report opens with, “Pakistan’s name has been blackened by just one man: General AAK ‘Tiger’ Niazi.”
It adds, “Niazi surrendered to Indian General JFR Jacob in 1971. Niazi handed over his personal pistol at the famous Race Course ceremony. Jacob examined the weapon: the lanyard was greasy and frayed, and the pistol was full of muck as if it hadn’t been cleaned in a long while.” (Surrender at Dacca: Birth of a Nation; by Lt Gen JFR Jacob; Manohar Publishers 1997).
General Ayub Khan, whose decade of rule caused the jurisprudence of separatism to evolve, gets the treatment he deserved through the testimony of another not-too-civilised general named Gul Hassan.
“Gul Hassan openly criticised Field Marshal Ayub Khan’s sons who, according to him, were letting their father down by amassing wealth by unfair means. Gul Hassan blurted out that ‘I have told the old cock that this time we will impose Martial Law and take control ourselves but not protect Ayub and his henchmen’. The reference [old cock] was to General Yahya Khan, commander-in-chief of the Pakistan Army” (Page 8).
The only leadership criterion was brutality riding on low IQ. The exception was General Yaqub Khan, the commander who insisted that General Yahya not postpone the session of the National Assembly elected after the 1970 election.
The author writes: “All of a sudden, General Yaqub Khan was bundled off as a student on the Imperial Defence College course. This clumsy and unceremonious action was obviously taken to get him out of the way” (Page 7).
Major General Rahim Khan was the other officer Pakistan can’t be proud of: “Rahim started to criticise the senior commanders in Dhaka, especially me, although I happened to be a friend of his. He was of the opinion that the Bengalis were timid people and should have been subdued long ago. The reader can judge for himself the ignorance and lack of understanding of the East Pakistan situation among the hawks in the armed forces” (Page 97).
Rahim ran away from East Pakistan when things became too hot.
Niazi also asked Raja for phone numbers of his Bangalee girlfriends: “Abhi tau mujhey Bengali girlfriends kay phone number day do” (Page 99).
The Daily star ( dated 15.07.12)

PM Sheikh Hasina urges Jubo League leaders to work to lead the nation in future

PM Sheikh Hasina urges Jubo League leaders to work to lead the nation in future 15 July 2012 Prime Minister Sheikh Hasina called upon the leaders and workers of Bangladesh Awami Jubo League to work as vanguards to protect democracy and also remain alert so that none can play ducks and drakes with the fate of the people. “Bangladesh Awami Jubo League has a glorious past as its leaders and workers played a pioneering role in the country’s all movements and struggles. So every leader and worker of the organisation will have to work as vanguards to protect hard- earned democracy and remain alert so that none can play game with the fate of the people,” she said. The Prime Minister yesterdaysaid this while addressing as the chief guest at the sixth National Conference of Jubo League at Bangabandhu International Conference Centre here. Sheikh Hasina, also the president of Bangladesh Awami League, said the continuation of the country’s democracy was disrupted time and again and her party restored democracy, voting and constitutional rights of the people by shedding blood. She also urged the leaders and workers of Jubo League to work with sacrificing mindset and love the country and its people. “You will have to keep in mind that what we have given to the people, not what we have got,” she said. The Prime Minister advised the Jubo League leaders and workers to earn confidence of the people through work as she said any leadership could give nothing to a nation without achieving the trust and confidence of the people. In this connection, she asked them to take lesson from Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and read his Unfinished Autobiography which was published recently. Sheikh Hasina expressed the hope that Jubo League would be able to retain its glory as a disciplined organisation like the past and lead the nation by flourishing its leadership. Sheikh Hasina said the aim of her government is to make hard- earned independence meaningful by reaching its benefits to the people and the government is working tirelessly to this end. “Awami League always works for the welfare of the people and all achievements the country made since independence under the leadership of the party. The party fulfilled hopes and aspirations of the people and never displeased and disheartened them,” she said Referring to the unbridled corruption by the BNP-Jamaat alliance government, she said that the opposition leader and her family members had indulged in corruption and siphoned off money abroad. “Even Khaleda Zia, being a former Prime Minister, whitened black money paying fine.” The Prime Minister said that the BNP-Jamaat alliance does not believe in the country’s independence and they ruined the country through terrorism, militancy and corruption. “Foreign assistance in power and communication sectors was stopped during their rule for their unbridled corruption,” she said. Sheikh Hasina said the country was turned into a safe haven for terrorists and militants like Bangla Bhai due to patronisation of the BNP-Jamaal alliance government. She said the opposition parties are now hatching conspiracies to impede the trial of war criminals as they do not want the trial of the 1971 culprits. Terming the youths as the main driving force and future leaders of the nation, the Prime Minister said her government has created jobs for 75 lakh youths including 4.50 lakh in the public sector. She said her government has established Employment Bank so that the youths could become self-reliant by taking loans from the bank. “We have also taken One House, One Farm project for socioeconomic development of the people, especially youths” she said. Highlighting various successes and achievements the country made during the tenure of the present government, Sheikh Hasina said “when Awami League comes to power, satisfaction and peace persists in the minds of the people. On the other hand, when BNP goes to power, flames of unrest prevail in the minds of the people.” The Prime Minister said her government has already fulfilled almost all pledges given to the people before the elections. “We have worked more than the commitments,” she said. She also directed the leaders and activists of Awami Jubo League to highlight the government successes before the people as well as strengthen the organisation as she said no ideology could be executed without strengthening the organisation. “Terrorism and militancy could not be allowed to establish Bangladesh as a peaceful nation in South Asia,” she said. With Jubo League Chairman Alhaj Omar Faruq Chowdhury in the chair, the inaugural function of the conference was also addressed by AL Advisory Council Member Amir Hossain Amu, Presidium Member Sheikh Fazlul Karim Selim, General Secretary and LGRD Minister Syed Ashraful Islam, Joint General Secretary and State Minister for LGRD and Cooperatives Advocate Jahangir Kabir Nanak and Jubo League General Secretary Mirza Azam, MP. Earlier, the Prime Minister inaugurated the conference of the organisation by hoisting national flag and releasing pigeons and balloons.

গণতন্ত্রকে টেকসই করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

গণতন্ত্রকে টেকসই করতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে টেকসই করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা ছাড়া কোনো দেশ তার কাক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মন্ত্রী অলিস্টেয়ার বার্ট গতকাল বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত তিন বছরে জাতীয় সংসদের ১২টি উপ-নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ ৫ হাজার ১৯৭টি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে। এ সকল নির্বাচন নিয়ে একটি অভিযোগও উত্থাপিত হয়নি।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি। তিনি বলেন, সরকার দেশের সংসদীয় ব্যবস্থা জোরদার করতে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে বলেন, সরকার সমাজবিরোধী এ সকল কর্মকাণ্ড কঠোর হস্তে দমন করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছিল এবং দেশটি সন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল। অথচ বর্তমান সরকার দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেশকে জঙ্গিমুক্ত করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার মানবাধিকার উন্নয়ন ও রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশন তথ্য অধিকার নিয়েও কাজ করছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি ভালো করছে। তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও আমরা খাদ্য ও শিল্প উৎপাদনে ভালো করায় গত দুই বছর দেশের জিডিপি শতকরা ৬ ভাগ অর্জনে সহায়ক হয়েছে।’ বিশ্বকে একটি ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মন্দার প্রতিক্রিয়া মোকাবিলায় সরকারকে কিছু ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ কোনোভাবেই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নয়, কিন্তু দেশটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম। এজন্য উন্নত দেশগুলোই প্রধানত দায়ী উল্লেখ করে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া মোকাবেলায় দেশগুলোর প্রতি সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন আগামী বছরগুলোতে এ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে। ব্রিটিশ মন্ত্রী কৃষি, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথে রয়েছে।’ বার্ট বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের প্রশংসা করে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিতে এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ব্রিটিশ মন্ত্রী দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সম্পর্কের আরো উন্নয়নের জন্য ব্রিটেন বাংলাদেশের সঙ্গে একসাথে কাজ করবে।

Sheikh Mujib, The bravest son of Bangladesh

The bravest son of Bangladesh. A peoples’ leader who fought all his life for their political rights and dared everything on earth to achieve independence for the Bangalees of East Bangla. The great nationalist leader of Bangladesh who voiced the demands of the nation and won the victory against the Pakistani colonists.

Declaration of Independence War of 1971.
……”Pak Army suddenly attacked E.P.R Base at Pilkhana, Rajarbag Police Line and killing citizens. Street battle are going on in every street of Dhaka-Chittagong. I appeal to the Nations of the World for help. Our freedom fighters are gallantly fighting with the enemies to free the motherland. I appeal and order you all in the name of Almighty Allah to fight to the last drop of blood to liberate the country. Ask police, E.P.R, Bengal regiment and Ansar to stand by you and to fight. No compromise. Victory is ours. Drive out the last enemy from the holy soil of motherland. Convey this message to all Awami League leaders, workers and other patriots and lovers of freedom. May Allah bless you.
Joy Bangla
SK. MUJIBUR RAHMAN

Year Date
Personal/Political Events
1920 Mar 17 Born at Tungipara village in Faridpur district (presently Gopalgonj)
1938 Imprisoned for his nationalist speech in a political gathering
1940 During a visit by the state minister Fazlul Huq and minister of food Suhrawardi to the Gopalgonj School, Sheikh Mujib, with few other students, blocked their way in demand of government initiative for the improvement of condition of the school. The leaders accepted his demands.
1946 Elected the General Secretary of the central students’ union of Calcutta Islamia College
1947 Formed the East Pakistan Muslim Students’ League
1947 Nov First use of the name “Bangladesh’ in the conference of Students’ League in Narayanganj.
1949 June 23 Elected as the founder joint secretary of Awami Muslim League from prison. Released in July and was immediately imprisoned for hunger strike
1952 Hunger strike at Dhaka Central Jail in support of the heroes of Bangla language movement.
1953 The responsibility of the General Secretary of Awami League was accorded to him
1954 A new ministry was formed on 12 May 1954 by the Chief Minister Fazlul Haque and Sheikh Mujib was inducted as the youngest member of the cabinet.
1954 May 30 The central government dissolved Fazlul Haque’s cabinet, imposed direct rule and arrested their arch enemy, Sheikh Mujib. He was released on December 18.
1955 Sept Turned “Muslim Awami League” into a non-communal political party by reoving the word “Muslim” from its official name.
1956 June 2 Governor’s rule was lifted and election of the Constituent Assembly of Pakistan was held in the same month. Sheikh Mujib was elected a member of the Constituent Assembly.

1956 Sept Minister for trade, industry and anti-corruption in the ministry formed by Ataur Rahman Khan
1957 May Resigned from the ministry in order to commit himself to organizational work for the party.
1958 October Arrested by the military dictator General Ayub Khan on 12 false charges.
1966 Feb5, 6 In the national conference for the opposition political parties in Lahore, Sheikh Mujib first pronounced the historic six point demands. Arrested again
1968 January While serving long term jail sentences, the Pakistani military dictator brought charges of high treason against Sheikh Mujib. They accused Sheikh Mujib of conspiring with senior army and civil officials to overthrow the government. The trial started under a special tribunal and the case became famous as Agartala Conspiracy Case.
1969 Feb 22 The protest against the so-called Agartala conspiracy case slowly gained momentum and the huge mass upsurge of February brought the downfall of Gen Ayub Khan and withdrawal of Agartala Conspiracy Case as well as the release of Sheikh Mujib and other co-accused.
1969 Feb 23 The people gave an unprecedented reception to Sheikh Mujib and he was accorded the title “Bangabandhu”- friend of Banga (Bengal).
1969 Dec 5 In the death anniversary of Suhrawardi, Sheikh Mujib announced that the name of the independent East Pakistan would be Bangladesh.
1970 Dec 7 In the general election of Pakistan, Awami Leage won 167 seats out of 169 in East Pakistan.
1971 Jan 3 Awami League inaugurated the oath of the elected members of parliament in the Race Course ground. The six points were declared a must for the people of East Pakistan
1971 Mar 3 In protest to Gen Yahyah Khan’s deliberate refusal to hand over political power, Sheikh Mujib declared the cancellation of the session of the National Council. Under the leadership of Sheikh Mujib, all Bangalees vehemently opposed Yahya’s dictatorial intervention into national politics.
1971 March 7 The historical speech upholding the promise for the liberation of the Bangalees……..this is our fight for liberation, this is our fight for independence………….Joy Bangla
1971 March 25 Pakistan army unleashed its barbaric attack on the unprepared Bangalees in the dead of the night. Official declaration of independence via wireless from his residence, 32 Dhanmondi Road, just before he was captured by the Pakistani occupation forces
1971 April 17 Formation of the Mujibnagar (provisional) government in Meherpur and Sheikh Mujib was elected the president. Syed Nazrul Islam the acting president and Tajuddin Ahmed the prime minister.
1972 Jan 8 Release from Pakistan Military custody.
1972 Jan 10 Return to independent Bangladesh.
1972 Jan 12 Commencement of parliamentary democracy. Elected as the Prime Minister. Promise to presented the nation with a modern constitution in ten months.
1973 Mar 7 General Election. Formed the government again.
1973 May 23 Accorded the Julie Curie medal for peace
1974 Sept 28 Address in the general assembly of the UN in Bangla
1975 Jan 25 Formation of BKSAL (Bangladesh Krisak Sramik Awami League) for economic independence.

1975 Aug 15 Assassinated by a band of artillery forces led by Col Faruk and Col Rashid. Many suspect CIA especially Kissinger’s involvement in the assassination of Mujib as Mujib, like Alende of Chili, defied US foreign policy formulated by Kissinger.. In the same afternoon Mujib’s body was taken straight to Tungipara, escorted by the military, his place of birth and was given a hasty burial.
Personal Information
Father Sheikh Lutfur Rahman
Mother Sahera Begum
Wife Begum Fazilatun Nesa
Children Sheikh Hasina, Sheikh Kamal, Sheikh Zamal, Sheikh Rehana, Sheikh Russell

EducationYear Degree Institution
1942 SSC The Mission High School, Faridpur
1944 HSC Fridpur
1947 BA Calcutta Islamia College (History & Political Science)
1949 LAW As a student of Law Department, Dhaka university, Sheikh Mujib was arrested as he supported the strike called by the 4th class employees of Dhaka university. The university authority fined him for his involvement in worker’s politics. As Sheikh Mujib saw their strike legitimate, he refused to pay the fine and consequently was withdrawn from the university.

Declaration of Independence
” Tajuddin came to my residence for shelter in that terrible night. It was, most probably, 12:45 am. With great concern Tajjuddin told me about two serious events: 1. Bangabonhu has officially declared the independence of Bangladesh and sent it to Chittagong (radio station) via wireless; 2. I implored him, holding his knees, to leave his residence and hide out, but he did not agree”
Mr Abdul Gafur, Engineer Bangladesh Railway

“…..Before he was arrested, Sheikh Mujib made a formal declartion of independence of Bangladesh sometime between 12:00 am and 1:30 am on March 26, 1971. It was broadcast over the clandestine Swadhin Bangladesh Betar (Radio) controlled by the Mukti Fauj (freedom fighters) at noon of March 26, 1971
SK Chkrabarti: The Evolution of Politics in Bangladesh, 1947-78 (p-208)
“…The 25th of March was spent by Sheikh Mujibur Rahman and his party leaders in awaiting a call from General Pirzada for a final meeting with Yahya Khan and also for the final drafting session for working out the details of interim transfer of power. No such call came. At zero hours on the 26th March, the army swang into action against the unarmed people of East Pakistan, launching operation on a war scale. Meanwhile Sheikh Mujibur Rahman proclaimed the birth of sovereign Independent State of Bangladesh”
Prabodh Chandra: Bloodbath in Bangladesh, New Delhi (p-127)
“……In the night of March 25, 1971, he (Mujib) formally declared the independence of Banglaesh. This declaration was later broadcast all over the country via wireless. In the morning of March 26, 1971, I got this message at Mymensingh Agricultural university (BAU). The then Vice Chancellore of BAU, Kazi Fazlur Rahman called all the teachers, showed them Mujib’s declaration message and said: “This message came via the Mymensingh Police Line and Mr Rafiq Bhuiyan, the leader of Mymensingh Awami League, personally brought this message to me”. Immediately after the VC’s announcement, a meeting was held where Mr Bhuiyan read out the declaration of independence and recounted the dreadful Military crack down in Dhaka city the previous night….”

Shamsuz Zaman Khan (The Janakantha: 26 March, 2002)
…..” When the first shot had been fired, the voice of Sheikh Mujibur Rahman came faintly through an wavelength close to that of the official Pakistan Radio. In what must have been, and sounded like, a prerecorded message, the Sheikh proclaimed East Pakistan to be the People’s Republic of Bangladesh….”
Siddique Salik: Witness to Surrender (p.75)

Jesus of ’75
Assassination of Sheikh Mujibur Rahman: Military Coup de’tat of 1975
Click for the Bangla version
Other writings on Sheikh Mujib:
1. Click here for the Banla pdf version of 1975 military coup written by Lt Col (retd) MA Hamid
2. Mujib: A Rebel per se by columnist KG Mustafa
3. CIA and assassination of Mujib
4. The first protest against the assassination of Mujib
5. The Killing Spree of the dark night of 15 August (Bangla)

An Appeal
The killers of Sheikh Mujib haven’t killed Mujib and his family only, they axed the very foundation of the democratic system of governance. Its a blow to all civilized norms. On behalf of the people of Bangladesh Muktadhara.net appeals to the people of the world to help the government of Bangladesh to find the absconding killers of Sheikh Mujib and bring them to justice.

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্দেশে মাত্র ১৬ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে জাতির জনক আমাকে সচিবালয়ে চাকুরী প্রদান করেন। আমার বয়স কম হবার কারনে সরকারী চাকুরীর যোগ্য করে তোলার জন্য আমার বয়স ১৭ থেকে ১৮ তে উন্নীত করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী মরহুম তাজুদ্দিন আহমেদ আমাকে আমার বয়স প্রত্যয়ন করে বর্ধিত করেন যা’তে আমি সরকারি চাকুরীতে যোগদান করতে পারি। আমাদের দুর্ভাগ্য যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ও তাজুদ্দিন আহমেদকে আমরা বাচাতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু আমার কেউ নন। কিন্তু তার নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার পুরস্কার হিসেবে সরকারী চাকুরী প্রদান করে আমাকে লেখা পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের মন্ত্রী পরিষদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে অনেক নিকট থেকে তাকে দেখেছি। তাই তার অকাল মৃত্যু আমাকে উন্মাদ করেছিলো। রাস্তায় রাস্তায় কেদেছিলাম। আমার মানসিক ভারসাম্যহীনতার জন্য চিকিৎসাও করা হয়েছিলো।
আজও আমি ঘুমাতে পারিনা। এখনো মাঝে মাঝে আমার চোখ বন্ধ হলেই সেই লাশের স্তূপ দেখে ঘুমের ঘোরে বঙ্গবন্ধু বলে কেদে উঠি। আমি সারা দিন সারাটা মুহূর্ত বঙ্গবন্ধুর গল্প কাহিনী পড়ি আর ছবিগুলো নাড়া চাড়া করি, রঙ মাখি সাজাই বদ্ধ পাগলের মতোই।গান লিখি, সুর করি আর গাই, কেউ আমার এলবাম কিনলো কিনা কিছু আসে যায়না। এমন কি আমাদের নেত্রীও আমাকে একটি পয়সা দেইনি। তিন তিনটি বঙ্গবন্ধুর গানের এলবাম করেছি যা’ আপনারা ইউটিউবে শুনতে পারবেন।১৯৯০ সালে আজকের বিখ্যাত গায়ক বারি সিদ্দিকী মিউজিক করেছিলেন।
আমার সে গান ছাড়া আওয়ামী লীগের নির্বাচন হয়না। সারা দেশের কোন না কোন এলাকার নির্বাচনে মুক্তির গান বাজবেই অথচ এমন সত্য কথাটির কোন স্বীকৃতি আজো আওয়ামী লীগ থেকে পাইনি। তারপরেও এ কথা শুনে হাসছে অথবা সুবিধাবাদী বা সুযোগ সন্ধানী বলে ঠাট্টা মশকরা করেছেন অনেকেই। অনেক আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী ভক্ত এখনো আমার কথা শুনে হাসে, টিটকারী দেয়। আমি মোটেও ওদের কথায় বিচলিত হইনা। শেখ হাসিনার কাছে এ কথা আজো তুলে ধরিনি, কারন তাহলে এটাই প্রমান করবে যে আমি সুযোগ সন্ধানী এবং নেত্রীর দুর্বলতম স্পর্শ কাতর বিষয় নিয়ে সুবিধা পেতে চাই।

কেউ না জানুক, আমার বিধাতা জানে, আমি জানি, আমার গ্রামের লোকজন আত্বীয় পরিজন সবাই জানে। তাইতো বিগত ১০ টি বছর শুধু আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা আর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ১৫০ টির মতো ব্লগ ওয়েবসাইট করেছি। প্রায় কয়েক হাজার ছবি রং দিয়ে ডিজাইন করে সাজানোর চেষ্টা করেছি। আমার এক ফেসবুকে পাওয়া বড় ভাই গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা ও উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা কে এম শহিদুল আলম ভাই বলেছেন এগুলো যেনো যত্নে রাখি। যদি কোন দিন আওয়ামী লীগের কাজে লাগে? তাহলেইতো আমার পরিশ্রম সফল হবে।
চাতক সারাক্ষণ বেঘের পানে চেয়ে থাকে জলের প্রত্যাশায়। আমি চেয়ে আছি যদি কোন দিন নেত্রী একটি সনদ দিয়ে আমাকে ধন্য করেন ???????????????
The life of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman is the saga of a great leader turning peoplepower into an armed struggle that liberated a nation and created the world’s ninth most populous state. The birth of the sovereign state of Bangladesh in December 1971, after a heroic war of nine months against the Pakistani colonial rule, was the triumph of his faith in the destiny of his people. Sheikh Mujib, endearingly called Bangabandhu or friend of Bangladesh, rose from the people, molded their hopes and aspirations into a dream and staked his life in the long battle for making it real. He was a true democrat, and he employed in his struggle for securing justice and fairplay for the Bengalees only democratic and constitutional weapons until the last moment. It is no accident of history that in an age of military coup d’etat and ‘strong men’, Sheikh Mujib attained power through elections and mass movement and that in an age of decline of democracy he firmly established democracy in one of the least developed countries of Asia.
Sheikh Mujib was born on 17 March 1920 in a middle class family at Tungipara in Gopalganj district. Standing 5 feet 11 inches, he was taller than the average Bengalee. Nothing pleased him more than being close to the masses, knowing their joys and sorrows and being part of their travails and triumphs. He spoke their soft language but in articulating their sentiments his voice was powerful and resonant. He had not been educated abroad, nor did he learn the art of hiding feelings behind sophistry; yet he was loved as much by the urban educated as the common masses of the villages. He inspired the intelligentsia and the working class alike. He did not, however, climb to leadership overnight.
Early Political Life: His political life began as an humble worker while he was still a student. He was fortunate to come in early contact with such towering personalities as Hussain Shaheed Suhrawardy and A K Fazlul Huq, both charismatic Chief Ministers of undivided Bengal. Adolescent Mujib grew up under the gathering gloom of stormy politics as the aging British raj in India was falling apart and the Second World War was violently rocking the continents. He witnessed the ravages of the war and the stark realities of the great famine of 1943 in which about five million people lost their lives. The tragic plight of the people under colonial rule turned young Mujib into a rebel.
This was also the time when he saw the legendary revolutionary Netaji Subhas Chandra Bose challenging the British raj. Also about this time he came to know the works of Bernard Shaw, Karl Marx, Rabindranath Tagore and rebel poet Kazi Nazrul Islam. Soon after the partition of India in 1947 it was felt that the creation of Pakistan with its two wings separated by a physical distance of about 1,200 miles was a geographical monstrosity. The economic, political, cultural and linguistic characters of the two wings were also different. Keeping the two wings together under the forced bonds of a single state structure in the name of religious nationalism would merely result in a rigid political control and economic exploitation of the eastern wing by the all-powerful western wing which controlled the country’s capital and its economic and military might.
Early Movement: In 1948 a movement was initiated to make Bengali one of the state languages of Pakistan. This can be termed the first stirrings of the movement for an independent Bangladesh. The demand for cultural freedom gradually led to the demand for national independence. During that language movement Sheikh Mujib was arrested and sent to jail. During the blood-drenched language movement in 1952 he was again arrested and this time he provided inspiring leadership of the movement from inside the jail.
In 1954 Sheikh Mujib was elected a member of the then East Pakistan Assembly. He joined A K Fazlul Huq’s United Front government as the youngest minister. The ruling clique of Pakistan soon dissolved this government and Shiekh Mujib was once again thrown into prison. In 1955 he was elected a member of the Pakistan Constituent Assembly and was again made a minister when the Awami League formed the provincial government in 1956. Soon after General Ayub Khan staged a military coup in Pakistan in 1958, Sheikh Mujib was arrested once again and a number of cases were instituted against him. He was released after 14 months in prison but was re-arrested in February 1962. In fact, he spent the best part of his youth behind the prison bars.
Supreme Test: March 7, 1971 was a day of supreme test in his life. Nearly two million freedom loving people assembled at the Ramna Race Course Maidan, later renamed Suhrawardy Uddyan, on that day to hear their leader’s command for the battle for liberation. The Pakistani military junta was also waiting to trap him and to shoot down the people on the plea of suppressing a revolt against the state. Sheikh Mujib spoke in a thundering voice but in a masterly well-calculated restrained language. His historic declaration in the meeting was: “Our struggle this time is for freedom. Our struggle this time is for independence.” To deny the Pakistani military an excuse for a crackdown, he took care to put forward proposals for a solution of the crisis in a constitutional way and kept the door open for negotiations.
The crackdown, however, did come on March 25 when the junta arrested Sheikh Mujib for the last time and whisked him away to West Pakistan for confinement for the entire duration of the liberation war. In the name of suppressing a rebellion the Pakistani military let loose hell on the unarmed civilians throughout Bangladesh and perpetrated a genocide killing no less than three million men, women and children, raping women in hundreds of thousands and destroying property worth billions of taka. Before their ignominious defeat and surrender they, with the help of their local collaborators, killed a large number of intellectuals, university professors, writers, doctors, journalists, engineers and eminent persons of other professions. In pursuing a scorch-earth policy they virtually destroyed the whole of the country’s infrastructure. But they could not destroy the indomitable spirit of the freedom fighters nor could they silence the thundering voice of the leader. Tape recordings of Bangabandhu Sheikh Mujib’s 7th March speech kept on inspiring his followers throughout the war.
Return and Reconstruction: Forced by international pressure and the imperatives of its own domestic predicament, Pakistan was obliged to release Sheikh Mujib from its jail soon after the liberation of Bangladesh and on 10 January 1972 the great leader returned to his beloved land and his admiring nation.
But as he saw the plight of the country his heart bled and he knew that there would be no moment of rest for him. Almost the entire nation including about ten million people returning from their refuge in India had to be rehabilitated, the shattered economy needed to be put back on the rail, the infrastructure had to be rebuilt, millions had to be saved from starvation and law and order had to be restored. Simultaneously, a new constitution had to be framed, a new parliament had to be elected and democratic institutions had to be put in place. Any ordinary mortal would break down under the pressure of such formidable tasks that needed to be addressed on top priority basis. Although simple at heart, Sheikh Mujib was a man of cool nerves and of great strength of mind. Under his charismatic leadership the country soon began moving on to the road to progress and the people found their long-cherished hopes and aspirations being gradually realized.
Assassination: But at this critical juncture, his life was cut short by a group of anti-liberation reactionary forces who in a pre-dawn move on 15 August 1975 not only assassinated him but 23 of his family members and close associates. Even his 10 year old son Russel’s life was not spared by the assassins. The only survivors were his two daughters, Sheikh Hasina – now the country’s Prime Minister – and her younger sister Sheikh Rehana, who were then away on a visit to Germany. In killing the father of the Nation, the conspirators ended a most glorious chapter in the history of Bangladesh but they could not end the great leader’s finest legacy- the rejuvenated Bengali nation. In a fitting tribute to his revered memory, the present government has declared August 15 as the national mourning day. On this day every year the people would be paying homage to the memory of a man who became a legend in his won lifetime. Bangabandhu lives in the heart of his people. Bangladesh and Bangabandhu are one and inseparable. Bangladesh was Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’s vision and he fought and died for it.
My practical experience, some of new leaders of BNP (retired amla) wants to be leader. They want to show something to Khaleda Zia in strike period. Want to be talk of the day as like Sadek Hossain Khoka. Khoka hold liquid tomato pack with him and blasted in due time while police caught him on the streets. Remember people? Shamsher Mobin Choudhury Beer Bikram Freedom fighter, I salute for his contribution, but I enjoyed his acting on strike period with police SI. He want to be arrested then news will be like this “Beer Bikram Shamsher Mobin Choudhury didn’t relief from the police tortured.
Good attitude but no need to do this simple acting for growing the attraction of Khaleda. Next time he will be foreign Minister if BNP comes to the power.


BANGABANDHU SHEIKH MUJIBUR RAHMAN
The life of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman is the saga of a great leader turning peoplepower into an armed struggle that liberated a nation and created the world’s ninth most populous state. The birth of the sovereign state of Bangladesh in December 1971, after a heroic war of nine months against the Pakistani colonial rule, was the triumph of his faith in the destiny of his people. Sheikh Mujib, endearingly called Bangabandhu or friend of Bangladesh, rose from the people, molded their hopes and aspirations into a dream and staked his life in the long battle for making it real. He was a true democrat, and he employed in his struggle for securing justice and fairplay for the Bengalees only democratic and constitutional weapons until the last moment. It is no accident of history that in an age of military coup d’etat and ‘strong men’, Sheikh Mujib attained power through elections and mass movement and that in an age of decline of democracy he firmly established democracy in one of the least developed countries of Asia.
Sheikh Mujib was born on 17 March 1920 in a middle class family at Tungipara in Gopalganj district. Standing 5 feet 11 inches, he was taller than the average Bengalee. Nothing pleased him more than being close to the masses, knowing their joys and sorrows and being part of their travails and triumphs. He spoke their soft language but in articulating their sentiments his voice was powerful and resonant. He had not been educated abroad, nor did he learn the art of hiding feelings behind sophistry; yet he was loved as much by the urban educated as the common masses of the villages. He inspired the intelligentsia and the working class alike. He did not, however, climb to leadership overnight.
Early Political Life: His political life began as an humble worker while he was still a student. He was fortunate to come in early contact with such towering personalities as Hussain Shaheed Suhrawardy and A K Fazlul Huq, both charismatic Chief Ministers of undivided Bengal. Adolescent Mujib grew up under the gathering gloom of stormy politics as the aging British raj in India was falling apart and the Second World War was violently rocking the continents. He witnessed the ravages of the war and the stark realities of the great famine of 1943 in which about five million people lost their lives. The tragic plight of the people under colonial rule turned young Mujib into a rebel.
This was also the time when he saw the legendary revolutionary Netaji Subhas Chandra Bose challenging the British raj. Also about this time he came to know the works of Bernard Shaw, Karl Marx, Rabindranath Tagore and rebel poet Kazi Nazrul Islam. Soon after the partition of India in 1947 it was felt that the creation of Pakistan with its two wings separated by a physical distance of about 1,200 miles was a geographical monstrosity. The economic, political, cultural and linguistic characters of the two wings were also different. Keeping the two wings together under the forced bonds of a single state structure in the name of religious nationalism would merely result in a rigid political control and economic exploitation of the eastern wing by the all-powerful western wing which controlled the country’s capital and its economic and military might.
Early Movement: In 1948 a movement was initiated to make Bengali one of the state languages of Pakistan. This can be termed the first stirrings of the movement for an independent Bangladesh. The demand for cultural freedom gradually led to the demand for national independence. During that language movement Sheikh Mujib was arrested and sent to jail. During the blood-drenched language movement in 1952 he was again arrested and this time he provided inspiring leadership of the movement from inside the jail.
In 1954 Sheikh Mujib was elected a member of the then East Pakistan Assembly. He joined A K Fazlul Huq’s United Front government as the youngest minister. The ruling clique of Pakistan soon dissolved this government and Shiekh Mujib was once again thrown into prison. In 1955 he was elected a member of the Pakistan Constituent Assembly and was again made a minister when the Awami League formed the provincial government in 1956. Soon after General Ayub Khan staged a military coup in Pakistan in 1958, Sheikh Mujib was arrested once again and a number of cases were instituted against him. He was released after 14 months in prison but was re-arrested in February 1962. In fact, he spent the best part of his youth behind the prison bars.
Supreme Test: March 7, 1971 was a day of supreme test in his life. Nearly two million freedom loving people assembled at the Ramna Race Course Maidan, later renamed Suhrawardy Uddyan, on that day to hear their leader’s command for the battle for liberation. The Pakistani military junta was also waiting to trap him and to shoot down the people on the plea of suppressing a revolt against the state. Sheikh Mujib spoke in a thundering voice but in a masterly well-calculated restrained language. His historic declaration in the meeting was: “Our struggle this time is for freedom. Our struggle this time is for independence.” To deny the Pakistani military an excuse for a crackdown, he took care to put forward proposals for a solution of the crisis in a constitutional way and kept the door open for negotiations.
The crackdown, however, did come on March 25 when the junta arrested Sheikh Mujib for the last time and whisked him away to West Pakistan for confinement for the entire duration of the liberation war. In the name of suppressing a rebellion the Pakistani military let loose hell on the unarmed civilians throughout Bangladesh and perpetrated a genocide killing no less than three million men, women and children, raping women in hundreds of thousands and destroying property worth billions of taka. Before their ignominious defeat and surrender they, with the help of their local collaborators, killed a large number of intellectuals, university professors, writers, doctors, journalists, engineers and eminent persons of other professions. In pursuing a scorch-earth policy they virtually destroyed the whole of the country’s infrastructure. But they could not destroy the indomitable spirit of the freedom fighters nor could they silence the thundering voice of the leader. Tape recordings of Bangabandhu Sheikh Mujib’s 7th March speech kept on inspiring his followers throughout the war.
Return and Reconstruction: Forced by international pressure and the imperatives of its own domestic predicament, Pakistan was obliged to release Sheikh Mujib from its jail soon after the liberation of Bangladesh and on 10 January 1972 the great leader returned to his beloved land and his admiring nation.
But as he saw the plight of the country his heart bled and he knew that there would be no moment of rest for him. Almost the entire nation including about ten million people returning from their refuge in India had to be rehabilitated, the shattered economy needed to be put back on the rail, the infrastructure had to be rebuilt, millions had to be saved from starvation and law and order had to be restored. Simultaneously, a new constitution had to be framed, a new parliament had to be elected and democratic institutions had to be put in place. Any ordinary mortal would break down under the pressure of such formidable tasks that needed to be addressed on top priority basis. Although simple at heart, Sheikh Mujib was a man of cool nerves and of great strength of mind. Under his charismatic leadership the country soon began moving on to the road to progress and the people found their long-cherished hopes and aspirations being gradually realized.
Assassination: But at this critical juncture, his life was cut short by a group of anti-liberation reactionary forces who in a pre-dawn move on 15 August 1975 not only assassinated him but 23 of his family members and close associates. Even his 10 year old son Russel’s life was not spared by the assassins. The only survivors were his two daughters, Sheikh Hasina – now the country’s Prime Minister – and her younger sister Sheikh Rehana, who were then away on a visit to Germany. In killing the father of the Nation, the conspirators ended a most glorious chapter in the history of Bangladesh but they could not end the great leader’s finest legacy- the rejuvenated Bengali nation. In a fitting tribute to his revered memory, the present government has declared August 15 as the national mourning day. On this day every year the people would be paying homage to the memory of a man who became a legend in his won lifetime. Bangabandhu lives in the heart of his people. Bangladesh and Bangabandhu are one and inseparable. Bangladesh was Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman’s vision and he fought and died for it.
My practical experience, some of new leaders of BNP (retired amla) wants to be leader. They want to show something to Khaleda Zia in strike period. Want to be talk of the day as like Sadek Hossain Khoka. Khoka hold liquid tomato pack with him and blasted in due time while police caught him on the streets. Remember people? Shamsher Mobin Choudhury Beer Bikram Freedom fighter, I salute for his contribution, but I enjoyed his acting on strike period with police SI. He want to be arrested then news will be like this “Beer Bikram Shamsher Mobin Choudhury didn’t relief from the police tortured.
Good attitude but no need to do this simple acting for growing the attraction of Khaleda. Next time he will be foreign Minister if BNP comes to the power.
Father of the Nation’ is an honorific bestowed on individuals who are considered the most important in the process of the liar establishment of a country or a nation. They are instrumental in the birth of their nations by way of liberating them from colonial or other occupation. George Washington is the father of the United States, Peter I of Russia, Sun Yat-sen of China, Sir Henry Parkes of Australia, Miguel Hidalgo of Mexico, Sam Nujoma of Namibia, William the Silent of the Netherlands, Einar Gerhardsm of Norway, Julius Nyerere of Tanzania, Jomo Kenyatta of Kenya, Carlos Mannel of Cuba, Mustafa Kemal of Turkey, Sukarno of Indonesia, Tunku Abdul Rahman of Malaysia, Mahatma Gandhi of India, Don Stephen Senanayake of Sri Lanka and Mohammad Ali Jinnah of Pakistan. So is Bangabandhu, the Father of the Bangladesh nation.
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman (1920-1975) is the architect of our country and the nation by all implications of the term. As a matter of fact, what we now call Bangladesh was never independent in the truest sense of the term before 1971. It was Mujib and only Mujib who gave the nation a real touch of freedom. It was quite a trek into the long way of freedom from all-out oppression through autonomy and home rule in which he gave the active lead. He was the fearless fighter of the Language Movement of 1952; the pioneer of the democratic movement of 1962; the architect of the Six-point Movement of 1966; the life-force of the Mass Movement of 1969; the enviable victor of the election of 1970 and, above all, the greatest hero of the Liberation War of 1971. He is undisputedly the founder of independent Bangladesh and, therefore, the Father of the Nation.
It is really a matter of regret that we are not well aware of this greatest national leader. But who is to blame for that? As a matter of fact, there has been a long chain of conspiracy to make people oblivious of Bangabandhu. It began with his assassination on the inauspicious August night of 1975. Ever since then the country fell mostly under the sway of despotic military rule accompanied by the corrupt politicians, opportunistic bureaucrats, pseudo-democrats and religious fundamentalists. They had one thing in common i.e. Bangabandhu-bashing. They tried to indemnify the killers of Bangabandhu, and rewarded them with lucrative portfolios. They took sustained efforts to erase the image of Bangabandhu from the minds of the people by distorting history. They tried to obliterate the memories of Bangabandhu from the pages of history, inscriptions of monuments and from whatever holds the recollections of Mujib.
The anti-Mujib campaigners are not, however, as powerful as history itself. History takes its own course, maybe after quite a long time. But this is inevitable. So, the anti-Mujib campaigners have vainly tried to change the course of history eventually making a mockery of it. What they had done at best is that they had fooled some people for sometime or what they can still do is that they can fool some people for all time, but they can never fool all people into believing a false story for all time. People must be endowed with a true sense of history today or tomorrow.
To look into one’s own history and culture and to go for the quest for national identity and cultural heritage have become an imperative in these postcolonial days. Ours is not a poor socio-political and cultural legacy. We fought valiantly a war of independence under the leadership of Bangabandhu. We can very well come up with this political legacy and assert ourselves more. We can uphold the ideals of Bangabandhu to rebuild our nation.
Mujib is really Bangabandhu, friend of Bangladesh. And hence he could utter: ‘Standing on the gallows, I will tell them, I am a Bengali, Bangla is my country, Bangla is my language”. On the black night of March 25, when it was suggested that he go into hiding, he flatly refused and retorted: “I must share the sufferings of my people along with them. I must share. I cannot leave them in the face of fire. I cannot.” Really he did not flee to safety from the war-torn country. Rather he willingly became the first prey to the marauding force. Love for the motherland had prompted him to take such a risk. Afterwards, over nine long months, day after day and night after night in the dark cell of the prison camp, he longed for the freedom of his country. The unbearable suffering of the dungeon could not sap the strength of his patriotism. On his return home on 10 January 1972, addressing a huge gathering in Suhrawardy Uddyan, Bangabandhu declared: “Bangladesh has earned independence. Now if anybody wants to seize it, Mujib would be the first man to sacrifice his life for the protection of that independence”. His country was all important to him. He believed it was his calling to do good to his country, not to look forward to anything in return. He often used to mention the famous quote by President John F. Kennedy: “Ask not what your country can do for you. Ask what you can do for your country”.
Such a big man was Bangabandhu! The undisputed Father of independent Bangladesh. To be unaware of this is sheer ignorance. To deny this is an offence against history.
Bangabandhu and Bangladesh
By Muntasir Mamun
The inhabitants of Bangladesh had dreamt of a free land for long. Many individuals had sought to materialise this dream in the past. Many had spoken about that land during the first forty years of the last century. That plan was once again drawn during the partition of India. Moulana Bhashani had spoken about an independent territory for the Bangalis during the decade of 1960s. But none could give complete shape to that dream. That dream was finally realized on 16 December 1971 under the leadership of a pure Bangali – Sheikh Mujibur Rahman. It was he who could erect for the Bangalis the geographic boundaries of a free state. Bangabandhu, Father of the Nation, or Sheikh Mujibur Rahman – in whatever name we may call him – his iconic figure looms large whenever we talk about Bangladesh. That is why; his name has become ingrained in
Our history and because of that we repeatedly reminisce about him. There are numerous claimants to the Bangladesh dream. Many might have dreamt it; many had talked about Bangladesh through signs and gestures; but Sheikh Mujib had completed the task like an architect. Like many others, he also thought of Bangladesh, but preparations for the purpose
Continue up to 1971.
Moulana Bhashani had also spoken about Bangladesh in open forums. But his role was negligible in this field. However, all those dreams and speeches had prepared the people. Journalist Abdul Matin had written in his autobiography: “He met Mujib one day at noon during the military rule of Ayub Khan. Sheikh Saheb said that he did not care Ayub Khan. He knew the minds of the people. After remaining silent for a few moments, he talked about using the Agartala case in the anti-Ayub movement”. It can be said in this context that the Agartala conspiracy case might not have been fully cooked up.
That dark gentleman had emerged from the very midst of our rural paddy culture. His heart was vast like nature itself, and he wanted to cover the Bangalis with that – the whole of Bangladesh. The Bangalis had repaid that gesture as long as he lived. One day on 27 March 1971, a Major suddenly told the Bangalis to snatch freedom and they jumped for that – the Bangalis are not made of such stuff. It took a long time to awaken them and it was Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman who succeeded in doing that. Consequently, whether one likes it or not, can there be any option other than calling him the ‘architect of our freedom’? And it was not that Sheikh Mujib became ‘Bangabandhu’ overnight in 1970 and ‘Father of the Nation’ all of a sudden in 1972.
It took him three decades to become Bangabandhu. If we consider the period between 1940 and 1974, we shall see that Sheikh Mujib became Bangabandhu and Father of the Nation for several reasons. These were: the vastness of his heart, his humanism and tolerance, his appearance, dresses and words; all of these had demonstrated his intention to maintain everlasting bonds with a huge population. Some information and proofs could be obtained about the long-drawn conspiracies of the villains of 1975 for seizing power. Khandakar Mostaque is an example. Evidence of the conspiratorial mentality of this principal villain in our history could be observed even before the liberation war. The frontline leaders of Awami League had visited Bangabandhu at his Dhanmondi residence on 25 March 1971 and asked him to remain cautious. Only Khandakar Mostaque was not seen there. After independence, he lobbied with Dr. Wazed Miah to become Foreign Minister with seniority.
Later, in 1974, Dr. Wazed Mia saw after going to Khandakar Mostaque’s residence that one Major Rashid was going out of the house after secret talks with him.
There has been much debate about the message of Sheikh Mujib broadcast by Mr. Hannan from Chittagong on 26 March 1971. Dr. Wazed Miah had written: “Bangabandhu’s message was in a taped form. After transmitting that message from Dhaka’s Baldah garden, that brave member
of EPR had sought fresh orders by contacting Bangabandhu’s residence over telephone. Bangabandhu then directed the EPR member via Mr. Golam Morshed to leave that place instantly after throwing the transmitter into the pond of Baldah garden.” I shall not go into the debate on whether this information was correct or not. I understand as an ordinary student of history that the country called Bangladesh was founded at the very start of March 1971 and that had happened at the directive of Sheikh Mujibur Rahman. Professor Borhanuddin Khan Jahangir highlighted this in a very clear and logical manner in his essay titled ‘Accountability of the State’. He wrote: “The 35 directives issued by Sheikh Mujib had laid the ground for all-out noncooperation with the Pakistani state through resistance and rejection of its authority and complete cooperation of the Bangali masses with their administration through establishment of a pro-people authority. —— The Bangali people had nurtured the thought of becoming the inhabitants of a separate, different and independent state in their bosom, head and heart even before the commencement of the war.” From the 1960s, Bangabandhu had two objectives. One of those was unambiguous, while another was unclear or something akin to a dream. The clear objective was to build up the Awami League, spread the organization throughout the country and establish a civil society by going to power on Awami League platform. There were infightings within the Awami League, which was natural for a big party. But Sheikh Mujib’s organizational capacity was unique. He had the two qualities of tolerance and flexibility, which were needed for making the party bigger. I have even seen old people in remote rural areas, whose only possession was a tea-stall, who never got anything from the party, but had never left it after coming to the fold of Awami League at the behest of Sheikh Mujib. There are many more self sacrificing Awami Leaguers in the nooks and corners of Bangladesh, who did not leave the party despite becoming destitute. The leaders, however, do not keep track of them. Besides, Sheikh Mujib had such individuals as his companions, without whose help he might not have achieved his cherished goal. As a result, the Awami League became bigger, expanded after the 6- point movement and simultaneously Sheikh Mujib became the undisputed leader of the masses. He also had tremendous self-confidence and courage. The blossoming of the party had also raised his confidence in himself as well as the people. That was why he could transform the 6-points into a 1-point. And this was his unclear vision or dream. That he was unwavering on the question of this objective and had the necessary courage and confidence for materializing this dream were highlighted during the Agartala conspiracy trial. Fayez Ahmed had written about an incident during this trial. He was sitting beside the main accused Sheikh Mujib. They were not allowed to talk inside the court. Sheikh Mujib tried to draw the attention of Fayez Ahmed a number of
times in order to say something. Fayez Ahmed said, “Mujib Bhai, conversations are not allowed. I can’t turn my head. They will throw me out.” A loud reply came forthwith, “Fayez, one has to talk to Sheikh Mujib if he wants to stay in Bangladesh.” – ——-He did not know then that this symbolic utterance by Sheikh Mujib was not meant for any individual person; it was a message for the entire people of a country, which could ignite fire.
Sheikh Mujib returned to the Bangladesh of his dream in 1972. Now his role was not that of a wager of movements. Rather, he played his part in materialising the dream of a Golden Bangla. He worked tirelessly with that objective in mind until 15 August 1975. Reconstruction of the country was in full swing and the Constitution was already framed by that time. The biggest achievement of Bangabandhu and the then Awami League government was to endow the country with a Constitution. I do not know whether there is any other example of a country where it was possible to provide a Constitution so swiftly in the aftermath of such a bloody war. The four core principles of the state were proclaimed through this Constitution, which could have been termed as radical in the context of the then realities. These were: Democracy, Socialism, Secularism and
Nationalism. These principles in fact contained those very ideals for which the liberation war was fought. This was especially true of secularism. That is why the military generals had at the very outset struck at these core principles, especially secularism. Besides, the Constitution described the social, economic and political rights of citizens and the philosophy of the state. In other words, it indicated that the liberation war was waged for establishing a civil society in place of a military-dominated one.
The 1972 Constitution had incorporated the necessary institutions for a civil society; it firmly strove to lay the foundation for a vibrant civil society in Bangladesh. In this context, Bangabandhu had said in one of his speeches: “I do not know whether democracy was initiated immediately after a bloody revolution in any country of the world. —– Elections have been organised. The right of vote has been expanded in scope by lowering the voting age from 21 to 18. Bangladesh’s own aeroplanes are now flying in the skies of different countries; a fleet of commercial ships has also been launched. The BDR is now guarding the borders. The ground forces are ready to repel any attack on the motherland. Our own navy and air-force are now operational. The police force and thanas have been rebuilt, 70 percent of which were destroyed by the Pakistanis. A ‘National Rakkhi Bahini’ has been raised.
You are now the owners of 60 percent of mills and factories. Taxes for up to 25 bighas of land have been exempted. We do not believe in the policy of vengeance and revenge. Therefore, general amnesty has been declared for those who were accused and convicted under the Collaborators’ Act for opposing the liberation war.” But the people were not inclined to appreciate the framing of Constitution, its principles, and the successes of Sheikh Mujib due to rising price of essentials and the law and order situation. Not only was Bangabandhu killed along with his family, the husband of his sister Abdur Rab Serniabat and his nephew (sister’s son) Sheikh Moni were also killed along with their family members. It was quite apparent that intense hatred had worked behind this; otherwise this kind of brutality could not have been carried out in cold blood. The assumption that if any of the family members survived, then he would come forward to provide leadership was also at work. That this assumption was not unfounded has
been proved subsequently. Bangabandhu’s two daughters Sheikh Hasina and Sheikh Rehana
survived as they were staying abroad. Later, Sheikh Hasina became the leader of the Awami League and is now once again waging a struggle to reinforce the civil society. It is clear from the manner in which the Bangabandhu family was assassinated that there were local and international conspiracies and a long time was spent for planning it. The conspirators took risks and that risktaking paid off. A faction of the Awami League led by Khandakar Mostaque was involved in it. It can be cited as evidence that it was during Mostaque’s rule that the four Awami League and national leaders Tajuddin Ahmed, Syed Nazrul Islam, Mansur Ali and Kamruzzaman were killed inside the central jail on 3 November 1975. Saudi Arabia and China recognized Bangladesh immediately after Khandakar Mostaque came to power. Relationships with Pakistan and the USA also improved. Consequently, the theory that foreign powers had a hand in the killings cannot be dismissed outright. Almost three decades after Sheikh Mujib’s killing, the people can once again feel what Sheikh Mujib really was and why he was awarded the title ‘Bangabandhu’. People can realize today that he wanted to raise the stature of the Bangalis, and one way of doing that was to give back the honour to the unarmed people. Whichever parties and persons might have ruled Bangladesh after his murder, his name could not be erased from the minds of the people. That effort still continues. That is because it is evident
today that we got that honour only once, that path was opened for us only once in 1971, when Bangladesh succeeded in ousting all kinds of armed thugs under the leadership of an unarmed Bangali called Sheikh Mujibur Rahman. Despite the many flaws and heaps of criticisms levelled against Sheikh Mujib, we should note, just as an opponent of Sheikh Mujib and Awami League – Moudud Ahmed – had written (translator’s translation from Bengali): “The appearance of Sheikh Mujib was the biggest event in the national history of Bangladesh. His burial did not take place through his death. More pragmatic, efficient, capable and dynamic political personalities than Sheikh Mujib might have emerged or may emerge, but it will be very difficult to find someone who has contributed more to the independence movement of Bangladesh and the shaping of its national identity.” He had
endeavoured to uphold the interests of the Bangalis throughout his life and had never compromised until his objectives were attained. That is why the Bangalis gave him the title ‘Bangabandhu’ and ‘Father of the Nation’ out of sheer love and emotion. His lifestyle was like that of an ordinary Bangali of eternal Bengal; that is why he could so intensely connect with the ordinary people and their communities. He possessed all the attributes of an ordinary Bangali.
But his love for his people and country was extraordinary, almost blind. He used to say: “My strength is that, I love human beings.
My weakness is that, I love them too much.” The position of Bangabandhu vis-à-vis other doers in the civil society of Bangladesh will become clear if the events of 1971 and 1971-75 are analysed. It is impossible to write the history of pre and post-independence Bangladesh without mentioning him. The names of two great Bangalis will remain forever shining in the minds of the Bangalis. One is Rabindranath Thakur and the other is Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman. One had shaped the Bengali language and wrote the national anthem of Bangladesh. The other materialised the age-old dream of the Bangalis by helping create an independent territory called Bangladesh for an entire nation. I feel proud for this, and my posterity will also be so. The names ‘Bangali’ and ‘Bangladesh’ will continue to live on. And that is why Anandashankar Ray had written:
“As long as the Padma, Meghna, Gouri, Jamuna flows on,
Your accomplishment will also live on, Sheikh Mujibur Rahman.”
Translation: Helal Uddin Ahmed
Can the execution of Mujib’s assassins finally deliver the country from its darkest chapter ?
By Salil Tripathi
QUARTER CENTURY AGO I met a man who calmly told me how he had organised the massacre of a family. He wasn’t confessing out of a sense of remorse; he was bragging about it, grinning as he spoke to me.
I was a young reporter on assignment in Dhaka, trying to figure out what had gone wrong with Bangladesh, which had emerged as an independent nation after a bloody war of liberation 15 years earlier, in 1971. The man I was interviewing lived in a well-appointed home. Soldiers protected his house, checking the bags and identification of all visitors. A week earlier he had been a presidential candidate, losing by a huge margin.
He wore a Pathani outfit that looked out of place in a country where civilian politicians wore white kurtas and black vests, and men on the streets went about in lungis. He had a thin moustache. He stared at me eagerly as we spoke, curious about the notes I was taking, trying to read what I was writing in my notepad. He sat straight on a sofa, his chest thrust forward, as if he was still in uniform. He looked like a man playing a high stakes game, assured that he would win, because he knew someone important who held all the cards.

His name was Farooq Rahman, and he had been an army major, and later, lieutenant-colonel. He had returned to Bangladesh recently, after several years in exile in Libya. Before dawn on 15 August 1975, he led the Bengal Lancers, the army’s tank unit under his command, to disarm the Rokkhi Bahini, a paramilitary force loyal to President Sheikh Mujibur Rahman and his Awami League party. When he left the Dhaka Cantonment, he had instructed other officers and soldiers to go to the upscale residential area of Dhanmondi, where Mujib, as he was popularly known, lived. Soon after 5:00 am, the officers had killed Mujib and most of his family.
I had been rehearsing how to ask Farooq about his role in the assassination. I had no idea how he would respond. After a few desultory questions about the country’s political situation, I tentatively began, “It has been widely reported in Bangladesh that you were somehow connected with the plot to remove Mujibur Rahman from power in 1975. Would you…”
“Of course, we killed him,” he interrupted me. “He had to go,” he said, before I could complete my hesitant, longwinded question.
FAROOQ RAHMAN BELIEVED he had saved the nation. The governments that followed Mujib reinforced that perception, rewarding him and the other assassins with respectability, political space, and plum diplomatic assignments. One of Mujib’s surviving daughters, Sheikh Hasina Wajed, who inherited his political mantle and who was to become the prime minister of Bangladesh, was marginalised for many years. She lived for a while in exile, and for some time, was detained. The political landscape after Mujib’s murder was unstable. Bangladesh has had 11 prime ministers and over a dozen heads of state in its 39-year history. Hasina was determined to redeem her father’s reputation and seek justice, and her quest has larger implications for Bangladesh’s citizenry. Hundreds of thousands—and by some estimates perhaps three million—people were killed during Bangladesh’s war of independence in 1971. Tens of thousands of Bangladeshis now wait for justice—to see those who harmed them and their loved ones brought to account. But the culture of impunity hasn’t disappeared. It took more than three decades for Sheikh Hasina to receive some measure of vindication.
SOMETIME IN THE AFTERNOON of 27 January this year, Mahfuz Anam received a call from an official, saying that the end was imminent. Anam was in the newsroom of Bangladesh’s leading English newspaper, The Daily Star, which he edits. He knew what the message meant: perhaps within hours, five men—Farooq, Lt-Col Sultan Shahriar Rashid Khan
Lt-Col Mohiuddin Ahmed, Maj Bazlul Huda, and army lancer AKM Mohiuddin— would be hanged by the neck until dead at the city’s central jail. Anam told his reporters to be prepared, and sent several reporters and photographers to cover the executions.
“We had hints that the end was near, particularly when the relatives of the five men were asked to come and meet them with hardly any notice,” Anam told me during a long telephone conversation a week after the executions. “The authorities had told the immediate families that there were no limits on the number of relatives who could come, and they were allowed to remain with them until well after visiting hours. We knew that the final hours had come.”

Once the families left, the five men were sent to their cells. They were told to take a bath and to offer their night prayers. Then the guards asked them if they wanted to eat anything special. A cleric came, offering to read from the Qu’ran. Around 10:30 pm, a reporter called Anam to say that the city’s civil surgeon, Mushfiqur Rahman, and district magistrate Zillur Rahman had arrived at the jail. Police vans arrived 50 minutes later, carrying five coffins. The anti-crime unit, known as the Rapid Action Battalion, took positions providing support to the regular police force to prevent demonstrations. Other leading officials came within minutes: the home secretary, the inspector general of prisons, and the police commissioner. Rashida Ahmad, news editor at the online news agency, bdnews24.com, recalls: “Many media houses practically decamped en masse to the jail to ‘experience a historic moment’ firsthand.” Anam told me, “By 11:35 pm, we knew it would happen that night. We held back our first edition. The second edition had the detailed story.”
Bazlul Huda was the first to be taken to the gallows. He was handcuffed, and a black hood covered his face. Eyewitnesses have said Huda struggled to free himself and screamed loudly, as guards led him to the brightly lit room. An official waved and dropped a red handkerchief on the ground, the signal for the executioner to proceed. It was just after midnight when Huda died. Muhiuddin Ahmed was next, followed by Farooq, Shahriar, and AKM Muhiuddin. It was all over soon after 1:00 am.
Earlier that day, the Supreme Court had rejected the final appeal of four of the five convicts. Shahriar was the only one not to seek presidential pardon. His daughter Shehnaz, who spent two hours with her father that evening, later told bdnews24.com, “My father was a freedom fighter; and a man who fights for the independence of his country never begs for his life.”

Mujib’s daughter, Sheikh Hasina, was at her prime ministerial home that night. She was informed when the executions began, and she reportedly asked to be left alone, and later offered namaz-e-shukran (a prayer of gratitude). Many people, most of them supporters of the Awami League, had gathered outside her house that night, but she did not come out to meet anybody. A few days later, she told a party convention that it was a moment of joy for all of them, because due process had been served.
The mood was sober and subdued. Dhaka residents I spoke to told me the celebrations were only in certain localities. Ahmad, who was at her news desk until late at bdnews24. com, wrote to me, saying the mood was sombre, and many looked at it as a time for reflection, although that night and the following day there was muted rejoicing in some areas. Many could understand Hasina thanking God, and other politicians welcoming the closing of a dark chapter, but some felt it a bit much that parliament itself thanked God and adjourned for the day, she said.
The chapter is not yet closed. In early February, Awami League activists ransacked and set afire the home of the brother of Aziz Pasha, one of the self-confessed conspirators who had died in exile in Zimbabwe a few years ago. Six other conspirators remain at large, and the Government says it is determined to bring them back.
CALL IT JUSTICE, REVENGE, or closure. It has taken 34 years for this particular saga to reach its end. Khondaker Mushtaq Ahmed, who took over as Bangladesh’s president after Mujib’s assassination, had granted the officers immunity and praised the assassins. General Ziaur Rehman, who later became president, con- firmed the immunity. A series of articles in August 2005 were published simultaneously in The Daily Star and Prothom Alo, commemorating the 30th anniversary of the coup d’état that killed Mujib and much of his family. Lawrence Lifschultz, an American journalist who had been South Asia Correspondent of the Far Eastern Economic Review in the 1970s, revealed that one of his principal sources, alleging CIA links with the political leadership of the coup, was the US Ambassador to Bangladesh, Eugene Boster.
While Boster sought anonymity during his lifetime, Lifschultz disclosed after Boster’s death that the ambassador had in 1977 informed he and his colleague, the American writer, Kai Bird, that the US Embassy had contacts with the Khondaker group six months before the coup, and that the ambassador had himself ordered that all links with Khondaker and his entourage be severed. Boster claimed he learned later that behind his back the contacts continued with Khondaker’s associates until the actual day of the coup.
In their book, Bangladesh: The Unfinished Revolution (1979),Lifschultz and Bird document Khondaker’s prior links to a failed Kissinger initiative during the 1971 war. Khondaker’s colleagues in Bangladesh’s government-in-exile had discovered his covert contacts with Kissinger, and it ended with him being placed under house arrest in Calcutta. Four years later, Khondaker—who was in Mujib’s cabinet—became president after the military coup, and once in office, he granted immunity to the assassins.
Later governments gave some of the assassin’s high-ranking posts, even though these men had conspired to eliminate the country’s elected leader. Lt- Col Shariful Haq Dalim represented Bangladesh in Beijing, Hong Kong, Tripoli, and became high commissioner to Kenya, even though he had attempted another coup in 1980. Lt-Col Aziz Pasha served in Rome, Nairobi, and Harare, where he sought asylum when Hasina first came to power in 1996. She removed him; he stayed on in Harare, and died there. Maj Huda was briefly a member of parliament, and also served in Islamabad and Jeddah. Other conspirators served Bangladeshi missions in Bangkok, Lagos, Dakar, Ankara, Jakarta, Tokyo, Muscat, Cairo, Kuala Lumpur, Ottawa, and Manila.

The Oxford-trained lawyer, Kamal Hossain, who was Mujib’s law minister, and later foreign minister, told me, “The impunity with which Farooq operated was extraordinary. When he returned to Bangladesh, the government facilitated him and President [Hussain Muhammad] Ershad, who wanted some candidate to stand against him in the rigged elections. [Ershad] let Farooq stand to give himself credibility.”
It was clear that a trial of the assassins would only be possible if Mujib’s party, the Awami League, came to power. That happened in 1996, and Mujib’s daughter, Sheikh Hasina, became prime minister. The cases began and the court found all 12 defendants guilty. But Hasina lost the 2001 elections, and the process stopped, resuming only after her victory in the elections of December 2008. The government now wants to bring the surviving officers back to Bangladesh: Noor Chowdhury is reportedly in the United States; Dalim is in Canada; Khandaker Abdul Rashid, Farooq’s brother-in-law, is in Pakistan; MA Rashed Chowdhury is in South Africa; Mosleuddin is in Thailand; and Abdul Mazed is in Kenya. Bringing all of them back may not be easy, because they will face executions. Canada and South Africa have abolished the death penalty, and Kenya put a stop to it recently, making it harder for those governments to extradite them.

How does a nation, whose independence was soaked with blood, which lost a popular leader of its freedom struggle in a brutal massacre, reconcile with that crime? What form of justice is fair? Does the death penalty heal those wounds?
Bangladesh thinks so. It is among the 58 countries (including India) that retain the death penalty, but it applies it only in rare cases, like murder. In 2008, five people were executed in Bangladesh. Many governments oppose the death penalty on principle, and the European Union appealed to the Bangladeshi government to commute the sentence of Mujib’s assassins. The human rights group Amnesty International also sought clemency, while agreeing that the men should face justice.
Bangladeshi human rights lawyers have found it hard to challenge the death penalty because it is not controversial in Bangladesh. There are also political exigencies. One human rights activist told me, “We are against [the] death penalty but the dilemma is that we are in a country where life imprisonment really means imprisonment guaranteed until your party is in power. The death penalty is almost seen as the only way to guarantee justice for such a grisly crime.” Grisly, it certainly was. This is what happened.
I
N 1975, Dhanmondi hadn’t changed much from how it looked at Independence, with roads lined with twostorey houses dating back to the 1950s. Today, there are multi-storey buildings, English-medium schools, new universities, shopping malls and hookah bars
to lure younger crowds. Back in 1975, the area was quieter. In the evening, people strolled along the periphery of the large lake in the middle of the neighbourhood and at night you could hear the tinkle of the bells of the cycle rickshaws plying the roads.
On 15 August 1975, before dawn, 700 soldiers with 105 millimetre weapons left their barracks and headed for the three homes where Mujib and his family lived. Everyone was still asleep at Mujib’s home, number 677 on road 32 in Dhanomondi. Mujib’s personal assistant, Mohitul Islam, was at his desk when Mujib called him, asking him to call the police immediately. Mujib had heard his brother-in-law Abdur Rab Serniabat’s house at 27 Minto Road was being attacked. Serniabat was a minister in Mujib’s government.
Mohitul—who lived to tell the tale—tried calling the police, but the phones weren’t working. When he called the telephone exchange, the person at the other end said nothing. Mujib snatched the phone and shouted into the mouthpiece.
The guards outside were hoisting the national flag when the soldiers arrived. The guards were stunned to find army officers rushing in through the gate, ordering them to drop their weapons and surrender. There were a few shots.

A frightened servant woke up Mujib’s son Kamal, who got dressed and came down when Maj Bazlul Huda entered the house with several soldiers. Even as Mohitul tried telling Huda that it was Kamal, there was a burst of gunfire; Kamal lay dead. Huda quickly went to the landing of the staircase when he heard Mujib’s voice.
“What do you want?” Mujib asked Huda, whom he recognised.
The soldiers pulled their triggers, spraying Mujib with dozens of bullets. Before his burial the following day in his birthplace, Tungipara, the imam noticed at least ten bullets still lodged inside Mujib’s body. When I visited the house in 1986, I saw dozens of bullet marks on the wall and staircase where he was killed. Mujib had collapsed on the stairs; his trademark pipe in his hands. He was dead by the time his body stopped tumbling down the stairs.

The killers then went inside the house, and one by one, killed everyone they could find: Mujib’s wife Fajilutunessa, Kamal’s wife Sultana, Mujib’s other son Jamal and his wife Rosy, and Mujib’s brother Naser, who was heard pleading, “I am not in politics.”
Then they saw Russell, Mujib’s ten-year-old son, who was crying, asking for his mother. He, too, was killed.
Around the same time, another group of soldiers had killed Mujib’s brother-in-law, Serniabat at his home, and a third group had murdered the family of Fazlul Haque Moni, Mujib’s nephew, an influential Awami League politician who lived on road 13/1, about two kilometres away from Mujib’s home. At that time, Mahfuz Anam was a young reporter at the Bangladesh Times. He lived across the Dhanmandi Lake, and had a clear view of Sheikh Moni’s house. “I saw what happened,” he recalled. “Early that morning I was awakened by the sound of firing. I got up. My room was on the side of the lake. I ventured out to the boundary wall. I saw troops enter Sheikh Moni’s house. I heard plenty of firing, followed by screaming. I heard shots—some random, some from sub-machine guns. I saw the troops leave the house. It was all over in four to six minutes. I could hear the people inside groaning; it continued for some time.”
The junior officers’ coup had proceeded exactly as planned. There had been no resistance from the moment Huda and his team had reached Mujib’s home. After taming the Rokkhi Bahini, Farooq arrived at Mujib’s gate, eager to know what had happened at Mujib’s home. Huda told him calmly, “All are finished.”
When we met a decade after those killings, I asked Farooq, one of the leading conspirators, “And the ten-year-old boy: did he have to be killed?”
“It was an act of mercy killing. Mujib was building a dynasty; we had to finish off all of them,” he told me with a degree of finality, his arm slicing ruthlessly in the air, as if he was chopping off the head of someone kneeling in front of him. There was no mercy in his eyes, no remorse, only a hint of pride
They had tried killing the entire family, but they could not get Mujib’s two daughters, Hasina and Rehana, who were on a goodwill tour in Europe. Hasina was in Bonn, Germany, where her husband, MA Wazed Miah, a nuclear scientist, was a researcher at a laboratory (He died in May 2009). Kamal Hossain, Mujib’s cabinet minister, was on an official visit to Belgrade. Speaking a week after the executions of Mujib’s killers, he told me, “I first heard there had been a coup. Later, at the home of the Bangladesh Ambassador to Yugoslavia, we sat listening to French radio, and more information began coming out. We heard about Mujib’s death, then we heard about the other family members. My first thought was Hasina’s safety.” He met her in Bonn and decided to sever his relations with the new government. He handed in his official passport to the ambassador, and left for England, which had better links with Bangladesh, and where getting information would be easier. Hasina, too, decided there was no need for her to go back. She was granted asylum in India and lived in New Delhi with her husband until 1981. Hossain returned to Dhaka in 1980.
I
N OCTOBER 1986, I visited Mujib’s house, the mute witness to the ghastly events of that dawn. As if to ensure that no one will forget the tragedy, Hasina, who showed me around, had made only minimal changes to the house, preserving the crime scene. The bare walls bore bullet marks. Shattered glass lay on the ground of what was once Mujib’s library. On the
staircase on which Mujib was shot, and on the wall which he tried to grip for support as he fell, darkened blood stains were still visible.
Mujib was 55 when he was killed. He had been in and out of Pakistani jails, and was widely regarded—and initially revered— as Bangladesh’s founding father. At the time of Partition, what is now known as Bangladesh formed the eastern wing of Pakistan. The two parts of Pakistan were divided by thousands of kilometres of Indian territory. Islam united the two, but culture, language and the idea of nationhood divided them. The eastern half was more populous, and should legitimately have commanded greater resources, but the generals and politicians in power in the western half disregarded eastern demands, responding to eastern claims with contempt, if not repression. Punjabis dominated the Sindhis, Baluchis, and Pathans in the west, and they had even less regard for their Bengali compatriots.
Things came to a head in 1970, when in nationwide elections, Awami League secured a majority. Mujib should have been invited to become Pakistan’s prime minister, but the generals and politicians in the west thought differently. Mujib’s negotiations with Gen Yahya Khan, Pakistan’s ruler, and Zulfikar Ali Bhutto, leader of the Pakistan People’s Party which had won a large number of seats in the west, continued interminably. Meanwhile, Yahya Khan sent Gen Tikka Khan to Dhaka. Many Bangladeshis remember planeloads of young men arriving on flights from the west. They were military men but not in uniform, and they did not carry weapons. Meanwhile, Pakistan’s navy was shipping weapons through ports like Chittagong, keeping Bengali officers in the dark, and secretly arming the men who had landed in Dhaka.
The crackdown began on 25 March 1971, as the Pakistani army brutally attempted to crush Bengali aspirations. Mujib was jailed in West Pakistan. In the east, hundreds of thousands were killed, and millions of refugees made their way to India. A civil war followed, and India aided the Mukti Bahini, as Bangladeshi freedom fighters were called. In early December, Pakistan attacked India on its western front; India retaliated, and its troops defeated Pakistan on both fronts within a fortnight. Indian troops entered Dhaka, and thousands of Pakistani troops surrendered. A few weeks later Mujib returned to the Tejgaon airport. A sea of humanity greeted the leader of the new nation, Bangladesh.

Three and a half years later, Farooq and his men annihilated most of Mujib’s family. “Even dogs didn’t bark when we killed Mujib,” Farooq told me.

THE SHEIKH MUJIBUR RAHMAN of 1975 was not the Sheikh Mujibur Rahman of 1971. He squandered his unprecedented goodwill for two reasons. First, he could not meet the phenomenal expectations Bangladeshis had in his leadership. Lifschultz, who
was based in Dhaka in 1974, remembers the day when Pakistan’s Prime Minister, Zulifikar Ali Bhutto, visited Bangladesh for the first time since its independence from Pakistan. As Bhutto’s motorcade moved from the airport into central Dhaka, a section of the crowd lining the street shouted, “Bhutto Zindabad (Long Live Bhutto).”
Lifschultz thought this was rather bizarre. He told me there were conflicted feelings among some Bangladeshis who in 1974 were living through the first stages of a severe famine. Clearly, some believed their hopes had been belied, but to him, the cheering of Bhutto seemed particularly perverse, given the circumstances of Bangladesh’s emergence.
B
ANGLADESHI FRUSTRATION with Mujib was understandable. By mid-1974, Bangladesh was reeling from a widespread famine that experts believe was at least partly due to political incompetence. Citizens were also stunned by the ostentatious weddings of Mujib’s sons at a time of economic crisis. Food distribution had failed, and people were forced
to sell their farm animals to buy rice. Thousands of poor people left their villages looking for work in the cities. Irene Khan, who was until recently the Secretary-General of Amnesty International, was a schoolgirl in the early 1970s. She recalls hungry voices clamouring for food outside the gates of her family home every day.
With public criticism over the mass starvation growing, Mujib clamped down on dissent. He abolished political parties and created one national party called Bangladesh Krishak Shramik Awami League (BAKSAL); removed freethinking experts who did not agree with his policies; nationalised newspapers (closing most), and allowed only two each—in Bangla and in English. He stifled dissent within the party, suspended the constitution, and declared himself president. Now editor of The Daily Star, Anam calls those measures the greatest blunder Mujib made. “It is still a mystery what led him to do that. He had it all. There was nothing, nobody in the parliament opposed to his policies, except for a few voices. He was the tallest man in the country. Why did he do it? It was in total contrast to his political heritage. It was a dramatic transformation from a multiparty system to a one party state.”
The only time I met Farooq, in 1986, he expressed outrage at those changes, “How do you pass an amendment in Parliament which abolishes party membership in just 11 minutes? No discussions, nothing!” Bangladesh, in his opinion, was becoming a colony of India, and as a freedom fighter, he thought he had to stop that. “I tried to save the country,” he told me, his tone rising, “Mujib had changed the constitution so that the court could not do a thing. All power was with the president.”
None of Farooq’s explanations justified the terrible manner in which he and his family were killed, but the famine and his increasingly authoritarian rule partly explains why there was little outward expression of grief after his assassination. At the same time, it was not just Mujib’s killing, but the brutality of it, that many Bangladeshis felt justified the death penalty for the assassins.

Justice moves slowly in Bangladesh. According to a recent study, Bangladesh’s jails can hold only 27,000 prisoners, but there are some 70,000 inmates in jail, and some 47,000 are still awaiting trial, according to the inspector-general of prisons. One reason for the backlog is the shortage of judges. The other is that some defendants are too poor to afford legal help.

The trial of Mujib’s assassins falls under a different category. There was little political will to try the assassins. That changed when Hasina came to power. The five of- ficers were sentenced to death as early as 1998. They appealed, but higher courts upheld the sentence in April 2001 and November 2009 respectively. They sought a Supreme Court review, and later, four of the five applied for presidential pardon. While the government meticulously followed the constitutional procedures, many have noted the speed with which the final appeals were dealt with.

A four-member special bench of the Supreme Court’s appellate division met at 9:25 am and issued a verdict at 9:27 am, on 26 January 2010, rejecting the review petition. Senior civil servants of the law and home ministry met at noon, and discussed the issue for three hours. Farooq, who had resisted writing his mercy petition, did so that afternoon. Officials received and dispatched his petition within minutes, as they were all in one room with colleagues whose approval was needed. A report on bdnews24.com said that President Zillur Rahman rejected the petition at 7:30 pm (the hangings occurred soon after midnight).

The quick turnaround of the documents was remarkable. One lawyer told me, “What you saw wasn’t due process; it was process with undue speed.”

HERE IS A SENSE IN DHAKA NOW, that the executions have brought the tragedy to a close. Perhaps; but many other wounds continue to fester. On the day of Mujib’s killing in 1975, the officers had also arrested Tajuddin Ahmed, Nazrul Islam, Kamaruzzaman, and Mansur Ali—four leading Awami League politicians suspected of being pro-Mujib. On the
night of 3 November 1975, soldiers came to the jail, and asked for the four to be brought to one cell. The jail authorities tried to find out what was going on, when a call from the president asked them to cooperate. The soldiers then took out their weapons, and, without reading out any charges, without any trial or any authority, sprayed bullets on them, killing them instantly. Mosleuddin, involved with the 15 August killings, proudly claimed to have played a role in the jail killings. Khondaker gave the killers immunity. Some pro-Mujib of- ficers overthrew Khondaker two days later. A counter-coup followed, and the situation was stabilised weeks later when Gen Ziaur Rahman took over, ending the pretence of civilian rule. Tajuddin’s daughter, Simeen Hossain Rimi, has compiled her father’s writings and sought justice. The government has said it will pursue that case, too. And then there are the war crimes.
When Hasina came to power in 2008, one of her electoral promises was to seek justice for the victims of the 1971 war. Without getting into the technical debate over whether what happened in Bangladesh in 1971 was a genocide— which is a legal term with a precise meaning in international law—there is enough evidence to prove that both war crimes and crimes against humanity were committed in Bangladesh. Many of those who committed those acts are still free: some live abroad, some in Pakistan and some in Bangladesh, living with the same impunity as some of Mujib’s killers did until recently. These individuals resisted an independent Bangladesh, and successive governments in Bangladesh haven’t pursued the matter. Some governments lacked the political capital and will, some had little moral authority, and some have even been complicit with some of the crimes.
That context has changed with Hasina’s recent victory. Irene Khan, who worked for many years at the UN High Commission for Refugees before leading Amnesty International, told me:
You can have debates about whether particular acts constitute war crimes or genocide. You can debate whether what happened was a war or an internal con- flict. But they were crimes against humanity. There was obviously culpability and collusion of some locals with the Pakistani army. For instance, in December 1971, before the formal handover to the Indian army, there was a whole list of intellectuals who were picked up and killed. These were not political cases; these were civilians. Those crimes have remained uninvestigated; it is extremely important that there is a commission of inquiry, if Bangladesh is to put a closure to this chapter of its history. Even if you will have only a limited number of prosecutions, you need a full record of what happened.
Pakistan’s own war inquiry commission report of 1974 mentions that tens of thousands of civilians were killed, and many women were raped. Bangladeshis find that report incomplete because it barely scratches the surface of what happened.
Justice for those crimes against humanity won’t be easy. At the time of the final handover of Pakistani prisoners of war, India and Bangladesh signed a tripartite treaty with Pakistan, which effectively granted immunity to Pakistani soldiers. While Bangladesh passed a law subsequently to try war criminals, that law only focused on Bangladeshi collaborators, leaving out the Pakistani army. “That issue has always been brushed under the carpet,” Irene Khan told me. “The real question is: can an international treaty sign away the rights to justice of victims? The treaty absolves the Pakistani army and political leaders.”
Realpolitik may have prevented going after Pakistanis, and domestic politics made targeting local collaborators complicated. Hasina’s rival was Khaleda Zia, Ziaur Rahman’s widow. She led the Bangladesh National Party, which has had an electoral alliance with Jamaat-i-Islami, a fundamentalist party. Some of the Jamaat’s leaders and many followers are accused of being collaborationists.

The Bangladeshi government had said it would commence trials in March. A tribunal was expected to be set up in Dhaka by 26 March, Bangladesh’s Independence Day, but nobody has been indicted yet, no prosecutors or investigators have been appointed, and only Bangladeshi ‘collaborators’ will be tried. Some observers fear that the process will be seen as an attack on Jamaat-i-Islami. If the initial indictees are only from the Jamaat, they will claim they are being victimised, and the credibility of the process will suffer. A fair process would also investigate the conduct of the Mukti Bahini, the Bangladeshi freedom fighters who are alleged to have committed atrocities against Urdu-speaking Biharis, many of whom supported Pakistan.

And all this, to what end? It is a people’s quest for justice; a society’s desire to break the imposed silence. It is to reassert the norms that govern a nation, to re-establish the foundations on which civilisation can rest.
Irene Khan is not sure if the recent executions will help turn the tide against the culture of impunity. “This is a systemic problem in Bangladesh,” she says. “There is impunity from the local policeman who beats up a suspected thief, to the security forces who tortured and killed suspected mutineers in interrogation cells.” She refers to the failed Bangladesh Rifles mutiny last year. Guards of Bangladesh Rifles objected to army officers commanding them, so they held officers hostage, killing many of them and ransacking the barracks, before surrendering. Hundreds of mutineers were tortured later, and over 60 died.
T
HE CULTURE OF IMPUNITY runs deep. Hasina may think of reaching closure for her personal grief. For millions of Bangladeshis, that remains an elusive goal. Projonmo 71 is a social movement, bringing together the children of those who died during the independence war. Staunchly Bengali in their nationalism, many of its members are secular.
Meghna Guhathakurta, an academic who taught international relations at Dhaka University and is now the director of Research Initiatives, a development think tank, is one of them.

She vividly remembers the midnight of 25 March 1971. Her father, Jyotirmoy Guhathakurta, who was a professor of English at Dhaka University, was correcting examination papers. Schools and colleges were closed, as Bangladeshis had embarked on a non-cooperation movement. She feared her father would get arrested, and they had been warned.
An army convoy came to the campus. There were six apartments in the building. The soldiers began banging on the doors. An officer and two soldiers entered their ground floor apartment through the back garden. The officer asked in Urdu, “Where is the professor?” Her mother asked why they wanted to meet her husband. The officer said they had come to take him away.

“Where?” she asked. The officer did not reply.
Guhathakurta told me what followed in a calm voice:
My mother called my father. The officer asked my father if he was the professor. My father said yes. ‘We have come to take you,’ he said. Meanwhile, several other professors were being brought down. Some families tried to hold them, but we told them—‘let them go, otherwise they will shoot you.’ We turned around, and we heard the firing of guns. And we saw all of them lying in a pool of blood. Some were shouting for water. We rushed out to the front part of our compound. I saw my father lying on the ground. He was fully conscious. He told me they had asked him his name and his religion. He said he was a Hindu, and they gave orders to shoot him. My father was hit by bullets in his neck, his waist, and it left him paralysed. The soldiers had run away. We took my father to the house. We could not take him to the hospital because there was a curfew.

He remained in pain, and they could only take him to the hospital on 27 March, when the curfew was lifted. He died three days later.
I asked her about the executions of Mujib’s assassins. “I am against impunity, and I am very much happy justice has been met,” she said. “But I am not happy that we have the death penalty. Not every crime has been tried yet.”
She is a peace activist and has thought of forgiveness, but there is a moral dilemma around that idea. British writer Gillian Slovo, who was born in South Africa, had faced such a moral quandary in the years after apartheid was lifted. During apartheid, Slovo’s father, Joe, led the South African Communist Party, and he and her mother, Ruth, first lived in exile in Mozambique, from where they carried on their anti-apartheid activism. They were among the few whites to take on the South African regime (her mother had been detained without trial in 1963, and the couple fled South Africa after the African National Congress leadership was rounded up). Tragedy struck in Mozambique, when agents of apartheid sent her a letter bomb, which exploded, killing her.
Slovo ended up confronting the man responsible for sending that lethal parcel to her mother. She discovered a copy of her book, which she had autographed, had ended up with that man. I met Slovo in late 2008, soon after the terrorist attacks in Mumbai, and I asked her if it was possible to forgive. After all, South Africa had astounded the world with the Truth and Reconciliation Commission, which offered a non-violent way in which the oppressor and victim could resolve differences face to face. Slovo told me, “Lots of countries like truth commissions because they look at South Africa and think of the miracle. But I am not sure if it was entirely miraculous; it had its flaws, too. The commission was a compromise to stop people from fighting. People need to see if the two sides want to stop fighting first. It is impossible to otherwise start a process that goes so deep. There is a difference between individual and collective responses. South Africa’s experience reflected the thinking of an archbishop [Desmond Tutu], whose church believed in forgiveness.”

Guhathakurta had studied at a convent, and the Christian ideas of mercy were ingrained in her as a child. She was 15 when her father was murdered, and the impression of those school lessons was strong. She told me, “I remember the first thing I did was to say: I forgive those who killed my father. But in a multicultural system it doesn’t always work. Not all religions are about forgiveness. Revenge is permitted in many religions. Human beings have a primordial urge to take revenge.”

Many years later, Guhathakurta was interviewing victims of 1971 for a film. She was talking to those who escaped from killing fields, and families of people who were victims. That’s when it occurred to her: trauma never really ends. Her nightmares will always stay. She acknowledged her anger. She did not want revenge; she wanted justice. She said:
For me, justice would be when the Pakistani government realises what it did. But they have not even recognised the genocide. For me, justice means something like Berlin’s Holocaust Museum is constructed in Islamabad. I want to see signs where they say that such an event took place, and it was our fault, because we did it, and we are sorry. You can’t ask the daughter to forgive the murderer of her father. Revenge doesn’t make sense, either. Just because my father died doesn’t mean yours has to die. But recognition, that something took place, and the fact that it should not take place again— that’s justice. The Holocaust museum says it happened, therefore it can happen again.

Slovo had put it slightly differently: Real reconciliation only happens when the terrible is acknowledged, so that you can’t say it did not happen.
TOWARDS THE END of the Pakistani writer Kamila Shamsie’s novel,Kartography, Maheen tells her niece Raheen, “Bangladesh made us see what we were capable of. No one should ever know what they are capable of. But worse, even worse, is to see it and then pretend you didn’t. The truths we conceal don’t disappear, Raheen, they appear in different forms.
Bangladesh abounds with victims—each family has a horror story of its own, where a loved one has been hurt grievously, and the ones who have committed those atrocities have not faced justice, nor expressed remorse. It is impossible to heal everyone. But honest accounting of what happened would be a good start. Trying Mujib’s killers, seeking the extradition of those living abroad and solving the mystery of the jail killings are useful steps in making sense of their warped politics, where individuals bragging about killing defenceless people were being rewarded.

Removing the culture of impunity will be a small step towards justice—not necessarily through death penalties, but through remorse, forgiveness, and reconciliation. Until that happens, the question Projonmo 71 left inscribed on the plaque commemorating the martyred intellectuals at Rayer Bazaar in Dhaka will continue to resound across the wounded rivers and valleys, awaiting an answer: “Tomra ja bolechhiley, bolchhey ki ta Bangladesh?” (Is Bangladesh saying what you had wanted to say?

নিচের বোল্ড করা অংশটুকু তাহেরের শেষ চিঠি থেকে নেয়া:
রায় শুনে আমাদের আইনজীবীরা হতবাক হয়ে গেলেন। তারা এসে আমাকে জানালেন, যদিও এই ট্রাইব্যুনালের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না তবুও তারা সুপ্রিম কোর্টে রিট করবেন। কারণ বেআইনিভাবে এই আদালত তার কাজ চালিয়েছে ও রায় দিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে প্রেসিডেন্টের কাছে আবেদন করবেন বলে বললেন। আমি তাদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিলাম, প্রেসিডেন্টের কাছে আবেদন করা চলবে না। এই প্রেসিডেন্টকে আমি প্রেসিডেন্টের আসনে বসিয়েছি, এই বিশ্বাসঘাতকদের কাছে আমি প্রাণভিক্ষা চাইতে পারি না
“এই প্রেসিডেন্টকে আমি প্রেসিডেন্টের আসনে বসিয়েছি। এই বিশ্বাসঘাতকদের কাছে আমি প্রাণভিক্ষা চাইতে পারি না।” তিনি যখন চিঠিটি লিখেন, তখন সরকারে কারা ছিল?যারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, তারাই। কারণ তারই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদেরকে পুণর্বাসন করেছিল, হত্যাকারীদের বিচার না করে তাদেরকে পুরস্কৃত করেছিল ইত্যাদি,যা কারই অজানা নেই। এছাড়াও স্বাধীনতা বিরোধীদেরও তারা পুণর্বাসন করেছিল। কর্ণেল তাহের তার চিঠিতে নিজেই উপরোক্ত স্বীকার উক্তি দিয়ে প্রমান করেছিলেন যে,বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে তিনিও সম্পৃক্ত ছিলেন। কারণ তিনি তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘এই প্রেসিডেন্টকে আমি প্রেসিডেন্টের আসনে বসিয়েছি।’ এই বসানোর পিছনে তাহেরের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পিছনে ছিল আন্তর্জাতিক চক্রান্তের বিশাল থাবা, আর এই হত্যাকারীরা ছিল তাদের ক্রীতদাস। মুক্তি যুদ্ধে পাকিস্তান হেরে যাওয়াতে,পাকিস্তানের সহায়তাদানকারী(মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদী্ আরব ও চীন) আহত হায়েনারা মরন থাবা দেয়ার জন্য সুযোগের সন্ধানে ছিল ওৎপেতে বসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়েছিল বিপথগামী কিছু সেনাবাহিনী এবং বেইমান উচ্চাভিলাষী আওয়ামী লীগ নেতাদের মাঝে। আর চীন তার জাল বিছিয়েছিল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মুলমন্ত্রদানকারী অতি বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক মোল্লাদেরকে দিয়ে। আর সৌদীর প্রচেষ্টা ছিল রাজাকারদেরকে আবার পুনর্বাসন করা নিয়ে। যা তৎকালীন সময়কার পেক্ষাপট বিশ্লেষন করলেই স্পষ্ট বুঝা যায়। নিচের উদ্ধৃতিগুলো বিশ্লেষন করলেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়।
নিচের বোল্ড করা অংশটুকু তাহেরের শেষ চিঠি থেকে নেয়া:
জলিল, রব, জিয়া আমাকে দৃঢ় আলিঙ্গনে আবদ্ধ করলো। এই আলিঙ্গন অবিচ্ছেদ্য। এমনিভাবে দৃঢ় আলিঙ্গনে আমরা গোটা জাতির সঙ্গে আবদ্ধ। কেউ তা ভাঙতে পারবে না।
বিভিন্ন সেলে আবদ্ধ কয়েদি ও রাজবন্দীরা অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে বন্ধ সেলের দরজা-জানালা দিয়ে। মতিন সাহেব, টিপু বিশ্বাস ও অন্যান্যরা দেখালো আমাকে বিজয় চিহ্ন। এই বিচার বিপ্লবীদেরকে তাদের অগোচরে ঐক্যবদ্ধ করলো।
সেনাবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় থেকে কোন সেনাকর্মকর্তার রাজনীতি করার কোন সুযোগ নেই, অথচ কর্ণেল তাহের তার বক্তব্যতে স্পষ্ট করেছিলন, তিনি সেনাবাহিনিতে থাকাকালীন অবস্থায় প্রত্যক্ষ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই রাজনীতি ছিল কোনটি? রব, জলিল, ইনু এরা কোন রাজনীতি করতো? এরাই ছিল তখনকার অতি বিফ্লবী সমাতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল জাসদের নেতৃত্বে এবং কর্ণেল তাহের ছিল এদের ইন্ধনদাতা। যিনি সব সময় কল্পনা করতো, চীনের আদলে সেনাবাহিনী তৈরী করে দেশ শাসন করবেন, যা মেজন ডালিমের স্বীকারোক্তিতে পাওয়া যায়।
স্বাধীনতার পর দেশে সরকার যেন স্থির অবস্থায় না থাকতে পারে এটাই ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের প্রধান লক্ষ্য। তাই এই অতি বিপ্লবী রাকজনীতিকদেরকে তারা ক্রীতদাস বানিয়ে, তাদের দ্বারা দেশের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি কারই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। এই সময় জাসদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই তা প্রমান করে যে, তারা আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী শত্রুদের সাথে সম্পৃক্ত হয়েই এখানে কার্যক্রম চলিয়েছিল। এরা তখন জঘন্যতম অপরাধের কিই না করেছিল। সমাজতন্ত্রের অপব্যাখ্যা প্রদান করে, এদেশের তরুণ সমাজকে তারা জঙ্গী বানাতে তারা এতটুকুও কুণ্ঠাবোধ করেনি। যা বর্তমানে ইসলামী জঙ্গীবাদীরা করছে। তাদের মুল উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যেন তেন ভাবে সিংহাসন দখল করা। তাই তারা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে সমাজতন্ত্র কায়েমের কথা বলে, তরুণ সমাজকে লেলিয়ে দিয়েছিল। তাদের অসৎ উদ্দেশ্যের জন্য তারা যুদ্ধে ব্যবহারকৃত অস্ত্রগুলো জমা না দিয়ে, তারা তৎকালীন সময় সমাজের তরুণদের হাতে তুলে দিয়েছিল সেইসব অস্ত্র। রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য কখনই ডাকাতি হতে পারে না। কিন্তু এরা তাই করতো। এর সগ্রামের ব্যয়ের নামে অর্থ মানুষের বুকে অস্ত্র ধরে এরা অর্থ সংগ্রহ করতো। এরা মানুষের কাছে চিঠি সাথে কাফনের কাপড় ও বুলেট পাঠিয়ে,ভয় দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহ করতো। এরা বেছে বেছে বুদ্ধিজীবি, বিজ্ঞ রাজনীতিকদের হত্যা করতো। সমাজে যত প্রকারের বিশৃঙ্খলা করার, এরা তাই করতো। জলিল, রব, ইনু, জিকু,সিরাজ সিকদার, সিরাজুল ইসলাম সহ আরও অনেকই ছিল এদের হোতা এবং ব্যাকসাইট লিডার হিসাবে ছিল কর্ণেল তাহের। ‘৭৫-এর নভেম্বর যখন জিয়াকে বন্দি করেছিল,মোশারফ বাহিনীকে নির্মুল করা হলো এবং জিয়াকে মুক্তির নামে পরবর্তী সময়টাতে যা কিছু ঘটেছিল, তা ছিল কর্ণেল তাহেরের নির্দেশিত সাজানো নাটক।
শেখ মুজিবকে স্ব-পরিবারে হত্যা করা ছিল ষড়যন্ত্রকারীদের প্রথম ধাপ। দ্বিতীয় ধাপ ছিল, সেনাবাহীনির মধ্য থেকে স্বাধীনতার পক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদেরকে হত্যাকরা। তা তারা ঘটিয়েছিল নভেম্বরে। এরপরেই ধাপ ছিল জিয়ার সাথে কর্ণেল তাহেরের সিংহাসন ভাগাভাগির সন্ধি। কারণ জিয়াকে উদ্ধারের সময় ইনু একজন রাজনীতিবিদ হয়ে ক্যান্টমেন্টে তখন অবস্থান করছিল। এই ইনু ছিল জাসদের সশস্ত্র সংগ্রামের প্রধান সেনাপতি। তার নেতৃত্বেই তরুণদেরকে সশস্ত্র সংগ্রামের উদ্বুদ্ধ করা হতো। কর্ণেল তাহের ভাল করেই জানতো যে, জিয়া ছিল অত্যন্ত ক্ষমতা লিপ্সু একজন সিনিয়র সেনা কর্মকর্তা। কারণ এই জিয়া স্বাধীনতা ঘোষনাপত্র রেডিওতে পাঠ করতে গিয়ে, নিজেকে প্রেসিডেন্ট বলে নিজেকে দাবী করেছিল। পরবর্তীতে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতাদের চাপের মুখে শেখ মুজিবের নাম উল্লেখ করেছিল। জিয়ার এই চরিত্রের কারণেই কর্ণেল তাহেরের খুব ভাল করেই জানা ছিল। তাই খন্দকার মুশারফ বাহিনীকে খতম করার পরেও কর্ণেল তাহের জিয়াকে বন্দি দশা থেকে মুক্ত না করে,জিয়ার সাথে ক্ষমতা ভাগাভগির সন্ধি জন্য অপেক্ষা করছিল। জিয়া ছিল বিশ্ব মতলববাজ লোক। সে ছিল সেরের উপর সোয়াসের। নিজেকে বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য কর্ণেল তাহেরের সব প্রস্তাবে রাজি হয় এবং মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে,ওস্তাদের মার শেষ রাতেই দেখাবো। এবং দেখিয়েই ছেড়েছে সে। জিয়া বন্দি অবস্থা থেকে বের হয়েই ভাবলেন ওস্তাদের মার শেষ রাতে কিভাবে দেয়া যেতে পারে। এরাতো মুক্তিযোদ্ধা, আবার সেনাবাহীনির সাথে এদের গভীর সম্পর্ক আছে, এরা যে কোন সময় যা খুশি তা করতে পারে, এমনও হতে পারে একচটকানীতে তারে উল্টায়ে দিতে পারে। তাই জিয়া স্বাধীনতার কে শত্রু আর কে যুদ্ধাপরাধী তা বিচার না করে,ক্ষমতার লোভে জামাত শিবিরকে সঙ্গে নেবার বাসনায় তাদেরকে পুণর্বাসন করা শুরু করলো এবং বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্বপ্নধারী, অবৈজ্ঞানীক মোল্লা কমরেডদেরকে এক যোগে জেলের মধ্যে পুরলেন। এটাই ছিল জিয়ার ওস্তাদের মার শেষ রাতে।
কর্ণেল তাহেরের উপরোক্ত উক্তির এই অংশে তা স্পষ্ট ফুটে উঠে, ‘জলিল, রব, জিয়া আমাকে দৃঢ় আলিঙ্গনে আবদ্ধ করলো। এই আলিঙ্গন অবিচ্ছেদ্য। এমনিভাবে দৃঢ় আলিঙ্গনে আমরা গোটা জাতির সঙ্গে আবদ্ধ। কেউ তা ভাঙতে পারবে না।’ অর্থাৎ জিয়াকে বিশ্বাস করে এখন সে অনুতপ্ত, জিয়ার বিশ্বাসঘাতকতা তাদেরকে চরম শিক্ষা দিয়েছে। তাই এখন থেকে কোনই সন্ধি নয়, সশস্ত্র সংগ্রামই একমাত্র পথ। জলিল,রব,জিয়ার আলিঙ্গনে তাই অনুভুতি লাভ করেছে, তার অবর্তমানে এরাই এই পথকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।তাহের শেখ মুজিব হত্যাকারীদের মধ্যর যে একহন ছিলেন এবং সেও জিয়ার মত একজন ক্ষমতা লিপ্সু ছিল তাতে কোনই সন্দেহ নেই।
নিচের বোল্ড করা অংশটুকু তাহেরের শেষ চিঠি থেকে নেয়া:
দেশ সৃষ্টির জন্য আমি রক্ত দিয়েছি। আর সেই সূর্যের জন্য আমি প্রাণ দেব, যা আমার জনগণকে আলোকিত করবে, উজ্জীবিত করবে_এর চাইতে বড় পুরস্কার আমার জন্য আর কী হতে পারে? আমাকে কেউ হত্যা করতে পারে না। আমি আমার সমগ্র জাতির মধ্যে প্রকাশিত। আমাকে হত্যা করতে হলে সমগ্র জাতিকে হত্যা করতে হবে। কোন শক্তি তা করতে পারে? কেউ পারবে না।
কিন্তু বিশ্বাসঘাতক ও চক্রান্তকারী জিয়া ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমাকে জনগণের সামনে হেয় করার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।
বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রবাদীরা কতটা স্বপ্নবিলাসী ছিল তাহেরের এই উক্তিতেই বোঝা যায়, ‘আমাকে হত্যা করতে হলে সমগ্র জাতিকে হত্যা করতে হবে। আমি আমার সমগ্র জাতির মধ্যে প্রকাশিত।’ আহা! সে মনে করেছিল যে, যুদ্ধে তার এক পা খোড়া হওয়াতে, তার রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা হয়েছে, তাই সব জনগণ তার। ত্রিশ লক্ষ্য শহীদ এবং দুই লক্ষ্য মা-বোনের ইজ্জত কিছুই ছিল না। কি দুঃসাহসিক কথাবর্তা। জেগে জেগে স্বপ্ন দেখেছিল সব জনগণ তার, দেশের জনগণ তাকে যেন স্মরণ করে বসে থাকবে পৃথিবী ধ্বংসের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত। জনগণ এতই মনে রেখেছে যে, তার মৃত্যুর স্মরণ সভায় একশত জন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। আসলে যারা পথভ্রষ্ট হয়ে যায়, তারা পথভ্রষ্টই। তাদেরকে মনে রাখার কোনই প্রশ্ন জাগে না। শুধু এটাই না,জনগণতো পরের কথা, তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের অবস্থা পরবর্তীতে কি হয়েছিল? যে জলিলকে বুকে জড়িয়ে ধরে তাহের অবিচ্ছেদ্য আলিঙ্গনের উস্মা উপলব্ধি করেছিল, সেই জলিল তাহের মৃত্যুর দশ পনের বছর পরেই, পাকিস্তানে গিয়ে পাক্কা মুসলমান সেজে সেখানেই মরলো। ইনু, রব, জিকু, এদের বর্তমানে কি অবস্থা?একেকজন একেক দলের পা চাটার দালাল হয়ে পড়ে আছে। কি স্বপ্ন ছিল তাহেরের!’আর সেই সূর্যের জন্য আমি প্রাণ দেব, যা আমার জনগণকে আলোকিত করবে,উজ্জীবিত করবে_এর চাইতে বড় পুরস্কার আমার জন্য আর কী হতে পারে?’ আহা! পথভ্রষ্টরা পথভ্রষ্টই। এরা মানুষকে শুধু স্বপ্নই দেখাতে পারে, কিন্তু এদের নিজেদেরই যখন কোন পথ জানা না থাকে, তারা আবার জাতিকে কি পথ দেখাতে পারে? যাদের আলিঙ্গন তাহেরের কাছে অবিচ্ছেদ্য বলে মনে হয়েছিল, তারা নিজেরাই এমন বিচ্ছেদের মধ্যে আছে যে, এখন গণনাই করা যায় না। এক ব্যক্তি, এক দলে পরিণত হয়েছে।
শেখ মুজিবকে হত্যার ষড়যন্ত্রের আগে যদি তাহের এই অনুতপ্তটা করতে পারতো,তাহলে আজ সে সত্যি বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়েই থাকতেন এতে কোনই সন্দেহ নেই। কিন্তু নিউটনের তৃতীয় সূত্রের কাছ থেকে কেউ শিক্ষা নিতেই চায় না। বিশ্বাসঘাতকতা করলে বিশ্বাসঘাতকদের শিকার হতে পারে, এটা যেন ভুলেই যায়। তাহের তার চিঠির এই উক্তি দিয়ে আবারও প্রমান করেছিল, ‘কিন্তু বিশ্বাসঘাতক ও চক্রান্তকারী জিয়া ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমাকে জনগণের সামনে হেয় করার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।’সে নিজেও জানতো না যে তাকে একদিন বলির পাঁঠা রূপে তার পরিণতি ঘটতে পারে।
আর কতদিন মানুষকে বুঝ দেবার কথা বলবেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল,তার দলের লোকেরাই। তাহলে ইতিহাস বলবে সিরাজকে হত্যা করেছিল মীরজাফরই,ব্রিটিশ বেনিয়ারা না। হ্যাঁ, ব্রিটিশরা সিরাজকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনায় মীরজাফরকে ব্যবহার করেছিল, ঠিক তেমনিভাবে একই কায়দায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরাস্ত শক্তিরাও ব্যবহার করেছিল ঐ বেইমান কিছু নেতাদেরকে, পথভ্রষ্ট বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের স্বপ্নবিলাসীদেরকে এবং এর রুপকে জন সম্মুখে বড় আকারে প্রচার করার জন্য বাকশালের অনেক নেতাকেই ঐ মসন্ত্রিসভার সদস্য করা হয়েছিল বন্ধুকের নল দেখিয়ে। এই সামান্য বিষয়টি যদি বুঝার ক্ষমতা না থাকে তাহলে রাজনৈতিক বিশ্লেষনমূলক বক্তব্য দেন কোন অধিকারে। তাই প্রথমেই বলেছিলাম,কালো চশমা পড়ে আলোতে কিছু দেখা গেলেও, অন্ধকারের কিছুই দেখা যায় না। যে অন্ধকারে এখনও আপনাদের মত অনেক লোকই পড়ে আছে। আপনিও তাদের বাহিরে নন।
http://muktimusician.picturepush.com/


You may get these images from my link
http://www3.picturepush.com/photo/a/8377421/640/vote-for-Boat/mujibshenaworldwide.jpg

Tags

SHEIKH HASINA, Prime Minister of Bangladesh


SHEIKH  HASINA

Prime Minister of Bangladesh, was born on 28 September, 1947 at Tungipara under Gopalganj district. She is the eldest of five children of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the founder of independent Bangladesh.

She graduated from the University of Dhaka in 1973. She was elected Vice President of the Students Union of Government Intermediate Girl’s College. She was a member of the students League Unit of Dhaka University and Secretary of the Students League Unit of Rokeya Hall. She actively participated in all the mass movements since her student life.
Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman along with the members of his family was martyred on the fateful night of 15 August 1975. Sheikh Hasina and her younger sister Sheikh Rehana were the only survivors as they were in West Germany at that time. Later she went to the United Kingdom from where she started her movement against the autocratic rule in 1980. Sheikh Hasina was unanimously elected President of Bangladesh Awami League in 1981 in her absence, while she was forced to live in exile in New Delhi. Ending six years in exile, she returned home finally on 17 May 1981.

In the parliamentary election held in 1986, she won three seats. She was elected Leader of the Opposition. She led the historic mass movement in 1990 and announced the constitutional formula for peaceful transfer of power through Articles 51 and 56 of the Constitution.
Following the election of 1991 Sheikh Hasina became Leader of the Opposition in the country’s Fifth Parliament, She steered all the political parties in the parliament towards changing the Presidential system into the Parliamentary one.
Sheikh Hasina created awareness among the people and waged a struggle for Non-party Caretaker Government to ensure free and fair polls. Her movement reached the peak after a non-cooperation movement in March 1996 and the provision for Non-party Caretaker Government was incorporated in the Constitution.

At the call of Sheikh Hasina a large number of people of all walks of life expressed solidarity with the movement at the ‘Janatar Mancha’. In the Parliamentary election held on 12 June 1996, Bangladesh Awami League emerged as the majority party and she assumed the office of the Prime Minister of Bangladesh on 23 June 1996. After becoming the Prime Minister, Sheikh Hasina adopted a number of pragmatic policies for overall development of the nation including poverty alleviation. During the last four years her government achieved laudable success including signing of the historic 30 year Ganges Water Sharing Treaty with India, signing of historic peace Accord on Chittagong Hill Tracts and inauguration of the Bangabandhu Bridge on the river Jamuna.

Sheikh Hasina was conferred Degree of Doctor of Law by the Boston University of the USA on 6 February 1997 and Honorary Doctor of Law by the Waseda University of Japan on 4 July 1997. She was also conferred the Honorary Doctorate of Philosophy in Liberal Arts by University of Abertay Dundee of the United Kingdom on 25 October, 1997. She was conferred Honorary Degree of Desikottama (Doctor of Literature, honoris causa) by Visva-Bharati University of West Bengal, India on 28 January 1999. She was also conferred the degree of Doctor of Laws, honoris causa, on the ground of her distinguished creative contributions in the service of society by the Australian National University on 20 October 1999. Dhaka University conferred Honorary ‘Doctor of Laws’ degree to Sheikh Hasina on 18 December, 1999 for her outstanding contribution towards peace and democracy. The World famous Catholic University of Brussels, Belgium conferred Honorary Doctorate degree (Doctor Honoris Causa) on Sheikh Hasina on 04 February, 2000 for her decisive role in establishing democracy, protecting human rights and peace. Sheikh Hasina has been conferred Honorary Doctor of Humane Letters by the Bridgeport University, USA on 5 September, 2000.

Sheikh Hasina has been awarded UNESCO’s Houphouet-Boigny Peace Prize for 1998 for her remarkable contribution to bringing peace through ending the 25 years of conflict in Chittagong Hill Tracts with political courage and statesmanship.
Prime Minister Sheikh Hasina received prestigious Pearl S. Buck Award ’99 on 9 April 2000 in recognition of her vision, courage, achievements in political, economic and humanitarian fields by Randolph Macon Women’s College of USA. The UN Food and Agriculture Organization (FAO) has been awarded the prestigious CERES’ medal to Prime Minister Sheikh Hasina in recognition to her fight against hunger on 02 August, 1999. The All India Peace Council awarded her ‘Mother Teresa Award’ in 1998. The Mahatma M K Gandhi Foundation of Oslo, Norway awarded Sheikh Hasina ‘M K Gandhi Award’ for 1998 for her contribution towards promotion of communal understanding, non violent religions harmony and growth of democracy at the level of grassroots in Bangladesh. Shei

kh Hasina was named Paul Haris Fellow by the Rotary Foundation of Rotary International. She was also given Medal of Distinction in 1996-97 and 1998-99 and Head of State Medal in 1996-97 by the International Association of Lions Clubs.
She has authored several books including “Why Are They Street Children”, “The Origin of Autocracy”, ‘Miles to Go”, “Elimination of Poverty and Some Thoughts”, “People and Democracy”, “My Dream My Struggle” and “Development for the Masses.” She performed holy Hajj and Umrah several times.
Sheikh Hasina is the Chairperson of “The Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Memorial Trust”. She has been helping a lot of poor boys and girls for their education.
Prime Minister Sheikh Hasina, throughout her life has been a strong proponent of peace, freedom and democracy. From an early age, inspired by the lofty ideals and love for the people of her father, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the liberator of Bangladesh, she developed a strong sense of identity for the common people. She always spoke out against oppression and violation of human rights. This commitment has hardened over the years, particularly when her parents, brothers and scores of relatives were brutally assassinated by the misguided members of the military in 1975 soon after the independence of Bangladesh.
Since that time her resolve for democracy and development for the teeming millions of Bangladesh has become firmly entrenched. She struggled for the return of democracy in Bangladesh and fought valiantly for its establishment in the country in every possible manner. She was committed to making Parliament the centre of all national activities.
In 1996, the people of Bangladesh gave her a strong mandate as the Prime Minister of the country. Despite serious resource and constraints and recurrent natural calamity as well as widespread poverty, Prime Minister Sheikh Hasina, during the first two years of her government, has lived up to her unswerving commitment to the cause of peace, democracy, development and human rights.
Her first act of peace within months of her assumption of office was the initiative for resolution of the long-standing water-sharing dispute with India through a 30-years treaty. This put an end to a very complex regional dispute. Her visionary idea of a business summit among the political and private sector leaders of Bangladesh, India and Pakistan has added a new chapter in the history of South Asia.
Her dedicated leadership also made possible a peace agreement in the Chittagong Hill Tracts, thereby solving the 23-year old insurgency in the Hill districts of Bangladesh. This peace accord brought an area inhabited by nearly 5 million people out of violence and into a time of peace and development. Though the international media has not given much prominence to this accord, it is uniquely remarkable because the peace accord benefited such a large number of people and the whole area has been brought under development programs following the complete surrender of arms by the insurgents.
Her quest for peace has taken her to India and Pakistan to talk to the leaders of these two countries soon after the nuclear test urging reduction of tension in the region.
Prime Minister Hasina has been a strong advocate for the Culture of Peace at global, regional and national levels. In many major conferences, she espoused the concept of the Culture of Peace, most recently in South Africa at the 12th Summit of the Non-Aligned Movement (NAM) which has a membership of 114 countries. Her initiative has resulted in the first-ever resolution by the Plenary of the United Nations General Assembly on the Culture of Peace. She also provided leadership for the declaration by the UN of the period 2001 to 2010 as the International Decade for Culture of Peace and Non-Violence for the Children of the World.
Prime Minister Hasina’s determination for the eradication of poverty, in particular through wide-ranging microcredit programmes, has been recognized world-wide. Her co-chairpersonship of the Microcredit Summit in February 1997 which resolved to bring 100 million families of the world out of poverty by 2005 focused world attention to her strong commitment to the eradication of poverty and enlistment of the poorest of the poor. She has been a champion of microcredit by spreading the message in major international forums. Her leadership led to the adoption for the first time by UN General Assembly a far-reaching resolution on the role of microcredit in the eradication of poverty.
Along with poverty eradication, she has focused on the empowerment of women and has successfully completed legislation to ensure adequate representation of women in the local government bodies, leading to the election of more than 14,000 women to these bodies in 1997. She has taken major initiatives to stop violence against women and children.
She has also provided leadership in the field of education, particularly for the education of girls in her own country as well as advocating it for global support. Her government has greatly enhanced budgetary allocation for primary education focusing on girls’ education.
To improve the quality of life of the people of Bangladesh, Prime Minister Sheikh Hasina has particularly focused on human development, paying special attention to healthcare, family planning, nutrition, women’s rights and survival and development of children. At the UN and other forums, she has been a major voice in support of the cause of children and their rights.
Prime Minister Sheikh Hasina has, all along her life, defended human rights in every possible way. Her active promotion of the rights of women and children has drawn appreciation by both government and NGOs as well as international organizations. She has promoted the right to development as having centrality in the human rights regime. At the NAM Summit in South Africa in 1998, her proposal for a Convention on the Right to Development received welcoming endorsement of the Heads of State and Government. She initiated the establishment of a National Human Rights Commission and the office of Ombudsperson as well as Bangladesh’s recent accession to six major human rights instruments including the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights.
Her keen interest resulted in the signature by Bangladesh of the Statute for the International Criminal Court (ICC) and ratification of the Landmines Treaty, being the first country in South Asia to do so.
Prime Minister Sheikh Hasina’s initiative resulted in the hosting of the first-ever conference of the Asian parliamentarians devoted to peace and cooperation in Dhaka in September 1999 which elected her as the first President of the Association of Asian Parliaments for peace established at the conference.
At present, as someone who has lost so much personally and has been a victim of oppression and denial of freedom, Prime Minister Sheikh Hasina stands out as a messenger of peace, democracy, development and human rights. Her leadership of the eighth largest country of the world manifests her concern for the people, seen again during the worst-ever floods in Bangladesh in 1998.

 1. Sheikh Hasina is the recipient of the UNESCO Houphouet-Boigny Peace

Prize for 1998 for her role in bringing peace in the Chittagong Hill Tracts region of Bangladesh.

2. Sheikh Hasina has been awarded the Mahatma Gandhi Award for 19

98 (Oslo, Norway) for her contribution towards promotion of communal understanding, non-violence, religious harmony and growth of grassroots democracy in Bangladesh.
3. She has been awarded 1999 CERES Medal for contribution to the agriculture development by the Food and Agriculture Organization of the United Nations, Rome.
4. She is the winner of the 1999 Pearl S. Buck Award for “your vision, your courage and your achievements in political, economic and humanitarian spheres capture the spirit of the award and of the woman who inspired it.”
5. She has been awarded honorary Doctor of Liberal Arts by the University of Alberta Dundee in the United Kingdom in October 1997.
6. She has been conferred honorary Doctor of Laws by the Boston University in the United States and the Waseda University of Japan.
7. She has been conferred the degree of Desikottama (Doctor of Literature) by the Visva-Bharati University, India founded by Nobel Laureate Rabindranath Tagore.
8. She has been conferred honorary Doctor of Laws by t

he Australian National University in October 1999.
9. Prime Minister Sheikh Hasina has been conferred honorary Doctor of Laws by Dhaka University in December 1999.
10. She has been conferred honorary Doctor of Laws by the Catholic University of Brussels in February 2000.
11. Prime Minister Sheikh Hasina has been conferred by the honorary Doctor of Humane Letters for her contribution to world peace and development by the University of Bridgeport, Connecticut in the United States on 5 September 2000.
12. Under her leadership her party Bangladesh Awami League led grand alliance to win a landslide victory in the 9th Parliament Election on December 29, 2008 with 262 seats out of 299 in the National Parliament.
13. Sheikh Hasina took oath as Prime Minister of Bangladesh at a ceremony held at Banghabhaban on January 06, 2009.
14. Sheikh Hasina is married having one son and one daughter.

A Balance Sheet of Prosperity During Awami League’s Five Years (1996-2000): Comparative Analysis with BNP’s Five Years (1991-1995)

A Balance Sheet of Prosperity During Awami League’s Five Years (1996-2000): Comparative Analysis with BNP’s Five Years (1991-1995) Department of Information & Research Bangladesh Awami League A Balance Sheet of Prosperity During Awami League’s Five Years (1996-2000): Comparative Analysis with BNP’s Five Years (1991-1995) Published by Nooh-Ul-Alam Lenin Secretary, Department of Information & Research Bangladesh Awami League 23 Bangabandhu Avenue, Dhaka-1000 Index PROLOGUE AND OVERVIEW ……………………………………………………………………………………….1 IF BANGABANDHU WERE ALIVE WHAT COULD BE THE FACE OF BANGLADESH TODAY …………………………………………………………………………………………………3 FIVE YEARS OF AWAMI LEAGUE (1996-2000)……………………………………………………………..5 COMPARATIVE ANALYSIS…………………………………………………………………………………………..6 1. PER CAPITA NATIONAL INCOME …………………………………………………………………….6 2. EXPORT ……………………………………………………………………………………………………….7 3. IMPORT FROM INDIA…………………………………………………………………………………………8 4. FOREIGN DIRECT INVESTMENT ……………………………………………………………………..10 5. RICE PRODUCTION – AGRICULTURE ……………………………………………………………..11 6. RURAL ELECTRIFICATION………………………………………………………………………………13 7. POVERTY ALLEVIATION …………………………………………………………………………………14 8. HUMAN RESOURCE DEVELOPMENT – EDUCATION………………………………………16 9. HUMAN RESOURCE DEVELOPMENT – HEALTH…………………………………………….18 10. INFRASTRUCTURE: ROAD, RAILWAYS AND TELEPHONE…………………………….22 11. INFORMATION TECHNOLOGY ………………………………………………………………………..26 12 OTHER ACHIEVEMENTS IN BRIEF…………………………………………………………………..27 1. Indo Bangladesh Ganges Water Treaty ………………………………………………………..27 2. Hill Tracts Peace Treaty……………………………………………………………………………..27 3. Bangabandhu Bridge………………………………………………………………………………….27 4. Rehabilitation of the Landless People…………………………………………………………..27 5. Empowerment of Women…………………………………………………………………………..27 6. Local Government …………………………………………………………………………………….28 7. Commencement of Private Television Channels……………………………………………28 8. Rural Social Service…………………………………………………………………………………..28 9. Law and Order and Public Security……………………………………………………………..29 10. Defense ……………………………………………………………………………………………………29 11. Development of Tourism Industries …………………………………………………………….29 12. Religious Freedom and Tolerance ……………………………………………………………….30 13. International Mother Language Day…………………………………………………………….30 14. Improvement of Image of Bangladesh in International Arena …………………………30 List of Figures Gross National Product (GNP), million US dollar: 1972-2001………………………………………….3 Per Capita GNP (US dollar): 1973-2001 ………………………………………………………………………..4 Per Capita PPP (US dollar): 1972-2001………………………………………………………………………….4 Per Capita GNP (US dollar): 1973-2000 ………………………………………………………………………..6 Export (million US dollar): 1988-2000…………………………………………………………………………..7 Imports from India (million US dollar): 1982-2000…………………………………………………………8 Imports from India (As percentage of total imports): 1982-1999……………………………………….9 Foreign Direct Investment (million US dollar): 1972-1998 …………………………………………….10 Rice Production (metric tonnes in million): 1971-2001 ………………………………………………….11 Agricultural Loan Disbursement (million taka): 1991-1999 ……………………………………………11 Electricity Production (Giga Watt/hour): 1971-2000 ……………………………………………………..13 Poverty: 1991-2000……………………………………………………………………………………………………14 Extreme Poverty: 1991-2000 ………………………………………………………………………………………14Students (boys & girls) Enrolment in Primary Level (million): 1991-2000……………………….16 Student (Girls) Enrolment (million): 1991-2000 ……………………………………………………………16 Per Capita Budget in Education Sector (Taka): 1991-2000……………………………………………..17 Budget Allocation in Education Sector (million Taka): 1991-2001………………………………….17 Crude Birth Rate (per thousand persons): 1991-2000 …………………………………………………….18 Crude Death Rate (per thousand persons): 1991-2000……………………………………………………18 Infant Death Rate (per thousand live birth): 1991-2000………………………………………………….19 Longevity: 1991-2000………………………………………………………………………………………………..19 A doctor for how many persons: 1991-2000 …………………………………………………………………20 Per Capita Budget Allocation in Health Sector (Taka): 1991-2000 ………………………………….20 Budget Allocation in Health Sector (million Taka): 1991-2000 ………………………………………21 Total Highways (Kilometer): 1991-2000………………………………………………………………………22 Total Railways (Kilometer): 1991-2000……………………………………………………………………….22 Number of Telephones (BTTB) 1991-2000 ………………………………………………………………….23 Number or NWD Circuits: 1991-2000 …………………………………………………………………………24 Number or Overseas Circuits: 1991-2000 …………………………………………………………………….24 Price and Number of Mobile phone: Final year of BNP and Awami League …………………….25 PROLOGUE AND OVERVIEW History of Awami League, the largest and oldest political party of the people of this country is the history of struggles and movements. As a matter of fact, history of Awami League – is the history of self-determination and emancipation for creating a healthy, conscious and prosperous people under the leadership of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the greatest Bangalee in a thousand years. Though the age of this political party is 55 years it had been in power for only 9 years. Awami league was in power for the first time only for 4 years (1972-75) and was involved in reconstruction of this devastated country after Bangladesh Liberation War of 1971, and later on during 1996-2001 when this country was both economically and politically in crisis because of after-effects of killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman on 15th August in 1975 that resulted in misrule and misdeeds of autocrats. Both of the Awami League regimes had to start governance activities to reconstruct this country (both economically and politically) from the very beginning. In both of the Awami League periods it has played a unique role to reconstruct Bangladesh as a welfare state by synthesizing thoughts and political sagacity. The party achieved total trust and faith of common people as the largest political party of Bangladesh. After three decades of Bangladesh Liberation War, we are experiencing misrule of BNP-Jamaat alliance Thug Government. The anti-Liberation forces have declared open War against the pro-Liberation forces that is why there should be such tyrannies-tortures on pro-Liberation forces, why common people along with their families are facing hardships and sufferings, or why common people including religious minorities and indigenous peoples are facing such persecutions, and why pro-Pakistani forces are indulging in violence and terrorism? Why black money and muscle power are competing with each other? Side by side there is constant Goeblesian propaganda in favor of the misdeeds by capturing all the publicity media. Because of all these backgrounds to day Bangladesh Awami League thinks it is high time to expose some of the stark facts to the greater masses of the people of Bangladesh as truth is the birth right (which has been recognized/ in our sacred Constitution) of the people. People of this country want to know (which is their birth right), if the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman were alive to day, what would be the over all situation of Bangladesh? They also want to know the comparative position of the major changes effected in socio-economic and political aspects during the Awami League regime (1996-2000) in comparison to BNP regime (1991-1995). What would be the real face of Bangladesh if our great National leader Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman were alive to day? The answer to this historically important question is not that very easy. But to draw some scientific inferences about tentative answer to this question, concerned researchers on the subject have used Malaysia as a model because of two prime reasons: 1 Malaysia is an ideal model for economic progress achieved by patriotic leadership. 2 In 1972 G.N.P of Malaysia and Bangladesh was of similar level. After the killing of Bangabandhu, Awami League had to wait for 21 years (1975-96) to be involved in the governance of Bangladesh. During this period autocracy was firmly established, many achievements of Liberation War were destroyed in a planned way; democracy has been almost extinct after mixing ultra nationalism with religious fundamentalism. As a consequence of the protracted struggle, people of Bangladesh gave a verdict in favor of Awami League to lead the nation during June 1996 to July 2001 through a free and fair election. We are putting forward, an account of the socio-economic achievements of Awami League government under the leadership of Sheikh Hasina imbued with ideas of Liberation War and Bangabandhu in comparison to the immediate past Khaleda Zia’s government (1991-1995). Avoiding extensive description, rather on the basis of real facts and figures, a comparative analysis has been drawn up through graphs and tables in this booklet. It is expected that it will be easily comprehensible and acceptable to all levels of readers. Several prominent economists, and researchers were involved in compiling the booklet. Ex-Prime Minister and Awami League President Sheikh Hasina has enriched this book with her valuable advice and guidance. Awami League Information and Research Division is grateful to all those who are related to this intelligent and creative publication. It may be mentioned that, Awami League Information and Research Division published the book “Five years of Awami League led by Sheikh Hasina: Glorious success and new horizons of possibility” describing activities to complement the book “Five years of Awami League: A Balance Sheet of Development”. Enthusiastic readers will be benefited if they read this booklet as a complementary to other publications. Needless to mention that all facts and figures used in this booklet either have been taken from published sources of Bangladesh Government or International Organizations. Sources related to the Government of Bangladesh are Bangladesh Bureau of Statistics, Finance Ministry, Bangladesh Bank, Planning Ministry. Sources of information from the International Organizations are World Bank, UNDP, ADB etc. Information of Government Budget relate to the fiscal year such as for 1991 –1992 (July to June). For a graphical comparative analysis, we have indicated a fiscal year by mentioning a single year in this booklet for convenience as in the scale of 1991. Same system has been applied for all other fiscal years. Though in 1972 Net National Income of Bangladesh and Malaysia was equal, nevertheless because of larger population of Bangladesh per capita national income of Bangladesh was lower than that of Malaysia; in Bangladesh it was US$ 120 and it was US$ 430 for Malaysia. In 2001, in the absence of Bangabandhu, per capita National Income of Bangladesh was US$ 370 and in Malaysia it was US$ 3,540. But if Bangabandhu were alive to day then those socio-economic policies could be implemented and the per capita income of Bangladesh might have been US$ 2,000 which is US$ 1,630 more than that of to day’s per Capita Income of Bangladesh. So from the point of view of per capita income, it is certain that Bangladesh might have been a country of medium income level rather than a poor country. So Bangabandhu was killed to perpetuate Bangladesh as a country without importance and 200,000 150,000 100,000 50,000 0 respect. Percapita GNP (US dollar): 1972-2001 4000 3000 2000 2000 1000 To measure the economic position of a country, the best way is by per capita real national income (real per capita Income means, buying capability of goods and services with such income). In 1972 both Bangladesh and Malaysia were in same position on the basis of real per capita national income that is US$ 280. To day real per capita income of Bangladesh is US$ 1,720 and for Malaysia it is US$ 8,280 that is five times larger than that of Bangladesh. But it could have been US$ 10,200, which is higher than that of Malaysia. Many might be thinking it is unbelievable because of ignorance and lack of information about those steps taken by Great National Leader Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman such as follows: 1 Agrarian reform (including land reform) 2 Industrial development 3 Priority given to human development sectors including education and health 4 Large scale electrification 5 Infrastructure development 6 Development of social sectors 7 Price stabilization of daily essentials 8 Balanced and well-developed strategy of international trade policy. Percapita PPP (US dollar): 1972-2001 1972 1975 2001 Most important issue is that with development strategy of Bangabandhu income difference between Bangladesh and Malaysia could be much less (because of more balanced income distribution, there might have been smaller gap between the rich and the poor). Five years of Awami League Government (1996-2000) There is no doubt about it that within five years time, Awami League Govt. achieved a large scale development in social, economic and political policies under the able leadership of Bangabandhu’s daughter Shaikh Hasina. To explain the related matters objectively out of many sectors and sub-sectors, the trades of only 11 sectors of growth have been taken up to compare with five years period of regime of Khalada Zia (1991-1995) by graph/chart. At the same time, the main causal factors behind the improvement have been noted as follows: Per capita net national Income Export Import FDI Rice Production: Agriculture Rural Electrification Poverty reduction Human Resource Development: Education Human Resource Development: Health Infrastructural Development (Highways, Railways, Telephone) Information Technology Apart from this, another 14 issues pertinent to socio-economic and political strategy of Awami League government have been described as “maximum achievement within short span of time” which reflects the strong will of the Government of and party President Sheikh Hasina. 1 Indo-Bangla Treaty on Ganges Water 2 Hill Tract Peace Treaty 3 Bangabandhu Bridge 4 Rehabilitation of Landless People 5 Women Empowerment 6 Local Government 7 Private TV Channel 8 Rural Social Services 9 Law and Order and Public Security 10 Defense 11 Growth of Tourism Industries 12 Religious Fellow Feelings 13 International Mother Language Day 14 Improvement of image of Bangladesh in International Arena What are the reasons for such substantial rise in rice production? 1 More importance was given to the farm and farmer, which are the life blood of Bangladesh. 2 Restart of subsidy on agricultural goods and commodities. 3 Expansionist policy taken in agricultural sector (against the will of the donors pressure). 4 Expansion of more farmland within the irrigation facilities. 5 Maximum expansion of electrified-irrigation system. 6 Priority assigned to ensure timely and adequate fertilizer supply, and to mitigate demand for fertilizer at Upazila level and reach farmers. 7 Agricultural loan extension and to make them available to the farmers. 8 Encouragement given to innovate high-breed seed. 9 Relevant activities for diversification of crop production and its accomplishment. 10 Implementation of “one house-one farm” policy. 11 Setting up of agricultural commission and immediate steps to realize commission’s recommendations. 12 Updating and reformation of different relevant laws. 13 Strengthening of “Water management wing” for proper utilization of water resources. 14 Fruitful result from Water Sharing Treaty with India. 7. POVERTY ALLEVIATION Comparative view: Absolute poor (those who get less than 2,122 kilo calories of food per day): When BNP came to power in 1991, the number of absolute poor was 47.52% of the population. At the end of BNP regime in 1995 (last year of BNP) absolute poverty was 47.53% which implies no improvement of poverty situation during BNP regime. 1 When in 1996 Awami League came to power through free and fair election, they took measures to reduce poverty to 44.33% a decline of 3.2% points. From the point of view of calorie in-take also, poverty level reduced during Awami League period. This ensured improved health conditions of the Awami League Why the number of poor people reduced during Awami League time as compared to the period of BNP regime? Highest effort was made to keep the price level of consumer goods within the reach of common people. Record rice production during Awami League period. Introduction of old people’s pension scheme as safety net. Allowance for widow and vulnerable women as safety net. Special financial benefits to the “Mukti Joddha” as safety net. “Kormo Sangsthan” Bank was launched. 2 Rehabilitation fund was introduced. 3 Implementation of Ashrayan (rehabilitation) project. Strengthening all 4 compo nent 5 A Balance Sheet of Prosperity During Awami League’s Five Years (1996-2000) What are the reasons for more Railways and Highways constructed during Awami League period compared to BNP period? Accepting the important role of Infrastructural Development, Awami League provided additional budget allocation for transportation and communication sector. During BNP rule the budget allocation was Tk.91,402 million (per year Tk.18,244 million on an average). Compared to this, Awami League Government increased allocation to Tk.1,55,707 million (per year Tk.31,141.4 million on an average). Fulfillment of election manifesto by Awami League. Arrangement for Bangladeshi people to move from one end to another end of the country within a short span of time by development of faster communication system. Efforts to join 64 districts of Bangladesh with the capital city of Dhaka by roads and Comparative view: Telephone Telecommunication system is the medium of evolution of modern civilization. been a matter of regret that BNP Government did not put emphasis on this. So when in 1991, BNP came to power the total number of telephone lines was 2,53,863 and after five years they added only 1,14,906 new lines. So at the end of BNP Govt. total Telephone line stood at 3,68,769. On the other hand, Awami League govt in their five years time connected people with new 2,48,429 lines, that is more than two times of BNP’s govt. Therefore, at the end of Awami League’s governance the total number of telephone lines reached the mark of Number of Telephone (BTTB): 1991-2000 BNP Awami League In NWD telecommunication sector, Awami League government’s contribution was extraordinary. At the last year of BNP Govt. total NWD circuits were 11,151. But Awami League brought it to 22,770 in their last year. Besides this, Awami League government reduced the tax on NWD from level 5th to level 3rd by the 1st July, 2001. Awami League reduced tax in the sector to the range of 13.4% – 36%. highways. 6,88,920 lines. But it has people. In 1996 when Awami League just came to power, there were only 2,000 mobile telephone connections, each of which cost more than Tk.1,00,000. On the other side, in 2000, number of mobile phones stood at 7,00,000 and the price of those phones were in the range of Tk.7,000-10,000. Price and number of mobile phone Price of each mobile set (Tk.) Number of mobile sets Final year of BNP (1996) 2,000 pcs Tk 100,000 Final year of Awami League (2000) Tk 10,000 What are the main reasons for this significant development in the Telecommunication Sector? 1 Telecommunications sector was given preference in Development Budget by Awami League. 2 Stopped the monopoly business and assured competitive business market so that both mobile and land phone could come within the buying capacity of common people. 3 Strong belief of Awami League that economy of the country has to be taken to the path of welfare. 4 Avoid unnecessary complexity of communications. 11. INFORMATION TECHNOLOGY Comparative view: IT in communication sector has opened up the gate of revolutionary changes all over the world but because of obsolete policy of BNP govt. (1991-1995) and to serve vested interest groups, IT sector failed to develop as the mobile phone business was monopolized by a BNP leader. But Awami League Government initiated a far reaching policy. As a result there are now hundreds of cyber cafes all over Bangladesh. Through these cyber cafes or internet facilities, our students are having lots of information within a short time and at a cheap price. During Awami League period government permitted 40 private internet providers to operate. This was simply unthinkable under BNP regime. Since 1997-98 Awami League government exempted tax on import of computer and computer related accessories that resulted in a revolutionary prospect in IT sector in the country. So while during BNP period a computer was worth Tk.200,000, the same is available now for only Tk.30,000. As a result, customers of computer have also gone up. Now all over Bangladesh 1,80,000 computers are being sold in a year, whereas, the same was only 10,000 per year during BNP period. At the same time, number of computer sale shops also rose from 50 in 1996 (when Awami League came to power) to 1,500 during the last year of Awami League in power. This is an unprecedented success of Awami League in the IT sector. Apart from this to ensure revolutionary change in IT area Awami League government permitted private operators to establish V-SAT under Bangladesh Telephone and Telegraphic Board to expand the data entry and software export market. As a result, data entry and export markets of software have expanded. It is the Awami League government who took the steps to set up IT village. This improvement of IT expedited the business communication and because of this type of technological development, national income of our country climbed up and higher growth rate of GDP was achieved. Expansion of IT sector by Awami League government has led several hundreds of thousands young people to science and technology of external world and this step has created their employment opportunity both in Bangladesh and abroad by increasing professionalism. This is a unique example of patriotic and farsighted leadership of Awami League. How this revolutionary development happened in IT sector? 1 BNP government did not even think of exemption of sales tax and duty on computer and related accessories, such as, software, computer parts etc. 2 To encourage investment in software industry, Awami League government gave a budget allocation of Tk.1,000 million in 2001-02 fiscal year. 3 Far reaching efforts by Awami League to take Bangladesh to the modern world of science, knowledge and technology. 4 To consider IT sector as a way of removing poverty in Bangladesh. 12. OTHER ACHIEVEMENTS IN BRIEF. Indo-Bangla Ganges Water Treaty: Water Treaty for 30 years signed on December 12, 1996 between India and Bangladesh was a unique achievement in the history of Bangladesh. This treaty has improved the prospects of the shrunken occupation of almost 40 million people. By starting the project of “Ganga-Kopotakkha” irrigation in 1997 almost 25,000 hectors of land again came under cultivation under “KHARIF 01” season. After such developments prospect has brightened up to bring 75,000 hectors of land under cultivation as an impact of this treaty. In addition, as a result of this treaty salinity of water will be avoided; world’s largest mangrove forest Sundarban’s bio-diversity will be saved (Royal Bengal tiger and Hogla plants will be conserved). As because of a long term treaty there is a possibility to build “Ganga Barrage”. This is the result of the far-sighted policy during Awami League period. 1 Chittagong Hill Tracts Peace Treaty: 2nd December 1997 is a memorable day in the history of Bangladesh. On that day Awami League government executed the Hill Tracts Peace Treaty that ended the confrontation between Bengali and hilly people after a troubled period of two decades. This is a unique document of recognition of indigenous peoples. This is a unique model of national integration. This treaty not only stops the conflict, it also reduces the military expenditure and death of common people. Because of this treaty now Bangladesh is able to prospect both mineral and forest resources which are likely to play a far reaching effect on the economy of the country. 2 Bangabadhu Bridge: World’s 11th largest bridge, Bangabandhu Bridge is a land mark in the history of communication system of the country. By constructing the bridge on the Jamuna, Awami League has fulfilled their election manifesto, promised by the Father of the Nation, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman in 1970. This Bridge has aroused the will to live in the “Monga” affected people of northern Bangladesh. This Bridge has made economy of Bangladesh a total unified national economy. This Bridge has created a bondage among people of the country. 3 Rehabilitation of Landless People: Civilization of Bangladesh is based on land. This land is the wealth of dreamland of the people. River erosion and landlessness have blocked the progress of the people. Bangabandhu first realized this and initiated the project named “ADORSHA GRAM” (Ideal Village). But after the killing of Bangabandhu, this project was stopped. In 1996 when Awami League gained power for the second time, Awami League rehabilitated 12,526 landless families. In this direction “GHARE FERA” (Returning Home) deserves special mention. 5. Empowerment of Women: From time immemorial, Bangladeshi women have been vulnerable and deprived – in a real sense backward. So for their socio-economic and political development Awami League government in their 5 years period took various initiatives under “Women Development Programme”. As a result, At present every union council has 3 union council female members who are elected directly by people’s vote. That happened for the first time in Bangladesh. Under the banner “Landless Women Development Project” 1,58,644 women got the financial and food assistance along with sustainable job-oriented training during 5 years (1996-2000). Under the VGD project 50,000 women received assistance during Awami League period. 06. Local government: Bangabandhu in his first “Five Year Plan (1973-78)” declared establishment and development of human welfare-orientated local government as a special object. Since then this concept has been accepted as a means to eradicate poverty. Even the people’s welfare-orientated local government as a basis for good governance was included in the First Five Year Plan as an objective. As a continuation of the spirit of Bangabandhu’s First Five Year Plan, remarkable achievements attained during Hasina’s governance were: Formulation of law to ascertain people’s empowerment through 4 level local government system. Construction of Union Council Complex Building as “One Stop Service Center” was undertaken. As a result of government officials of the union council working in the same building, the villagers would get prompt service. At the same time, there would be greater coordination among them. Cost of services is less under this arrangement. Union based “Growth Centers” where women entrepreneurs would be allotted shops. To extend urban facilities to rural areas. Law was passed for women to be elected by direct vote. 4 Commencement of Private Television Channels: Mass media is a key vehicle for development of democracy. For the first time in Bangladesh Awami League government allowed private TV Channels that have advanced democracy in our country. This way people of Bangladesh got the democratic right to information, and this ensured Constitutional obligation of freedom of information. But just after coming to power BNP-Jamaat thug coalition banned the popular TV channel “EKUSHE TV”. 5 Rural Social Service: In 1974 Bangabandhu started the “Rural Social Service Project”. Its importance in socio-economic development of Bangladesh is undeniable. During Awami League period, this was extended to 461 Upazilas. By 1999 Awami League government brought 2 million people under this project, and Tk.110 million was disbursed to develop their socio economic condition. 6 Law and Order and Public Security: Main features of post-1975 period are absence of democracy, autocratic and dictatorial rule, pervasive poverty, contraction in employment opportunities etc. As a result, law and order situation deteriorated in the country. Peaceful life was disrupted and terrorism took roots in the society – in a way, peaceful economic, social and political environments conducive to development were totally disrupted. In such an environment, Awami League formed government with the verdict of the people on 23rd June 1996. To restore law and order situation, to allow people to sleep in peace, to create an environment conducive to investment, to control terrorism with an iron hand – Awami League government had to take tough steps. Among them major steps taken were: 5,000 new posts were created to make Bangladesh police modern and dynamic. Steps were taken to create community police; 36 enquiry centers over and above 47 existing centers were set up for making police more effective and for making quick enquiries of the cases; 6 more new Police stations were set up; security measures were tightened to contain terrorism in the southern part of the country; budget allocations were increased for modernizing and developing Police forces; system of honorarium was introduced for the Police while involved in risky jobs; welfare trust was created for police; allowance for Ansars was raised by 20%; Ansars working for 15 years were absorbed permanently; ration of the police forces was doubled; 25 police camps were set up and 14,680 constables were recruited. In the educational centers, fight for capturing student dormitories was stopped by eradicating terrorism. As a result of all these, peace was restored in the campus and session jam could be avoided. 7 Defense: Autocratic rulers and dictators have always used the army of Bangladesh for their own ambition. They have always tried to subdue and persecute the common people by the well-established army that are supposed to protect this country from external invasion. Only Awami League government kept the army above political influence and tried to modernize the army with logistic support and arranged for strategic training to enable them to protect sovereignty of Bangladesh. At the same time, Awami League government extended facilities to Army, Navy, Air force, Bangladesh Rifles, Police and ANSAR. National Defense College, Autonomous Science and Technological Education Center, Army Medical College, and a Bank for Defense Forces were established. Arrangements were made for higher education and training of Bangladesh Army. Efforts were made to equip Bangladesh Rifles with modern resources and technology. 539 Km unprotected border of Bangladesh was brought under a project by Awami League government. Under this project in phases, 1 border port, 4 sectors, 20 rifle battalions, and one riverine battalion were established. On-going activities of Bangladesh army in UN Peace Keeping Forces have improved the image of the country for their praise worthy role in international sphere. 11. Development of Tourism Industry: Tourism Industry is one of the promising industries of our country. Because of lack of proper planning in this sector foreign tourists are not yet attracted to visit historical places of Bangladesh. Awami League government took various steps to develop Tourism Industry. As a result, tourism industry is growing gradually in Bangladesh. In 1996 total number of tourists visited Bangladesh was 1,65,887. In 1997, it increased to 1,82,420. In the subsequent years, the flow of tourists from abroad continued unabated. In 1999 Bangladesh earned Tk.2,450 million in foreign exchange from this sector. 8 Religious Freedom and Tolerance: Traditionally, for Bangladeshi people, religious feelings and compassions are instinctive. So Awami League government took important projects like IMAM training center and, permanent HAZI Camp for muslims. Vested Property Act was repealed. Religious Trust was formed for the followers of Buddhism. On a regular basis, donations were given in various religious festivals like EID, PUZA, BUDDHA PURNIMA etc. 9 International Mother Language Day: In 1974, with Bangabandhu’s speech in Bengali in the United Nations General Assembly, the process for establishment of Bengali language in international sphere commenced. Due to immense far-sightedness and tireless efforts of people’s leader, Sheikh Hasina, Bengali Language has acquired the status of International Mother Language Day as per UN resolution. 14. Elevation of Image of Bangladesh in International Arena: Image of Bangladesh was established in the comity of Nations, through the War of Liberation under the great leadership of the Father of the Nation. Following the killing of Bangabandhu, the image was shattered. Autocratic rule over the nation, exploitation, misrule, bad governance, extreme religious communalism and divisive policy have steadily deteriorated our image. During the Awami League Government of five years, all-out efforts were made to salvage the image of Bangladesh in the international arena through economic, social and diplomatic efforts which were recognized all over the world. Amongst these, the following are worth mentioning: Acquiring temporary membership by Bangladesh in UN Security Council. Acquiring the status of Coordinator and spokes person of Least Developing Countries. Formation of BIMESTEC for regional economic cooperation. Active role of Bangladesh in diffusing tension created following detonation of nuclear bomb by India and Pakistan. Leadership of Bangladesh in SAARC. Active role of Bangladesh in OIC and Commonwealth and increased role of these organizations in development of the member states. Bangladesh was the first country in South Asia to sign CTBT to stop spread of nuclear weapons. 2nd D-8 Summit, UN Millennium Summit and Tri-National Trade Summit were held in Dhaka. Visit of Bangladesh by important international leaders, such as, Nelson Mandela, Yasir Arafat, Solomon Demriel. UNESCO Peace Award and Seres Award of World Food Programme for Prime Minister Sheikh Hasina for signing Hill Tracts Peace Treaty and historical Ganges Water Treaty with India, unprecedented progress in agriculture, human rights and peace establishment, institutionalization of democracy, establishment of Human Rights and Peace, and Poverty Alleviation. Bangladesh was honored through Sheikh Hasina as the Prime Minister of Bangladesh by various International Fora. To overcome the devastating 1998 flood successfully (even then the economic growth was 4.9% and production of food grains was 21.8 million metric tonnes during the year of devastating flood). Preparation for NAM Summit that was supposed to be held in Dhaka in 2001 was almost completed by Awami League Government. But BNP-Jamaat thug coalition by canceling the Summit damaged the honour, glory and image of Bangladesh that was built up by Awami League with so much efforts. Even after not being in the Government, Awami League leader Sheikh Hasina was invited as a Special Honorable Guest to deliver her speech on poverty alleviation in G-8 Summit ‘Outreach Conference’’. The economic, political and social criminalisation including the misrule, exploitation, misdeeds and bad governance of “BNP-Jamaat Thug” coalition government have exceeded all limits. The dangerous reality is that during BNP-Jamaat coalition even the state is playing role in further promoting criminalisation. BNP-Jamaat thug coalition government who are opposed to the spirit of Liberation War are now distorting the history of Independence of this country as per their pre-planned machinations. They have distorted the history of Declaration of War of Independence. If time permits, they are hell bound to change the national anthem and national flag. BNP-Jamaat coalition Government is not only incapable of maintaining the total achievements of Awami League Government, but also they are unsuccessful to run the state activities. As long as they are in power, their failure will increase leaps and bounds and country, countrymen and state interest will be hampered all the more. All positive possibilities of the state will be jeopardized. The only objective of BNP- Jamaat Thug alliance is to turn Bangladesh into an inoperative and failed state, to take revenge of the defeat during Liberation War. But Bangladesh of Bangabandhu can not be like this. Bengalees are a Brave Nation. People of Bangladesh will not accept this position. So today is the time for all secular democratic forces, irrespective of their party affiliations, be imbued with the spirit of Liberation War, to oust the unpatriotic BNP-Jamaat coalition. We have to put an end to the darkness, devoid of any sense of direction. We have to bring smiles to the face of the suffering masses by ensuring march of Bangladesh to the path of bright future and progress. It is neither a theory nor a flurry of verbosity. In this balance sheet, efforts have been made to compare the prosperity achieved during Awami League (1996-2000) period under the leadership of Sheikh Hasina as compared to the five years of BNP (1991-1995). Novelty of the booklet is that in the first chapter, it has been discussed “What could be the face of Bangladesh if `Bangabandhu’ were alive?” A very interesting idea has been propounded in this chapter. After going through the chapter the reader will not have to take recourse to imagination. From the statistics and analysis anyone can come to the conclusion that Awami League did not only bring about freedom to the dear motherland but also laid socio-political economic foundation for a prosperous and developed Bangladesh.

সন্দ্বীপে ১০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম ও ২০ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ জনগণের দল, জনগণের জন্য কাজ করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য: খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের জন্য চোখের পানি ফেলছেন: বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০১৩ সাল নাগাদ ৭ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার কাজ চলছে:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সন্দ্বীপে ১০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম ও ২০ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া সাধারণ মানুষকে ভাল না বেসে যুদ্ধাপরাধীদের জন্য চোখের পানি ফেলছেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের নেত্রী দেশ ও জনগণের জন্য কাজ না করে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেন, একাত্তরের ঘাতকদের বিচার এ দেশের মাটিতে অবশ্যই হবে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল বিকেলে সরকারি হাজী এ বি কলেজ সংলগ্ন মাঠে এক বিশাল জনসভায় বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন। ’আওয়ামী লীগ জনগণের দল। জনগণের জন্য কাজ করাই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য’- একথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে সন্দ্বীপের লোকেরা আওয়ামী লীগকে ভোট না দিলেও বর্তমান সরকার এই উপজেলায় বিপুল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরদিকে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ উপজেলার উন্নয়নের জন্য কিছুই করেনি, বরং তারা এ উপজেলায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের মাধ্যমে সন্দ্বীপকে সন্ত্রাসের অভয়াশ্রমে পরিণত করেছে। তিনি বলেন, ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত ক্যাডারদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীকে সন্দ্বীপ ছেড়ে চট্টগ্রাম মহানগরীতে আশ্রয় গ্রহণ করতে হয়। তিনি বলেন, চারদলীয় জোট সরকার সন্দ্বীপ উপজেলার মানুষকে দুর্ভোগে ঠেলে দিয়ে ১১টি সাইক্লোন সেন্টার ও ফেরিঘাট বিক্রি করে দেয়। তিনি বলেন, বিএনপি ২০০২ সালে সন্দ্বীপ পৌরসভা নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। জনগণের প্রতি বিএনপির শাসনের সাথে আওয়ামী লীগের শাসনের তুলনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকারের ৩ বছরের শাসনামলে সন্দ্বীপে প্রতিহিংসার একটি ঘটনাও ঘটেনি। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশে সুশাসন বজায় রাখতে চাই, যাতে জনগণ শান্তিতে বসবাস করতে পারে। অপরদিকে বিএনপি চায় সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণই ভোটের প্রকৃত মালিক। কারা ক্ষমতায় যাবে, কারা যাবে না তা তারাই নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, ‘কাদের ভোট দেবেন সেটা আপনাদের অধিকার। যদি আপনারা মনে করেন যে, আমরা ভোট দেয়ার উপযুক্ত নই, তাহলে আমাদেরকে ভোট দেবেন না। কিন্তু যদি মনে করেন যে, উন্নয়ন অব্যাহত রাখা প্রয়োজন, তাহলে আমাদেরকে ভোট দিতে পারেন।’
আওয়ামী লীগ জনগণের ক্ষমতায়ন এবং জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস বলে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সকল নির্বাচনই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব নির্বাচনে সরকারের হস্তক্ষেপের একটি ঘটনাও ঘটেনি।’ আগামী নির্বাচনের আগেই বর্তমান সরকারকে পঙ্গু করে দেয়া হবে বলে বিএনপি প্রধানের মন্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি’র জন্য এটি নতুন নয়। ২০০১ সালের নির্বাচনের পরে বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর তাদের অত্যাচার-নির্যাতন জনগণ দেখেছে। তিনি বলেন, লাগামহীন দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তারা দেশকে বহু বছর পেছনে নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া কালো টাকা সাদা করায় এবং তার ছেলে মার্কিন ফেডারেল কোর্টে অর্থপাচারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দেশের ভাবমূর্তি কলুষিত হয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী যারা দুর্নীতি করেছে এবং দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদে মদদ যুগিয়েছে তাদের সম্পর্কে জনগণকে সজাগ থাকার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে তাদের প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। অপকর্মের জন্য বিএনপিকে জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি অর্থ লুটকারীদের জনগণ পুনরায় ক্ষমতায় দেখতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আরো উন্নয়নে তাঁর সরকার অনেক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন সরকার অতীতে উন্নয়নের জন্য এত বেশি কাজ করেনি। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য তুলে ধরে তিনি বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকায় স্বচ্ছন্দ জীবনযাপনে জনগণকে কষ্ট করতে হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ এখন প্রতিকেজি চাল ২৬ থেকে ৩০ টাকায় কিনতে পারছে। অথচ বিএনপি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে প্রতি কেজি চালের মূল্য ছিল ৪০ টাকা। তিনি বলেন, দেশে মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া গত তিন বছরে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিক শ্রেণীর দৈনিক আয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ২শ’ থেকে ২৫০ টাকা। বিদ্যুৎ খাতের দ্রুত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৩৬ মাসে তাঁর সরকার প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করেছে। গত তিন বছরে সন্দ্বীপের উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী জাহাজের পরিবর্তে শিগগিরই দু’টি নতুন জাহাজ চলাচল করবে। দ্বীপ উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত সকল বেড়িবাঁধ পুনঃ নির্মাণ করা হবে। সন্দ্বীপ থেকে উড়ির চর পর্যন্ত সংযোগ বাঁধ নির্মাণের ব্যাপারে জনগণের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ডাচ প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে সমীক্ষা চালাচ্ছে। যদি বাঁধ নির্মাণ উপযোগী হয় তাহলে এক্ষেত্রে সরকার উদ্যোগ নেবে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালী থেকে উড়ির চরের সঙ্গে একটি সংযোগ বাঁধ নির্মাণের জন্য সমীক্ষা ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই এর কাজ শুরু হবে।সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ মোঃ শাহজাহান। আওয়ামী লীগ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু, আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুসলেম উদ্দিন আহমেদ জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০১৩ সাল নাগাদ ৭ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্দ্বীপে ১০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম ও ২০ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুতের উপর নির্ভরতা হ্রাসে পর্যায়ক্রমে সবধরনের ডিজেলচালিত মিনিগ্রিড ও সেচ পাম্পসমূহে নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা তাঁর সরকারের রয়েছে। তিনি বলেন, এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী এক বছরের মধ্যে ইনফ্রাসট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অঞ্চলে আরো ১০ লাখ হোম সোলার সিস্টেম ও ২০ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা হবে। ইডকল ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ সোলার হোম সিস্টেম ও ১২ হাজার বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বায়োগ্যাস প্লান্ট থেকে উন্নতমানের জৈবসার তৈরি হচ্ছে। তিনি গতকাল ইডকলের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের আওতায় সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জমির ঊর্বরতা বাড়াতে জৈবসারের ব্যবহার সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং রাসায়নিক সারের ব্যবহার হ্রাস পাচ্ছে। তিনি গ্রাম অঞ্চলে ব্যাপক হারে বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুতের জন্য আমদানিকৃত যন্ত্রাংশের ওপর সম্পূর্ণ কর মওকুফ এবং ইডকলের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণ ও ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘গ্রামের মা-বোনেরা পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে যাতে রান্নাবান্না করতে পারে সেজন্য সরকার সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ক্লিন এনার্জি পৌঁছে দেয়ার জন্য ইডকলের মাধ্যমে বিভিন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।’ দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ একটি অপরিহার্য উপাদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ না পেলে সবধরনের উন্নয়ন কর্মকান্ড থমকে যায়। সরকার ইডকলের মাধ্যমে মিনিগ্রিড স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং এই সন্দ্বীপেই প্রথম ১শ’ কিলোওয়াট বিশিষ্ট একটি মিনিগ্রিড স্থাপন করা হয়েছে। দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ওপর গুরত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ১ হাজার ৬শ’ মেগাওয়াট থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৩শ’ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছিল। কিন্তু পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ও পরবর্তীকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় ২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ২শ’ মেগাওয়াট। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ঘাটতি হ্রাসে দ্রুত অনেকগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গৃহীত হয় এবং এ কারণে গত তিন বছরে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইডকলের সৌরশক্তি ও বায়োগ্যাস কর্মসূচির অধীনে ২০ হাজার প্রত্যক্ষ ও ৩০ হাজার পরোক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে। এখাতে আগামী এক বছরে আরো ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি ও প্রসারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, তাঁর সরকার ১৯৯৬ সালে দেশের প্রথম জ্বালানি নীতি প্রণয়ন করে। এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছেনি, সেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৯৯৭ সালে ইডকল প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইডকলের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে অর্থায়ন ও কারিগরি সুবিধাদি প্রদান করা হচ্ছে।  চলতি বছরেই বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৩ সাল নাগাদ ৭ হাজার মেগাওয়াট ও ২০২১ সাল নাগাদ ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হবে।তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে কয়লাভিত্তিক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন এবং সৌর ও বায়ুচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিদ্যুৎ আমদানির পদক্ষেপও নেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী বক্তৃতা করেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমীন ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী পরে সোলার হোম সিস্টেম ও বায়োগ্যাস প্লান্টের প্রদর্শনী ঘুরে ঘুরে দেখেন। এর আগে তিনি উপজেলার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বর্তমান সরকারের গত তিন বছরে গৃহীত বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতির খোঁজ-খবর নেন। বৈঠকে তিনি জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।